slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

প্রবন্ধ

একজন অশিক্ষিত-গ্রাম্য-দরিদ্র- নারী খাদিজা!

পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও আমি নিজে পুরুষতন্ত্রের শিকার!

উপরের শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়ত চমকে উঠবেন- কিভাবে, কিভাবে এটা সম্ভব!
বলছি, একে একে গুটিকতক-

“সুলতা বনাম বনলতা সেন”

2-Sulota
“সুলতা বনাম বনলতা সেন”
একটি তুলনামূলক কাব্য বিশ্লেষণ
–ডঃ সৈয়দ এস আর কাশফি

কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক”

tobu o ashuk-x300

পর্যালোচনায়- ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী
সাবেক মহাপরিচালক,
বাংলা একাডেমী।

‘বনলতা সেন’কে ঘিরে অনেক অমীমাংসিত রহস্য !!!


কবি জীবনানন্দ দাশ ও তার ‘বনলতা সেন’ কবিতা বাংলা সাহিত্যে একটি বহুল আলোচিত বিষয় । তার কাব্যে কারণে-অকারণে তরু-গুল্ম-লতা-পাতা ঝোপঝাড়ের এত বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাকে কবি না বলে একজন অকৃত্রিম বনসংরক্ষক বা ফরেষ্ট গার্ড বলে ভ্রম হতে পারে। বাংলাভাষার কোন কবির সম্ভবত এত গাছপালার নাম-ধাম জানা নেই।

গ্রন্থ পর্যালোচনা “শ্রাবন দিনের কাব্য”


–মোঃ শামসুল হক শামস
[বাংলাদেশ বেতারের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান "উত্তরণ" এ একাধিকবার পঠিত]

একুশের বই মেলায় আগামী প্রকাশনী,বাংলা বাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত কবি শফিকুল ইসলাম এর কাব্য গ্রন্থ “শ্রাবন দিনের কাব্য” । এই গ্রন্থে প্রায় ৫০টির (পঞ্চাশ) মত কবিতা স্থান পেয়েছে । গ্রন্থের প্রচছদ পরিকল্পনায় শিবু কুমার শীল। কবিতাগুলো মনের গভীরে প্রোথিত অনুভূতিকে উদ্বেলিত করার মত গদ্য -রীতিতে রচিত ।

শুভ জন্ম দিন গণজাগরণমঞ্চ

আজ গণজাগরণ মঞ্চের ১ বছর পূর্তি। ঘটনাবহুল এই এক বছরে গণজাগরণমঞ্চ যেমন অসংখ্য ঘটনার শিকার হয়েছে তেমনি জন্মও দিয়েছে অসংখ্য ঘটনার। গণজাগরণমঞ্চের আন্দোলনের ঢেউ যেমন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দুনিয়াব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তেমনি দেশের জেলায় জেলায় আর বিদেশের বাঙালী অধ্যূসিত অঞ্চলেও সূচনা করেছে আন্দোলন। এই গণজাগরণমঞ্চই বাঙালী নতুন প্রজন্মকে অন্তত নাড়া দিতে পেরেছে, জাগিয়ে তুলতে পেরেছে তাদের ভিতরকার প্রতিবাদী বাঙালীত্বকে।

"প্রেম একবার এসেছিল নীরবে...

“একটি বেদনা-ভরা প্রেমের কাব্য”
–অধ্যাপক কৃপাল নারায়ণ চৌধুরী

‘প্রত্যয়ী যাত্রা’ ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

-মুহাম্মদ শামসুল হক শামস্
কবি, গীতিকার ও প্রকৌশলী

একজন বিদ্রোহী মিতার আত্মহননঃ দায়ী কে?

নারীর উপর পুরুষের অত্যাচার-নির্যাতন, নির্বিচার শোষণ চালানো, নারী-পুরুষের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে টিকিয়ে রাখা এবং নারীকে যৌনদাসী হিসেবে তার পাশে বেঁধে রাখার জন্য পুরুষতন্ত্রের একটি মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে একবিবাহ প্রথা। এটা নর-নারীর মাঝে এমন একটি সামাজিক চুক্তি যেখানে নারীকে আদেশ দেওয়া হয় পতিব্রতা(এখানে পতি শব্দটি অশ্লীল অর্থে ব্যাবহৃত) হতে, পুরুষের সকল কর্মকান্ডকে মুখ বুঝে মেনে নিতে এবং পুরুষটিকে দান করা হয় নারীর শরীরটিকে যখন-তখন যথেচ্ছ ভোগের স্বাধীনতা, নারীর মনের উপর একচ্ছত্র আধিপত্য, শারিরীক-মানসিক নির্যাতন চালানোর সর্বোপরি ক্ষমতা এবং পাশা-পাশি অন্যান্য নারী-শরীর অবাধ সম্ভোগের অধি

সারা বিশ্বে সেরা দশে বাংলাদেশের স্পাইরাল গ্যালাক্সী

অর্থনৈতিক দিক থেকে আউটসোর্সিং বাংলাদেশে একটি বিশাল সম্ভাবনার নাম। আমাদের দেশের বর্তমান প্রজন্মের আইটিতে প্রশিক্ষিত তরুণেরা এই ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এতে করে নিজেরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হয়েছে তেমনিভাবে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে করে তুলছে সমৃদ্ধ। বর্তমান বিশ্বে অনেকগুলো আউটসোর্সিং মার্কেট প্লেস ওয়েবসাইট আছে যেগুলোর মাধ্যমের আবেদন করে, বিশেষভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট, কানাডা ও ইউরোপের নানা দেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের আউটসোর্সিং এর কাজ পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়, জনপ্রিয় এবং অনেক ধরনের কাজের সমাহার হচ্ছে ফ্রীল্যান্সার ডট কম নামক ওয়েবসাইটটি।

চেতনাই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছে

প্রজন্ম চত্বরে গড়ে উঠা আন্দোলনের নেতা চেতনা, কর্মী প্রত্যক্ষ আন্দোলনকারী, সমর্থক জনগন এবং আন্দোলন বিষয়ে যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা জনগনের ক্রমবিবর্তিত চেতনার। এই আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে টানা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা চলছে। দীর্ঘদিন টানা এই আন্দোলন চলার পরও জনগনের কোন ধরনের শারীরিক অবসাদ বা মানসিক ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা কারন এই আন্দোলন বাংলার গন মানুষের ৪২ বছরের ক্ষোভের ফসল এবং জনগনের চেতনা এখানে সদাজাগ্রত, চেতনার মান দিন দিন উন্নতও হচ্ছে। প্রজন্ম চত্বরে গড়ে উঠা আন্দোলন যে টানা ২৪ ঘন্টা ধরে দিন-রাত চলবে এমন সিদ্ধান্ত কেউ দেয় নি- জনগনের ক্রমবিবর্তিত চেতনা নিজে থেকেই এই সিদ্ধান্ত বেছে নিয়েছে। আন্দোলনের প্রথম দিকে রাত্রে কয়েকজন বলার চেষ্টা করেছিল-আপনারা এখন চলে যান কাল সকাল থেকে আবার আন্দোলন শুরু হবে।

ধর্মকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়ঃ

কোন দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠি যদি হাতে ভয়ানক কোন মানবধ্বংশী অস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা ও আরো বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করতে করতে এগিয়ে আসতে শুরু করে তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রথম কাজটি হবে- ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠীকে পাকড়াও করে তার হাতের ভয়ানক অস্ত্রটি কেড়ে নিয়ে পরবর্তীতে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো-এবং বিচারের মাধ্যমে তার কৃত অপরাধের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করা। ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠিটির হাত থেকে মানবধ্বংশী অস্ত্রটি কেড়ে না নিয়ে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো খুব বেশী সুবিধাজনক বলে মনে হয় না। কারন যখন তার বিচারকার্য শুরু হবে এবং বিচারের রায়ে তার উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করার চেষ্টা করা হবে তখন সে প্রাণপণে নিজেকে বাঁচাতে ঐ ভয়ানক অস্ত্রটির ব্যাবহার শুরু করবে- এটা তার জন্য খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। সাধারণ অবস্থাতেই সে যখন তার হাতের অস্ত্রটিকে যত্রতত্র ব্যাবহার করে নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়ে তোলে সে ক্ষেত্রে তার উপর যখন আক্রমণ আসবে সে তখন অস্ত্র হাতে বসে থাকবে- এটা কোন সুস্থ চিন্তার বিষয় হতে পারেনা।

গল্প লেখার গল্প

“অসময়ের গল্প”- এবারের অমর একুশে বই মেলায় আমার প্রথমবারের মত প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ। জিজ্ঞাস্য হতে পারে, এই গল্পগ্রন্থটির শিরোনাম “ অসময়ের গল্প” নির্ধারন করা হল কেন?

Pages