slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

আবোল তাবোল

একদিন বৃষ্টি ঝরা রাতে

গতকাল দুপুর থেকে একটানা বৃষ্টি। বাসার ক্লপসিপল গেটের ভিতরে একহাটু পানি। সামনের ফাঁকা জায়গায় জমে থাকা পানিতে একঝাক পুটি মাছ।একঝাক মানে পনের বিশটা।মাছ গুলোর লেজ থেকে পেটের মাঝদিয়ে লাল বর্ডার।শোবার ঘরের জানালায় বসে স্বচ্ছ-পরিস্কার পানিতে পুটি মাছ! আগে কখনও দেখেছি বলে মনে পাড়ে না। জানালার সামনে পানিতে রঙ্গিন পুটি মাছ! খাবার মেন্যুতে ভাজা ইলিশ (জাটকা) আর রাধুনি পাগল চালের ভূনা খিচুড়ি।বৃষ্টিঝরা আয়েশি দিনটা এরচেয়ে ভালো কাটানোর অন্যকোন উপায় ছিল না।

ঈদের দিনে খুচরা আলাপ

ঈদ শুভেচ্ছা

সেই ২০০৩ সালে পুত্রবধু তিনটা অর্কিডের টব এনেছিল। তখন থাকতাম ধানমন্ডির সরকারি বাসায়। সরকারি চাকরি শেষ, বাসা ছেড়ে দিতে হলো। স্ত্রীর এক বান্ধবী আদাবরে পাশাপাশি দুটো ফ্লাটের মালিক। একটায় নিজেরা থাকে, অন্যটা ভাড়া দেয়। তার অনুরোধ ফেলতে না পেরে সে বাসা ভাড়া নেওয়া হলো। অন্যান্য মালপত্রের সাথে অর্কিডের টবও ট্রাকে উঠে গেল সেখানে। একটা অর্কিডের টব ক্ষতিগ্রস্থ হলো কিছুটা। পরে ধীরে ধীরে সেটা একসময় মরে গেল। একবছর কাটলো সে বাসায়। পুত্র আর পুত্রবধু পড়াশুনা করতে ইংল্যান্ডে চলে গেল। তার আগে মেয়েও তার সংসারের সব জিনিসপত্র আমার ঘাড়ে চাপিয়ে জাপানে চলে গেছে। আমাদের ঢাকা বাসের প্রয়োজন আর থাকলো না।

কবি ও কবিতা

[সবাই কী সুন্দর কবিতা লেখে। এ যেন তাদের কাছে একেবারে ডালভাত! শত চেষ্টা করেও আমার দ্বারা এ হেন কাজটি করা সম্ভব হয় না। ঈর্ষায় (নাকি হিংসায়?) জর্জরিত হয়ে তাই লিখেছিলাম একটা কিছু। অনেক আগে। শব্দনীড়ে অনেক কবিতা লেখা হয়। দেখে পুরাতন সেই ঈর্ষা জেগে ওঠে। সেই ঈর্ষা থেকেই আজকের এই পোষ্ট! শুধুই মজা করার জন্য – কাউকে আঘাত দেবার জন্য নয়।]