slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

আধারম্য

ককটেল

কবি শামসুর রহমান তার ‘অদ্ভুত উঠের পীঠে চলছে স্বদেশ’ এ কি লিখেছেন আমি পড়ি নাই। তবে কবির অদ্ভুত উঠ যে বাস্তবে আছে এবং এই উঠের পীঠে আমরা সওয়ার হয়েছি, তা এই বাঙলা মায়ের ১৬ কোটি সন্তান মাত্রই জানেন। এই অদ্ভুত উঠের কিন্তু ৫ পা নেই! বা মাথাও দুটো নয়। তাহলে বলবেন অদ্ভুত ক্যামনে হয় এই উঠ। আর এ ভাই এই উঠ প্রাণী টাই ত অদ্ভুত লম্বা লম্বা পা, পীঠে কুজ, ইয়া লম্বা একটা গলা। তার উপর আবার একবার পানি খেলে নাকি কয়েক দিন চলে যায়। অদ্ভুত হওয়ার জন্য আর কি লাগে? এর চেয়েও অদ্ভুত আমরা বাংলাদেশীরা। বিশেষ করে যারা ঢাকায় থাকি তাঁরা।

হোজ্জার লজ্জা, আমার হাই হ্যালো!

আমার মনের মন ভালো নেই। আচ্ছামতো ধমক দিয়েছি। বিষয় কিছুই না, উন্মোচনের পাসওয়ার্ড। খালদুন, শশাদা, বাঘমামা...ওরা জানে কতবার নতুন পাসওয়ার্ড করতে হয়েছে!  আর পাসওয়ার্ড হারানো তো নিজের ঘরের চাবি হারানো!

এমনিতেই আমি নাসিরুদ্দীন হোজ্জার লজ্জার মতো উন্মোচনকারীদের প্রতি মনে মনে লজ্জায় লজ্জায় থাকি...আমাদের কথা ছিল সময়ের মুখোশ খুলে দেখার....অথচ আমি নিজেই এখন সময়-এর মুখোশ হয়ে বসে থাকি! বকরির মতো চাকরি করি! বৃত্তবন্দি প্লাস্টিক জীবন। আমি কিছুই নই, ঘড়ির কাঁটাই সব। পৃথিবী সূর্যকে, আর আমি ঘড়ির কাঁটাকে কেন্দ্র করে ঘুরছি। যার যার কক্ষপথে, যার যার লক্ষ্যমতে। আসি আর যাই।