slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ভ্রমন

নিকলীঃ কিছু ছবি কিছু কথা

চামটা বন্দর থেকে আমরা যখন নিকলী বাজারে পৌছলাম তখন বেলা প্রায় ১১ টা। আমরা মানে আমি, সারোয়ার, রাহাত আর সাত্তার। নৌকা ঘাটে ভিড়তেই বেশ কিছু কৌতুহলী মুখ আর তাদের উৎসুক চাহনি চোখে পড়ল। আমাদের চাইতে আমাদের সাথে থাকা ক্যামেরাগুলোই তাদের কৌতুহলের কারন। জানতে চাইল কোথা থেকে এসেছি? ঢাকার কথা বললাম। তারপরের প্রশ্ন আপনারা কোন চ্যানেলের? জবাব না দিয়ে মুচকি হেসে কিছুদুর এগুতেই টের পেলাম আমাদের পেছন পেছন ছোটখাট একটা মিছিলের মত হয়ে গেছে। হাজার হোক কৌতুহল বলে কথা।


হেলিকাপ হেলিকাপ লইয়া যাও লইয়া যাও

ভালো লাগা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও সমুদ্র কন্যা নারিকেল জিঞ্জিরা ঘুরে এলাম কিছুদিন আগে । অনেক দিন থেকেই স্বপ্ন দেখছিলাম সমুদ্রে যাব ; সমুদ্রে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে ওর অংশ হব - অতি বিরাটাকার জিনিসের খুব ক্ষুদ্রাকৃতি একটি অংশ । হঠাৎ করেই স্বপ্নটি পূরণ হয়ে গেলো , রাত্রি সাড়ে নটার সময় বাসে চড়ে ; সকাল দশটার মধ্যে কক্সবাজার ।

পরিব্রাজকের একদিন

সময় পেলেই ক্যমেরা নিয়ে বের হই।সেদিন ঘুরতে ঘুরতেু আর কোন ছবিই পাচ্ছিলাম না – হাইকোর্টের কাছাকাছি আসতেই তার দেখা পেলাম। কি দারুণ একটা সাবজেক্ট – লাল চোখ, মাথায় লাল পাগড়ি, মুখ ভর্তি দাড়ি আর গায়ে শতছিন্ন কোট। কিন্তু ছবি তুলতে গেলেই বিপত্তি শুরু – আমারে এই মারে ত ওই মারে, আমি সাংবাদিক, গাঞ্জা খাওায়ার রিপোর্ট করতেই নাকি আমি আসছি। যাইহোক তারে বোঝাতে পারলাম আমি সাংবাদিক না, কিন্ত পরলাম আরেক সমস্যায়। কঠিন স্বরে তার প্রশ্ন তাইলে ছবি দিয়া আমার কাজ কি। নির্ঘাত তাইলে আমার অন্য ধান্দা আছে। শেষ পর্যন্ত তাকে ছবি তুলতে রাজি করাতে পারলাম – শর্ত একটাই, তার একটা ছবি চাই।