slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

কবিতা

গুণের গুণে

গুণের গুণে

১৭ এপ্রিল’২০১১,রিয়াদ

নেই মমতাজ,সম্রাট শাহজাহানও নেই

তাজমহল আজো আছে যেই সেই।

তাজমহল আছে,থাকবে যতোদিন

মমতাজ-শাহজাহানও রবে ততোদিন।

পোড়ালেও পুড়ে না সোনা আগুনে

রূপে নয়,মানুষ অমর হয় গুণে,

রূপ,রস,গন্ধ,ধন-দৌলত যা কিছু আছে

গুণ না থাকলে দিনশেষে সবই হয় মিছে।

তুমি আছো আমি আছি,

আছে রাষ্ট্র সমাজ

যা কিছু করছি ও করণীয় আজ

তা যেনো হয় কল্যাণীয় কাজ।

তবেই,আজ আছি,যবে থাকবো না

বেঁচে রবো গুণের গুণে,মরেও মরাবো না। 

ঠাট্টা নয়, জরুরি ভিত্তিতে মন মন্ত্রণালয় চাই

আমি তুমি এবং আমরা অনেকে--প্রায় সবাই এখন জানি

অনেক সত্য; শুধু পৃথিবী নয়, কে কার পেছনে এবং কেন ঘুরে!

জানি রাজনীতি-ধর্মের গুঢ়তত্ত্ব, সৃষ্টিরহস্য, কে স্রষ্টা আর কী তাঁর বাণী!

 

অথচ এখনো মনে আর বনে পার্থক্য নেই; আকাশজুড়ে শুধু শয়তানের উড়োজাহাজ

অথচ এখনো গুঁটিবসন্তের মতো প্রকাণ্ড বিষফোঁড়া উঁকি দিচ্ছে সভ্যতার শরীর ফুঁড়ে

অথচ এখনো পেলো না মানুষ মানুষের ভাষা, আচরণ এবং কাজ!

 

আমি তুমি এবং আমরা অনেকেইএখন জানি—পৃথিবীর ক্ষমতার হস্তরেখা

ক্ষমতাধরের মনস্তত্ত্বপঞ্জিকা, এবং নক্ষত্ররা কে কার কাছে অথবা দূরে!

ঘ্যাঙ্গর ঘ্যাং ডাকে ব্যাং ঘ্যাঙ্গর ঘ্যাং

রেখাতে তুলিতে সে পূর্ণ সাকার

বিয়োগে বিয়োগে শুন্য আমি নিরাকার

 

 

আগুন

পানি

পানি

আগুন

 

জলেতে মাছেতে ছায়া সাদা কালো নীল

চৈত্তের রোদ্দুরে পোড়ামুখি চিল

 

বেগুন

তেল

তেল

বেগুন

 

 

রেখাতে তুলিতে সে পূর্ণ সাকার

বিয়োগে বিয়োগে শুন্য আমি নিরাকার

সিরাজ শিকদার

রক্ত ধুয়ে গেছে, হয়তবা স্বপ্নও

জীবন মগ্ন আজ ক্রিকেট আর শেয়ার বাজার

তবুও মাঝে মাঝে রূপগঞ্জ হই

ভাইয়েরা ফেরেনা, তিন অথবা চার

অচেনা জেদ এক মাঝে মাঝে ফিরে আসে

শিরদাঁড়া টনটন সিরাজ শিকদার

পাতালদৃশ্য

প্রথম দৃশ্যে  পায়ের তলায় হিম!

নৃত্যরতা প্রিন্সেস নাই, নিঃশ্বাস হরণ করা ডায়লগ নাই, হাততালি নাই

কিচ্ছু নাই!

গুনতে থাকি লোহার সিঁড়ি

আঁকড়ে ধরি  শক্ত পাঁজর!

 

দ্বিতীয় দৃশ্যে বৈতরণী পার, স্বর্গদুয়ারে

ক্লেশ মুছে নেয় সবুজ মাহুত

রোদ খুব উজ্জ্বল

নীল দুটি চোখের সামনে ম্লানমুখী বাদামী বেহালা

স্তনের অন্ধকারে ঝুলে আছে সামান্য হৃদয়!

শহর বিদ্যুৎশূন্য হলে  আমাদের তৃতীয় দৃশ্যে

ধীরে ধীরে একটি সপ্তর্ষির জন্ম হয়! 

দৃশ্যরূপ

 

দৃশ্যরূপ

                            -সাঈদ সাব্বির আহমেদ

স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরে গেল

                                             মেয়েটি জেগে ওঠে

                                     আশা ভঙ্গের অভিশাপে।

 

শরীরে ঘামে ভেজা গন্ধ-

                            পুরুষালি সঙ্গমজজাত কিনা

কফির কাপ

আমাদের কফির কাপের ভিতর
কফির দানারা
কিশোর শ্রমিকের মত
শীষ দিয়ে গান গাইতো,
তাতে
নতুন কিশোরী
দুলে দুলে নেচে যেত
সরল তরল দুধের মত |
কফির কাপের ভিতর
এখন
হুজুরেরা মিলাদ পড়ে,
আমরা তালে তালে দুলে যাই
একবার সামনে
একবার পিছনে |

০১, ০২

০১

উন্মাদ প্রেমপত্রের মতো নির্বোধ আকাশ

জল হয়ে ঝরে যাও...

পড়ন্ত রোদের মতো সৌম্য চেহারায় ঈশ্বর সময়

জল হয়ে ঝরে যাও...

 

আধো আলো আধো কালো ব্যস্ত পথিক

জল হয়ে ঝরে যাও...

 

০২

এই যে দৌড়াচ্ছি এতো

রিকশার চাক্কার মতো

প্যাডেলে দিতেছে চাপ

গতজন্মের অভিশাপ

 

এই যে গলতেছি এতো

গরমে বরফের মতো

উপরে দিতেছে তাপ

জন্মানোর অভিশাপ

 

এই যে দেখতেছি এতো

বিদেশি মিডিয়ার মতো

চেহারায় দিতেছে ছাপ

বাঁচনের অভিশাপ...

কষ্টযাজক

আমি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কষ্টযাজক

সময়ের বর্ণিল গলিপথে হাঁটি টুংটাং বাজাই পুষ্ট পুঁজির ঋষ্ট গিটার

পেপসিলাক্সের কৌতুকী সৌরভে মাতি

 

অবাধ উচ্ছ্বাসে ওড়ে কাশবালিকা শরত আকাশ

হরিৎ সুরমা প্রান্তর রঙচঙা করপোরেট ইউনিলিভার

পালাবে কোথায়

ডিজুস দেয় পথ্যের সবক

ডোরাকাটা বাঘ চিনায় পথের সীমানা

সুগন্ধিধান কেড়ে নিয়ে দেয় কৃষকের বাণিজ্য সমাধান

 

বৈরী চাবুক তাড়া করছে ভাঙছে সময়...

বিচারপতি হাবিবুর রহমানের মত করে একটা কবিতা লেখার অপচেষ্টা।

বিচারপতি হাবিবুর রহমানের মত করে একটা কবিতা লেখার অপচেষ্টা।

 

২০১০সাল চলে গেল প্রায় অভিমান করেই

আমার কাছে ওর প্রত্যাশা ছিলো অনেক

কিছু পূরণ করতে পেরেছি

পারিনি বেশিরভাগই।

যা পারিনি তা এই জীবনে আর কোনদিন হবে কি না তাও জানি না।

যেমন পারা যায় না বাসরের অপূর্ণ কিছু কাজ আর সারা জীবনে

প্রথম সাতার শেখা কিংবা হাটতে শেখার মত

এমন কিছু করেছি যা আমাকে আবার অনেকেই মনে রাখবে

জুড়িয়ে যাই তোমার কোমলতায় !

 

কঠিন ইস্পাত থেকে গ্রানাইট
চৌচির রোদ্দুর থেকে মরুভুমির উষ্ণতা
সব শুষে নিবে তরল,
কাঠ চৌচির মধ্যহ্নেও তোমাকে মনে হয় বরফের শীতলতা

কিছুই পাবার নয়
শুধু এই টুকুই ,
পাথরে ফুটেছে ফুল
আর শুধু কোমলতা,

আহা ! এই বুঝি মাতাল
এল তল্লাটে তল্লাটে তোমার রমনীয় ভাজে
শোষিতে নন্দনে শারীরিক বুনন,
কোমলতায় ডূব সাতার

আর কঠিন হয়েছে তরল ,
তোমার মাদকতায় মোহিত হলাম সম্রাজ্ঞী !

 

নেতা Vs আমজনতা


পরের
মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে
খেতে নাকি মজা।
নেতার কাছে এই কাজটা
ভিষন রকম সোজা।

মাথার উপর কাঁঠাল রেখে
ঘুরছে জনগণ।

অতন্দ্রিলা

ঘুমাওনি জানি-
মুঠোফোন বালিশের পাশে রেখে দৃষ্টি সিলিং-এ
গোটা কয়েক এসএমএস কড়া নাড়ে সজোরে
এসব তোমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে না
তুমি ও তোমার ভাবনা হেঁটে চলেছ পাশাপাশি
অতন্দ্রিলা তুমি জেগে আছ জানি-
শুকতারা স্পর্শ করে আসা নিভু আলো এসে
ছুঁয়ে যায় তোমার বিছানার শেষ প্রান্ত
প্রিয় ভায়োলিন ঘরের এক কোণে বাক্সে বন্দি
ধুলো তার সাথে মাখামাখি করে সুর তুলবে বলে
জেগে আছ জানি-
তোমার ভাবনা চলে ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে
শুয়ে শুয়ে তোমার ভালো লাগে গুনগুন গান
তোমার এলোমেলো ভাবনা
তোমার ইচ্ছের সুতোয় বোনা স্বপ্ন

পৃথিবীর প্রথম ভাষার নাম ভালবাসা

ইতিহাস জানা নেই, তাই প্রাগৈতিহাসিক;
পুরাকালের প্রবহমান কাহিনী শুধুই কল্পণা নির্ভর?

আদিমকাল থেকে কাল-বিভাজন, তবে
আদিম থেকে আদম না আদম থেকে আদিম?

ইতিহাসের এক ছাত্রী হঠাৎ বলে উঠল-
পৃথিবীর প্রথম ভাষার নাম ভালবাসা।
 

দ্বিপাক্ষীয় দেহবন্টন চুক্তি জনিত বিশেষ দিবস

আজ একটি বিশেষ শুভ দিন-
গৃহ হতে শুরু করে যাবতীয় বন্ধুমহল অনবগত
আজ দ্বিপক্ষীয় দেহবণ্টন চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করিতে যাচ্ছি
শাহবাগে ফুলের তোড়ার বেজায় দাম
তাই একখানা রক্তিম গোলাপই সম্বল
তেল দিলে নাকি খ্যাত খ্যাত লাগে
তাই মাথায় দিয়েছি ধার করা বিদেশী জেল
ঘোচাতে হবে বাসে ঝুলে আর গরমে ধাক্কাধাক্কির ফসল- দুর্গন্ধ
আজ আমাকে চৌকস দেখাতে হবে
সেলিম ড্রাই ক্লিনার্স থেকে ধার করেছি দামী একখানা পাঞ্জাবি
পায়ে সদ্য কালি করানো জুতো
আজ হতে শুরু করতে যাচ্ছি চুক্তিসাক্ষরিত জীবন

Pages