slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

কবিতা

দুঃখের সাম্পান

নির্বান

হঠাৎ আবার দেখা

ভষ্ম ০৫

কিন্তু একটি কালো কাক
শতাব্দীর শেষ সীমানায়...
যার লেজ নেই...
অথচ আমার অতৃপ্ত আঙ্গুল...
বিষন্ন স্নায়ুর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত
পরাজিত হয় কালো জলে...
অতঃপর কারো কারো নিরলস হাস্যরস
তাঁতের কলের মত খট্‌খট্‌ বাজে অন্ধকারে...
তোমার তৃষ্ণার্থ চোখ সুতৃপ্ত মুদিত,
বিধাতার প্রথম বাগানে
শুয়োরের ঘোঁৎ ঘোঁৎ শব্দে
জেগে ওঠে ভোর...

ভাল ছেলে

ধিক ধিক তোমাকে রাষ্ট্র! তুমি বিনির্মিত হও!!

প্রসতাবনা

ঘুঘু তোমাকে ঘুঘু হিসেবে দেয়া
হয়েছে যত নাম তার মাঝে
ফাঁদ বিষয়ক যা আছে তার
পাশাপাশি ঘুঘু ডাকা সময় নিয়ে
বিসতর পদ্য লিখা। ঘুঘু ডাক
যায়না শোনা বাতাসে, রাষ্ট্রযন্ত্রে প্রাবল্য
ধিক ধিক তোমাকে রাষ্ট্র!!
               ----- বাজিতপুর; ০১.০৭.২০১১; ২২:১২

তোমাকে ভোলায় কারা?

জেগে উঠো, ভাঙবে বলে!

ঝড়ো কাক ঘন বরষায় কি ভিজছো বেদম ব্যাথাতুর,
প্রবল বিষাদে কি এখনো সুখ আসে দুঃখবিলাসে?
দেখনা লড়াই শুরু হয়ে গেছে লাঙলে আবাদ হবে বলে;
দেশের মাটি-জল আর যাকিছু স¡দেশী তার সাধিকারে,
দেখনাকি ঝড়ো কাক, মাতাল, প্রেমিক আর যত সহজ স¡ভাবযাত
নেমে গেছে পথে - জননীর আচঁল জুড়োবে বলে আজ।
সময় এসে গেছে, চোখ খোলো, অবাক তাকিয়ে দেখো, লিখে রাখো
সবাই টোকাই হবে বিপ্লবের উজ্জ্বয়নী মন্ত্রে;
সহজ মানুষেরা জেগেছে, আরো মানুষেরা জাগবে
বায়ান্ন, উনষত্তর, একাত্তর, নব্বই এর মতো -
একতাল কাঁদামাটির মত গড়বে স¡দেশ আবার!!

যে মাছ সাঁতার শেখে নি

প্রেম নিহিলো

রং নেই, সুন্দর নেই, আছে শুধু ভনিতা, বলি ভালবাসি, তুমি বলবে, সে কি অর্থহীন? আমি বলি এই, যে কাকতাল, এটাই প্রেম, এর পর- পেন্সিল, কাঁটাতার, এরোপ্লেন, মরুভূমি। যতদুর যাক, ঠাঁয় থাকে, এক ভালবাসা, ভয়হীন ভালবাসা. যে ভয় পায়, সে প্রেমিক নয়, লম্পট-প্রতারক-ধর্ষক-কামুক, তুমি বেছে নাও, রং, নীল কি গোলাপী? তুমি বেছে নাও, প্রেমিক বা কবি, অথবা আহত, প্রেমিক, ল্যাংড়া কবি, কিংবা দুটোই, তুমি করো। তুমি গড় নিজ হাতে। ভালবাসা, রং তুলি, তোমার ইচ্ছে মতন, সচেতন, প্রেম গড় , ভাসিয়ে দিও না, এই প্রেম, এই নরক-বাজারে! আমি ই তোমার প্রেমিক!

মরণ

হারিয়েছ প্রিয় মানুষ,
লুটিয়ে পড়ে
প্রেমের পতাকা হাতে|

প্রেম দূত বলে গেছে
আসবে না আর|

ঈশ্বর আসেনি, এসেছে আজরাইল,
"প্রেম হত্যায় কৃতিত্ব নেই",
তাই আসে না ঈশ্বর,
পাঠায় আজরাইলেরে শরমে শরমে |

এখনও মৃতদেহ চোখ মেলে
চেয়ে আছে আকাশের দিকে,
খুজছে হত্যাকারীর চোখ |
সব কিছু জানা ছিল,
জানা ছিল
এই প্রেমে মরণ ছিল,
ছিল কাঁটা, ছিল ভাঙ্গা আয়না,
ভাঙ্গা নদী আর ভাঙ্গা বুক |
তবু অস্টাদশী কিশোরী কিসের টানে
ঘন প্রেম নিয়ে
ছেড়ে দিল ঘর,
ডেকে নিল মরণ |

ট্রেন-দুর্ঘটনা

সব নারীর মধ্যে মা ও মাগির বাস---
রেল-লাইনের দুইটি স্লিপার যেন---শুয়ে থাকে পাশাপাশি।
পুরুষকে পার হয়ে যেতে হয় প্রেমের চালান নিয়ে
মালবাহী ট্রেনের মতন
ঝিক-ঝিক ঝাঁকুনিমুখর পথ, এই পৃথিবীতে।
নেই অমর্যাদার সুযোগ কোনোটিতে।
যে কোনো অবজ্ঞা, হোক এক কণা,
যে কোনো মুহূর্তে ঘটাবেই
এবং ঘটায়
শতাব্দীর ভয়াবহ ট্রেন-দুর্ঘটনা।

 

আমার কবিতাগুচ্ছ

০১.

তুমি যেন কি দিয়ে গেলো সেদিন সন্ধ্যায়- 

চোখ বন্ধ করে মুঠোয় পুড়ে নিলাম।
এরপর আর ফিরে যাইনি জোনাক বাগানে
তুমি অথবা তোমাদের কোলাহল থাকুক-
আমার হাতের মুঠোয়, অথবা বেদনাবন্দি।

 

০২.

ইচ্ছে ঘুড়ির সুতো গ্যাছে ছিঁড়ে
তাইতো আমি বসে আছি নীড়ে।
নীড়টা আমার ঢেউয়ের মত দোলে
ঢেউ কন্যা যখন আঁখি খোলে।

০৩.

 

ভাবনাগুলো মেলছে ডানা
উড়বে মনটা নেই ত মানা

০৪

মনের মাঝে কি সুর বাজে রোজ!
তুমি কি নাও একটুখানি খোজ?

 

০৫.

আমার প্রথম পোষ্টঃ আনন্দের সংজ্ঞা।

কামানন্দঃ

সমেস্যা হইছে আমি কিন্তু পড়ালেখা কইরা কিচ্ছু লিখিনা। আজাইরা লেখি। টিপাটিপি শুরু কইরা দেই ওয়ার্ড এ একটা ফাইল খুইল্লা আর যা বাইর করতাম করতাম পারি ভিতর থেইক্যা তাই ডাইল্লা দেই। পড়া লেখাতো শিক্কায় ঊঠছিলো সেই ছেলেবেলায়। ছেলেবেলা কইলে তো আরো বেপদ। নারীবাদীরা গোস্বা হইতে পারে। আর তাহারা গোস্বা করিলে তো আবার হাতে গিটার গোয়ায় সিরামিক। দুর কি জানি লেখতাছি? মাথায় যা আইতাছে তাই টিপতাছি।

 

কামানন্দের সংজ্ঞার খোঁজেঃ

 

কার যেনো একটা গান শুনছিলামঃ

ধাঁধাত্তোর

 

 

ধাঁধা ( ব্যতিক্রম )

এই দুনিয়ায় যত সন্তান জন্মছে

সবার জনক-জননী দুই-ই আছে।

একমাত্র ব্যতিক্রম যে মেয়েকে পাই

ওর, মা আছে তো, বাবা নাই

আর, বাবা আছে তো, মা নাই;

মেয়েটির মা-বাবা এক সত্ত্বাই।

মেয়েটির নাম-ধাম সবার চেনা

তাকে তুমিও চেনো  ষোল আনা,

ওকে না চিনে এমন কেহ নাই!

মেয়েটি কে,কি নাম, বলতো ভাই ?

……………………………………………..

…………………………………….???

Pages