slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

কবিতা

বৃষ্টি বিলাস !!

আমার চোখের সামনে অশ্রু ঝরছে টপটপ
তালেতালে বেড়ে চলছে এখন বৃষ্টির ঝপঝপ,
বিজলিতে বিজলিতে প্রকম্পিত সাদা আকাশ
উদাস আর উন্মাদনায় পাগলকরা বাতাস।

বৃষ্টির দিকে একপানে চেয়ে থাকা দৃষ্টি
আমায় উদাস থেকে উদাসতর
উন্মাদ থেকে উন্মাদতর
করে চলছে অবিরত,
মাদকতা আর উন্মাদনার শেষ সীমা-লগ্নে
বৃষ্টির এক ফোঁটার আলতো স্পর্শের অনুভবের আশায়
কিন্তু না, কেন জানি বৃষ্টি ছোঁয়া হয় না !

আজকাল মনে হয়-
আমার চোখের অশ্রুগুলোই ঝরছে বৃষ্টি হয়ে
আমার মনের আর্তনাদগুলোই গর্জন করছে বিজলি হয়ে
তাই মন বলে
ছোঁয়া না ছোঁয়া পিছে কারণগুলো কি মিছে?

আবেগ নয় শুধুই ছলা !!

অঞ্জনা আজ শুধুই তোমার কাছে মার্জনা
জানি তা সম্ভব নয়
তারপরও বলছি-
যে দিন তোমার সাথে প্রথম কথোপকথন 
দুষ্টুমিতেই সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম ইতিহাসের পত্তন,
ভুলে যাব না যখন প্রচণ্ড দাবদাহে মাথার উপর বরুণ
বলেছিলাম সারাজীবন থাকব তোমারই পাশে আমরণ ।

কিন্তু জানো এ আবেগ গুলো মিথ্যে ছিল না
সমীরণের মতই বিরাজমান ছিলে আমার পাশে
সূর্যের আলোর মতই দীপ্তি ছড়াতে আমার উল্লাসে,
সু সংবাদে তোমার ওষ্ঠের হাসিই ছড়িয়ে পড়ত আমার মুখচ্ছবিতে
সত্যি বলতে কি স্বার্থের কাছে সবি ছলাকলা আর শ্লেষ !

তোমাকে কতবার বলেছি তুমি আমার হৃদয়ের চন্দ্রমা

যা না বললেই নয়...

গুন্টার গ্রাস তো গুন্টার গ্রাসের মতো, আমি-আমরাও আমাদের মতো নীরব থাকি। মনের পিঠ দেয়ালে ঠেকলে মাঝে মাঝে সরব হওয়ার চেষ্টা করি। চিৎকার করি। প্রলাপ বকি। যা বৈশ্বিক নয়, নিতান্তই দৈশিক। কিন্তু এবার ইচ্ছে হলো গুন্টার গ্রাসের সঙ্গে গলা মেলাতে...

ইচ্ছের পেছনে অনেক কিচ্ছে আছে। অনলাইনে নিউজ আকারে প্রথম যখন পড়ছিলাম, তখনই ইচ্ছে হলো খুঁজে দেখি না! সবজান্তা গুগল মহেশ্বর তো আছেনই!

বৃষ্টিস্নানে প্রিয়া

আতর্বের পরিবর্তে দিকে দিকে স্ফূর্তি
আনন্দে উল্লাসে উদ্ভাসিত মনে সবার স্ফীতি,
প্রকৃতি আবার অপার অবয়বে যা তার রীতি
বৃষ্টির ধারায় উচ্ছ্বাসিত লালসা নাই তার ইতি।

বৃষ্টিরও বাদল ধারায় চক্ষু-পটে কারো প্রতিমূর্তি
ভেসে উঠে আবেগের ছলচাতুরী যত সব আর্তি,
মনের পানেই বিচরিত থাক সব, আজ শুধু ফুর্তি
প্রিয়ার হাতে হাত রেখে বৃষ্টিস্নানে মনে নেই কান্তি।

পাশাপাশি হাঁটাহাঁটি হাতে হাত
বৃষ্টির ধারায় মুছে যাক সব আঘাত,
চোখের বর্ষা মুছে দিয়ে তুমি আজ আগত
অসম ভালবাসায় শুরু হোক বৃষ্টিস্নানরত প্রতিটি প্রভাত।

রাতের প্রলাপ

যেদিন আমি প্রথম তোমার প্রেমে পড়েছিলাম,
সেদিন তুমি ছিলে না তোমাতে,
তোমার সেই কৌতূহল আর বুদ্ধিদ্দীপ্ত দৃষ্টি
আমাকে করে তুলেছিল সে কি ব্যাকুল!

 মনে আছে কি তোমার?
সেদিন টিপটিপ করে ঝড়ছিল বৃষ্টি,
কেবল ছিলাম আমরা দু'জন।
দু'জনের চোখেই ছিল বিস্ময়,
স্রষ্টার একি অপরূপ সৃষ্টি!

হে আকাশ!

হে আকাশ
তোমার দিকে তাকিয়ে থাকা প্রতিটি নিঃশ্বাস
পাবে কিনা জীবনে তার কাছ থেকে কোন আশ্বাস
ভালবাসতে হলে প্রয়োজন কতটুকু বিশ্বাস!

তোমাকে পাওয়াই ছিল যার ব্রত
তার মনে আজ তোমার তরে কত ক্ষত
আকাশ দেখে
বাতাস দেখে
শুধু তুমি দেখ না!
তাই বলে কি সে কষ্ট পাবে না?

চোখে কি কোন অশ্রু আসবে না, তার
ভালবাসি বলেছে তোমায় কত বার
ঠিক করে কি বলতে পারবে একবার?

একটি কবিতা লিখি কার জন্য !

একটি কবিতা লিখি কার জন্য
মন হয়ে যায় আজ বিষণ্ণ;
দিকে দিকে নেই আজ কোন অন্ন
তাইতো আজ হয়ে গেছে অনেকেই বন্য!

বন্য জীবনে বন্য বেশে
দেখতে হয় অট্ট হেসে;
অন্নরা সব ডাস্টবিনে
বন্যরা সব কুকুর বেশে;
দিনের পর দিনান্তের শেষে
পরে থাকে ডাস্টবিনের পাশে।
 
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁতরে উঠে
ঘুরে ফিরে ডাস্টবিন দেখে;
হঠৎ করেই খুজের বেশে
দেখে উঠে কুকুরগুলো ডাস্টবিনে বসে।

বন্যরা সব কুড়িয়ে খায়
ময়লাযুক্ত নোংরা ফ্রাই;
দিকে দিকে আজ অন্ন নাই
মন কাঁদে আমিও যদি বন্য হয়ে যাই?

আসুন না, একটু পরিবর্তন হই...............।।

একুশের হাসি

২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১২...
নেই প্রভাতফেরীর কোমল নিস্তব্ধতা।

১২ টা ১ থেকে শুরু হওয়া
শাসক-মিলিটারি-পুলিশ-কর্পোরেট,
আর মাইক লাগানো বুদ্ধিজীবীদের হুংকার
আত্মা কাঁপানো এক হাসির মতো আওয়াজ তোলে।

পাহাড়ের কোলে জন্মানো শিশুর মায়ের মিষ্টি কথাগুলো
দূর থেকে দূরে মিলায় সেই হাসির গুমোট ধাক্কায়।
জাতীয়তাবাদের ছুরি হাতেএগিয়ে আসে কবন্ধ,
এক অসুস্থ আতংকে শূন্য চোখে সে চেয়ে রয়।

শীতল এক গর্জন করে সেই হাসি কথা বলে ওঠে,
'ম্যায় আভি ভি জিন্দা হু'!

গলাটা জিন্নাহর মতো শোনায়।
কবরে মুচড়ে ওঠে বরকতের লাশ।

একুশে


একুশের কষ্টের বিনিময়ে অর্জিত কথা
ভুলব না বাংলার মাটিতে রক্ত লাগার ব্যাথা,
লেগেছিল সে দিন রক্তের আভা
একুশ হয়ে গেছে আজ বিশ্বের শোভা।

মায়ের বুকের শেষ আশ্রয়ের লুটিয়ে পড়া
বোনের আদরের ভাইটির তরে আজ কত ক্ষরা,
বাবা হারা বাংলার সন্তানের কান্না
স্বামীর জন্য স্ত্রীর হাতের তৈরি রান্না,
ধ্বংস করেছিল সেই নরপশুরা
লুটিয়ে পড়েছিল বীর ভাইয়েরা ।

রক্তে লাল সেই বায়ান্ন
কেড়ে নিয়েছিল মায়ের মুখের অন্ন!
বাংলার আকাশ বাতাস বলেছিল সেদিন
কথা বলব মায়ের ভাষায় চিরদিন।

সেই দিনের প্রতিটি রক্তবিন্দু-

জয় বাংলা

বলো জয় বাংলা,বাংলারই জয়
এ মোদের গর্ববাণী, আত্মপ্রত্যয়
যে বাণী উচ্চারিয়া এনেছে স্বাধীনতা
তোমার আমার পূর্বসূরী বীর ভ্রাতা
এতো সেই জয়বাণী সেই জয়গান
যে গান শুনিয়া শত্রুর কাঁপিত প্রাণ
সে গান গাহিত তব কেন এত দ্বিধা-ভয়?
বলো জয় বাংলা,জিন্দাবাদ নয়।
আমরা বাঙ্গালী,বাংলাদেশী মোদের পরিচয়
বাংলা মোদের রক্তার্জিত মাতৃভাষা,উর্দু নয়।
যে ভাষা একদা ঘৃণাভরে করেছো প্রত্যাখান
যে ভাষা নিয়েছে কেড়ে রফিক শফিক প্রমুখের প্রাণ
সে ভাষা উচ্চারিলে থাকে কি তব জাত্যাভিমান?
থাকে না,এ যে আত্মপ্রবঞ্চনা,আত্মোপমান
তবু কেন সে বিতর্কীত ভাষায় করো স্তবগান?
ওই শোন ধিক্কারিছে

অনুভবে প্রিয়া !!!

ব্যস্ততাময় এই গতিপথে
তোমার কথা মনে পড়ে,
ঘুম ঘুম ঘুমন্ত চোখে
তোমার ছবি ভেসে উঠে ।


লেখাপড়ার ফঁকে ফাঁকে
তোমায় দেখতে ইচ্ছে করে,
কর্ম ব্যস্ততার ক্লান্তিতে
কথা বলতে ইচ্ছে করে ।


গন্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে
আকপটে ভেসে উঠে,
তোমার আমার ভালবাসায়
শীতের সকালের সূর্য উঠে ।


রাতের এই গভীরতায়
গভীর মনে পড়ছে তোমায় ,
স্তব্দতাময় পৃথিবীতে
তোমার পৃথিবী ভেসে উঠে ।


রাতের এই নির্জনতায়
খুব মনে পড়ছে তোমায় !
শীতের এই হিমলতায়
অনুভব করছি তোমায় !!


আবার আমি

আবার যুদ্ধ করব
আমি আবার হব সৈন্য,
আবার অভাব মুছব তোমার
করব তাড়া দৈন্য
আবার লিখব কাব্য আমি
আঁকব আবার ছবি,
আবার দুজন আপন হব
আবার হব কবি।
আবার আমি হাঁটব পথে
একলা একা রাতে,
হাতটা চাইলে রাখতে পারো
আবার আমার হাতে।
হারিয়ে যাওয়া আমায় আমি
আবার খুঁজে নিব,
পূর্ণ পূর্ণিমাতে আবার
নাও ভাসিয়ে দিব।
আবার আমায় করবে উদাস
করবে আবার নিঃস্ব,
গাইবে পাখি ফুটবে বকুল
দেখবে চেয়ে বিশ্ব।
ভালবাসার বরষা হবে
দিন ফুরোবে যবে,
তোমার আমার দেখা হবে
দেখা হবেই হবে।

নষ্ট আমি!!!

আমার এই ছোট্র জীবনে পেয়েছি কত কষ্ট
ছিলাম হয়ত সব জায়গায় পথভ্রষ্ট,
হয়ে উঠা হয়নি কোন জায়গায় শ্রেষ্ঠ
তাইতো আজ অবলীলায় বলতে পারি আমি নষ্ট!

প্রিয়ার চোখে আমি বড়ই আবেগিক
বাবা-মার চোখে আমি নই স্বাভাবিক,
কারো কাছেই হয়ে উঠা হয়নি শ্রেষ্ঠ অবিভাবক
বন্ধু সমাজে আমি বড়ই নষ্ট কাব্যিক !

জগতের সকলেই করল আমায় ব্যবহার
কারো কাছেই পেলাম না মনের আহার,
কত জন আমার কর্মে পেয়েছে উপহার
শেষ বেলায় বিনিময়ে আমার জন্য তিরস্কার!

জীবনের অর্ধেক সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পথে
বুঝে গেলাম অনেক কিছু অতিক্রান্তের শেষে,
পছন্দ হয় অনেকের আমার হরেক সৃষ্টিতে

সম্ভব-অসম্ভবের গান

অপবিত্র আমি
মরে গিয়ে হয়ে উঠতে চাই পরম পবিত্র ;
পরাজিত সৈনিকের মত ফিরে এসে,
জীবনের বেলাভূমে পেতে চাই
শহীদের বিনম্র সন্মান ;
ধূসর চোখ মেলে ,দেখতে অসম্ভব
ইচ্ছে জাগেঃ
আমার মায়ের , একমাত্র
পুত্র হারানো বুক-ভাঙ্গা শোক;
পিতার কঠিন চোখে দু-ফোটা কোমল পানীয়ঃ

টেলিভিশনের রঙ্গীন পর্দায়, তীব্র যৌনাবেদনময়ী সংবাদ পাঠিকার
সরু লাল ঠোটে , নিজের মৃত্যু সংবাদ শুনে-
অনন্য পুলকের উষ্ণতায় গলিত আমি !
নোনা জলে সিক্ত
প্রেমিকার সুডৌল স্তন যুগলে,
কেঁপে কেঁপে উঠে
আমার দুটি স্পন্দনহীন মৃত হাতঃ

স্মার্ট বয় !!!!

ওহে বালিকা চুপটি করে বস আমার পাশে
শুনতে থাক আমার কথা দীর্ঘনিঃশ্বাসে,
ভালবাসা হয় জত্ত সব মজার নিশিতে
আমি হয়েছি রক্ত চোষা এই ধরণীতে;
দশ কি বারটি নিষ্পাপ মেয়েকে
করেছি আমার খেলার সামগ্রীতে,
সপ্ন দেখিয়েছি কত্ত ললনাকে
উপভোগ্য বানিয়েছি নিজের মনোইচ্ছাতে!

ওহে বালিকা,
শুন আমার কথা
শুনতে হবে কেন?
আমি যে তোমাদের স্মার্ট বয় ।

ডেট হবে সব ইনডোর
হবে না কোন আউটডোর,
কেন?
আমি যে স্মার্ট বয়
লোকে আমায় বলে
চকলেট বয়
দেশী বয়
আমি যে স্মার্ট বয় !
এক সাথে হ্যান্ডেল করি 
তিন তিনটা জি এফ
আরও আছে অনেক বি এফ,
আমি বলি মেয়েরা হচ্ছে ফুল

Pages