slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

উপন্যাস

অন্ধ নিরাঙ্গম

লক্ষ্মীরে কেন খুন করেছিলাম, তার কিছুই মনে পড়ছে না। খুন যে করেছিলাম তার বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত, কিন্তু কেন খুন করেছিলাম? না, কিছুতেই তা মনে পড়ছে না। অবশ্য লক্ষ্মীরে না দেখলে এই খুন সম্পর্কে আমি কিছুই জানতে পারতাম না, ওরে প্রথম দেখতেই আমার সামনে পুরো নিউমার্কেটটা ধূসর এক মাঠ হয়ে গিয়েছিলো। শুধু এই খুন আর ধূসর মাঠ বিষয়ে আমি কিছুদিন ভাববার পর শ্যামা বৌদির কণ্ঠ শুনতে পেলাম। কিন্তু এই শ্যামা বৌদিটাই বা কে?

স্বল্পদৈর্ঘ্য উপন্যাস ৪ : বসার ক্ষুধা!

ফাল্গুন বাসে নীলখেত থেকে বারিধারা আসছিলাম। শাহবাগ আসতে আসতেই বাস হাউজফুল হয়ে যায়। এরপর বাসে ঝোলা পার্টি। আজ আমি আর এ পর্টিতে নেই। সীটে বসে মন আমার মধ্যবিত্ত নবাবী অনুভব করতে থাকে। দাড়ানোগুলোরে দেখলে বিরক্ত লাগে। বাস বেশীক্ষন দাড়ালে বিরক্ত লাগে। আমার বাবার সম্পত্তি বাসটি কেন আমাকে নিয়ে উড়ে চলে যাচ্ছে না!! বিস্মিত হই। মেজাজ খারাপ হয় আমার শ্যালক ড্রাইভার কেন রাস্তায় দাড়িয়ে মানুষ নেয়। কষে চড় দিতে পারলে বা পিঠ বরাবর একটা লাত্থি দিতে পারলে শান্তি লাগতো।

আমি সেই রক্তিম, খুন ও প্রেমের লালে লাল

কেউ একজন খুন হয়েছে, লাশটা পড়ে আছে কুয়োর তলায়। হিমে জমে যাচ্ছে সে। কথা শুরু তারই জবানিতে, ‘আমি এখন একটি লাশ ছাড়া আর কিছু নই’। ওদিকে শাদা ঘোড়ায় চড়ে নিজের শহরে ফিরছে এক মুসাফির শিল্পী। বিরহজ্বালায় পৃথিবীর পথে পথে অনেক ঘুরেছে সে। ডাক এসেছে, তাই ফেরা, কিন্তু কার কাছে? চাচা এনিশতে এফেন্দি শিল্পগুরু। তাঁর বাড়িতেই জায়গির থেকে শিখত রং-রেখার শিল্প। শিরিন ও ফরহাদের ছবি আঁকার সময় মনে ভাসতো চাচাতো বোন শেকুরের মোহময়ী মুখ। কিন্তু সে যে বড্ড দেমাগি! প্রত্যাখ্যানের অপমানে ইস্তাম্বুল ছাড়া সেই তরুণ দশ বছর পর ফিরে এসে বলবে: ‘মাই নেম ইজ ব্ল্যাক’।