slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

পাহাড়ের টুকরো কথা-০৫

 

পূর্বকথা

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বিশেষ সংবাদদাতা নাদিম কাদির (এখন এটিএন নিউজ-এ) মতিঝিলের বহুতল ভবনে তার কর্মস্থলে ১৯৯৪ সালের মে মাসের এক দুপুরে গেরিলা নেতা সন্তু লারমার এই ছবিটিসহ শান্তিবাহিনীর কয়েকটি ছবি দেখে স্পষ্টতই বেশ খানিকটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

তিনি চড়া দামে দুটি দুর্লভ ছবি কিনে নেওয়ার পর স্পষ্ট স্বীকারোক্তিতে বলেন, আপনি যা পেরেছেন, তা যে কোনো সাংবাদিকের জন্যই খুবই গৌরবের ঘটনা। একজন গেরিলা নেতার মুখোমুখি হতে পারাটা সত্যিই খুব অসাধ্য ব্যাপার। আর আপনিই প্রথম সন্তু লারমার সাক্ষাৎকার নিতে পেরেছেন, তার সঙ্গে দুর্লভ ছবিও তুলতে পেরেছেন!

সেটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরেরও বছর তিনেক আগের কথা। পার্বত্য চট্টগ্রাম তখন দারুণ যুদ্ধ-বিক্ষুব্ধ। সেনাবাহিনীর সঙ্গে পাহাড়ি বিদ্রোহী গ্রুপ শান্তিবাহিনীর রক্তক্ষয়ী বন্দুকযুদ্ধ লেগেই আছে। সেনাবাহিনী তখন অপারেশন চালাচ্ছে দিনের বেলা, আর রাতের বেলা হানা দিচ্ছে শান্তিবাহিনী। সন্তু লারমা তখন দেশের টপ মোস্ট ওয়ান্টেডদের একজন। তাকে ধরার জন্য পাহাড়ে চালানো হচ্ছে-- একের পর এক কাউন্টার ইনসার্জেন্সি, স্পেশাল মিশন।

এরকমই অস্থির পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকেই শান্তিবাহিনীর একজন গাইড নিয়ে আক্ষরিক অর্থেই পাহাড়ে দু-তিনদিন এক গ্রামে আত্নগোপন করার পর গাইডের পর গাইড বদল করে টানা ২০ মাইল দুর্গম, কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় যাত্রার পর সন্ধ্যার খানিক আগে পৌঁছানো গিয়েছিল খাগড়াছড়ির দুদুকছড়িতে সন্তু লারমার হাইড আউটে-- দিনটি ছিল ৪ মে ১৯৯৪ সাল। পুরো যাত্রাটি ছিল এ পর্যন্ত পেশাগত জীবনের সবচেয়ে অভিজ্ঞতাময়।

ভারত সীমান্তে শান্তিবাহিনীর সদর দফতর দুদুকছড়ার বনে পাহাড়ি টিলায় অসংখ্য জলপাই রঙের তাঁবু ফেলে তৈরি হয়েছে গেরিলা ছাউনি। সেখানে দেখা যায়, একে-৪৭, জি-থ্রি আর নানান ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত জলপাই-সবুজ পোশাকের শান্তিবাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন গাছের আড়ালে সতর্ক প্রহরায় রয়েছেন। সাদা পোশাকে শান্তিবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় নেতা সুধাসিন্ধু খীসা এগিয়ে এসে সাংবাদিককে স্বাগত জানান। হারিকেনের আলোয় হাতমুখ ধুয়ে একটি ছোট্ট তাঁবুর ভেতর বসা গেল।

সুধাসিন্ধু বাবু কফি খেতে দেন, সঙ্গে পাহাড়ি কলা ও বিস্কুট। আপ্যায়নের জন্য আরো দেওয়া হয় এক প্যাকেট গোল্ডলিফ সিগারেট। শীর্ষ গেরিলা নেতা সুধাসিন্ধু বাবু বলেন, শুনেছি, আপনার চা-কফির খুব নেশা। আর আপনি গোল্ডলিফ সিগারেট খান। তাই জঙ্গলের ভেতর অনেক কষ্ট করে এসব জোগাড় করতে হয়েছে!

খানিকক্ষণ পর একজন শান্তিবাহিনীর সৈনিক এসে স্যেলুট করে তাকে চাকমা ভাষায় বলেন, 'স্যার' আসছেন।

বলা ভালো, এই 'স্যার' হচ্ছেন শান্তিবাহিনী প্রধান (ফিল্ড কমান্ডার) জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা। শান্তিবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত নেতা এমএন লারমা, সন্তু লারমা, সুধাসিন্ধু খীসাসহ শীর্ষ নেতারা সবাই ছিলেন বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক। শিক্ষকতা করার সময়েই তাঁরা শান্তিবাহিনী গঠন করে আত্মগোপনে চলে যান। শুরু করেন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রাম। মাওসেতুং চিন্তাধারার অনুসারী শান্তিবাহিনীর লড়াইয়ের মূল লক্ষ্য ছিল পাহাড়ে জুম্ম (পাহাড়ি) জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা। এ কারণেই শান্তিবাহিনীর গেরিলা যুদ্ধকে বলা হয় 'মাস্টার্স রেভ্যুলিউশন'। আর সেই থেকে শীর্ষ নেতাদের 'স্যার' বলে অনুসারীরা সম্বোধন করেন। তবে সাধারণ অর্থে 'স্যার' বলতে সন্তু লারমাকেই বোঝায়।

খুবই সাদাসিদে পোশাকে বয়স্ক মতোন শুকনো গোছের একজন মানুষ আট-দশজন গেরিলা যোদ্ধা পরিবেষ্টিত হয়ে কাছে এগিয়ে আসেন। সকলে উঠে দাঁড়ালে তিনি সাংবাদিকের দিকে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে বলেন, আমিই সন্তু লারমা!

সেদিন রাতে দুর্গম দুদুকছড়ার হাইড আউটে শান্তিবাহিনী প্রধান সন্তু লারমার সঙ্গে কুশল বিনিময় ছাড়া তেমন কথা হয়নি। লিডার বলেন, আপনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এত কষ্ট করে আমাদের ক্যাম্পে এসেছেন, আমি খুব খুশি হয়েছি। আপনার সঙ্গে কথা হবে কাল সকালে।

ওই রাতে সামান্য ভাত-মুরগির মাংসের তরকারি খেয়ে শুয়ে পড়া হয়। ক্লান্তিতে শরীর যেনো ভেঙে আসতে চায়। রাত্রিবাসের তাঁবুটিকে পাহারা দিচ্ছিলেন শান্তিবাহিনীর সশস্ত্র যোদ্ধারা। শিশিরের আক্রমণ থেকে বাঁচতে জলপাই রঙের মশারির ছাদ ঘন সবুজ কাপড়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। নানান ধরনের রাত জাগা পাখি ও তক্ষকের বিচিত্র ডাক শুনতে শুনতে পথক্লান্তিতে ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসে দ্রুত।

এরই মধ্যে একজন গেরিলা কমান্ডার এসে ফিসফিস করে বলেন, সেনাবাহিনী বা বিডিআর যদি আমাদের ক্যাম্প আক্রমণ করে, তাহলে আপনি ভয় পাবেন না। গোলাগুলি শুরু হলে আপনি শুধু মাটিতে শুয়ে থাকবেন। আমরা আপনাকে জীবন দিয়ে রক্ষা করব।...

পরদিন ৫ মে খুব ভোরে হাত-মুখ ধুয়ে চা-নাস্তা খেতে খেতে কথোপকথন হয় সন্তু লারমার সঙ্গে। টেপ-রেকর্ডার ব্যবহার করার অনুমতি না থাকায় গেরিলা নেতার দীর্ঘ সাক্ষাৎকারটি হাতে লিখে নেওয়া হয়। তাঁকে সহায়তা করছিলেন শান্তিবাহিনীর আরেক শীর্ষ নেতা রূপায়ন দেওয়ান।

সেদিনের কথোপকথনে সন্তু লারমা যা বলেন, তা অনেকটা এরকম:

কথায় কথায় আমাদের বলা হয়, আমরা 'বিচ্ছিন্নতাবাদী, বিভেদপন্থী, রাষ্ট্রদ্রোহী' ইত্যাদি। কিন্তু আমরা আসলে তা নই। আমরা এ দেশের অখণ্ডতায় বিশ্বাসী। আমাদের প্রতিষ্ঠিত স্কুল-কলেজগুলোতে নিয়মিত জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়। গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত। আমাদের স্কুল-কলেজেও একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস পালিত হয়।

আর আমরা কোনোভাবেই ভারতের মদদপুষ্টও নই। আমরা যুদ্ধ পরিচালনা করছি, এ দেশের সাধারণ পাহাড়ি মানুষের জনসমর্থন নিয়েই। তারাই আমাদের যুদ্ধের মূল শক্তি। আপনি গেরিলা যুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন, এ রকম কোনো যুদ্ধই কোনো একটি দেশের ওপর নির্ভর করে বা জনসমর্থন ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। আমরা সশস্ত্র সংগ্রাম করছি প্রায় দুই দশক! এটি খুব সাধারণ ব্যাপার নয়।

এছাড়া দেখুন, জঙ্গলের জীবন অনেক কঠিন। আমরা তো কেউ শখ করে অস্ত্র হাতে তুলে নেইনি। এখানে রোমান্টিকতার কোনো প্রশ্নই আসে না। এই যুদ্ধ আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের সমস্ত পথই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা বাধ্য হয়ে অনিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছি। আমরা শান্তিকামী বলেই সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথও খোলা রেখেছি।...

সন্তু লারমার এটিই ছিল কোনো গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকারটিকে বিশ্বাসযোগ্য করতে তার সঙ্গে গেরিলা পরিবেষ্টিত হয়ে সাংবাদিক কয়েকটি আলোকচিত্র তুলেছিলেন; তার পক্ষে ছবি তুলে দেন রূপায়ন দেওয়ান। এই লেখার ছবিটি তারই একটি।

সেদিন দুপুরে ভাত খেয়ে খানিকটা বিশ্রাম নিয়ে আবারও পানছড়ি হয়ে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে যাত্রা। সন্তু লারমা বিদায় বেলায় বলেন, পারলে আমাদের কথা লিখবেন। কেউ আমাদের কথা বলে না!

পরে ঢাকায় ফিরে লেখা সন্তু লারমার সচিত্র সাক্ষাৎকারটি সে সময় দৈনিক আজকের কাগজে হুবহু প্রকাশিত হয়। ভারতীয় ইংরেজী সাপ্তাহিক 'ইন্ডিয়া টুডে' একই সাক্ষাৎকার ছবিসহ ফলাও করে প্রকাশ করে। সাপ্তাহিক খবরের কাগজে দুই পর্বে ছাপা হয় গেরিলা নেতা সন্তু লারমার প্রথম সাক্ষাৎকারের ইতিবৃত্ত। সাংবাদিক নাদিম কাদির এএফপির পক্ষে সন্তু লারমার দুটি আলোকচিত্র চড়া দামে কিনে নেন, যা লেখার সূচনাতেই বলা হয়েছে।

---
সন্তু লারমার প্রথম সাক্ষাতকারটির বিস্তারিতসহ এর ইতিবৃত্ত পড়া যাবে --
রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে -- নামক লেখকের ই-বুক এ।

---
ছবি:
গেরিলা নেতা সন্ত লারমার হাইড আউট, দুদুকছড়ি, খাগড়াছড়ি, ৫ মে ১৯৯৪, লেখক, উইকিপিডিয়া

12345
Total votes: 869

মন্তব্য

যূথচারী-র ছবি

খুবই ভাল লেগেছে, অনুপ্রেরণাদায়ক। আপনার বর্ণনা, আবেগের প্রকাশ সবই অসাধারণ। পাহাড়ে আপনার অভিজ্ঞতাগুলো যতোই পড়ছি, ততোই মুগ্ধ হচ্ছি- বর্ণনায়, অভিজ্ঞতায়।


রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু, কেউ নেই শূন্যতা-
আকাশে তখন থমকে আছে মেঘ,
বেদনাবিধুর গীটারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখিদের সংবেদ!
বিপ্লব রহমান-র ছবি

সঙ্গে থাকার জন্য আবারো ধন্যবাদ। 

রোমাঞ্চিত হইলাম। দারুণ ব্যাপার।

বিপ্লব রহমান-র ছবি
আজাদ-র ছবি

সত্যিই রোমাঞ্চকর!! লিংকগুলাতে ঢুকতে পারলাম না।

ঐ সময়ের ঘটনা প্রবাহ জানতে ইচ্ছা করে। লিখুন বিপ্লব ভাই। শান্তি চুক্তিটাই কি কাল হল ওদের জন্য? লড়াইটা সমতলেও ছড়িয়ে পড়তে পারতো, ওটাই হতে পারতো সামগ্রিক মুক্তির লড়াই।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

আপনার বিনীত পাঠ ও আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। একে একে বলার চেষ্টা করছি:



লিংকগুলাতে ঢুকতে পারলাম না।


ব্লগের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লিংকগুলো ভেঙে গিয়েছিল, বন্ধু-কে অবহতির পর সেগুলো ঠিক করা গেছে; কিন্তু কিছুতেই লেখার শুরুতে ছবিটি বড় করে দেওয়া গেল না।



ঐ সময়ের ঘটনা প্রবাহ জানতে ইচ্ছা করে। লিখুন বিপ্লব ভাই।


অশান্ত পাহাড়ের প্রত্যক্ষদর্শন সম্পর্কিত সে সময়ের কথা খানিকটা লিখেছি 'রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে'  নামক  ই-বুক-এ। আর লেখালেখির কাজটি এখনো চলছে। তবে এ জন্য যে সময় প্রয়োজন, তার বড়ই অভাব।



শান্তি চুক্তিটাই কি কাল হল ওদের জন্য?


একদম  নয়। বরং বেশ খানিকটা উল্টো; শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন না হওয়াটাই পাহাড়িদের জন্য কাল হতে বসেছে। তবে চুক্তির ভেতরেই এটি বাস্তবায়নের দুর্বলতা, যেমন গ্যারান্টি ক্লজ/ রোড ম্যাপ -- ইত্যাদি থাকা উচিৎ ছিল কি না, সে প্রশ্নও উঠতে পারে। কিন্তু এটি বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে।



লড়াইটা সমতলেও ছড়িয়ে পড়তে পারতো, ওটাই হতে পারতো সামগ্রিক মুক্তির লড়াই।


মোটেই নয়। সাবেক গেরিলা গ্রুপ শান্তিবাহিনীর রাজনৈতিক দল 'পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি' একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল। পাহাড়ে বহু বছরের শোষণ-বঞ্চনার প্রোক্ষাপটে এই দল ও গেরিলা গ্রুপটির জন্ম। শান্তিবাহিনী পাহাড়ে আঞ্চলিক সায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছে।


কাজেই শান্তিবাহিনী বা জনসংহতি সমিতির কাছে সমতলের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে গেরিলা যুদ্ধের সম্প্রসারিত রূপ আশা করাটা ভুল হতো। তাছাড়া  ঐতিহাসিকভাবেই  একেকটি সশস্ত্র সংগ্রাম  গড়ে ওঠার নেপথ্যে বিষয় ও বিষয়ীগত শর্ত থাকে। আবার নিরস্ত্র গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।


এরপরেও গেরিলা যুদ্ধের দিগদর্শন ও গতি-প্রকৃতি সর্ম্পকে এই লেখাটি এবং তৎসংলগ্ন কিছু লিংক হয়তো আপনাকে সহায়তা করবে, পড়ুন--  সিরাজ সিকদার: অন্য আলোয় লেখা। 


আবারো আপনাকে সাধুবাদ জানাই। চলুক।

আজাদ-র ছবি

ধন্যবাদ বিপ্লব ভাই।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
---
ব্লগ টেকিদের কারিগরি বিদ্যার পর এখন লেখার শুরুতেই আলোচ্য ছবিটি পূর্ণমাপে দেওয়া গেছে।

মির্জা গালিব-র ছবি

আপনার সাহসের তারিফ করছি মাইরি। বাপের বেটা সাদ্দাম!

সত্যি গিয়েছিলেন তো? নাকি ফটোশপে এডিট করে ছবি বানিয়েছেন।

পোস্ট খাসা হয়েছে। লাগে রাহো...

অফ টপিক: পাবর্ত্য সমস্যার সমাধান কবে হবে? চুক্তি করার পরেও সন্তু লারমা মাঝে মাঝে যে বক্তৃতা-বিবৃতি দেন, তাতে তো মনে হয়, অস্ত্র ছেড়ে তিনি ভুল করেছেন। এ বিষয়ে তার সাম্প্রতিক অনুভূতি কী? চাইলে কি আবারো অস্ত্র ধরতে পারবেন তিনি? কিংবা আদৌ পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীগুলোর পক্ষে সেইরকম (লারমাদের মতো) চরম হওয়া সম্ভব হবে? পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তীব্র প্রতিবাদের রাস্তা কি সন্তুই বন্ধ করে দেননি?

...  ...  ...  ...  ...  ...  ...  ...  ...  ... ...
আমি একটি কথা বললেই তুমি বলো- কে তুমি?
আমি বলি, তুমিই বলে দাও- কেন এই কথোপকথন! (মির্জা গালিব)

বিপ্লব রহমান-র ছবি


সত্যি গিয়েছিলেন তো? নাকি ফটোশপে এডিট করে ছবি বানিয়েছেন।


....শশশশশ….উইকিপিডিয়ার অন্যতম প্রধান ও ব্লগার রাগিব হাসান, জনসংহতি সমিতির দুই শীর্ষ নেতা ও ব্লগার মঙ্গল কুমার চাকমা দীপায়ন খীসাসহ অন্যরা শুনে ফেলবে তো!!


অফটপিক: গুরুতর পাঁচ-পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর মন্তব্যের ছোট্ট ঘরে দেওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। প্রতিটি পয়েন্ট বিস্তারিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষনের দাবি রাখে। তবে আপনার প্রশ্নগুলোর বেশকিছুটা জবাব হয়তো পাওয়া যাবে সন্তু লারমারই জবানীতে, তার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে, পড়ুন--আদিবাসী প্রশ্নে সরকার ফ্যাসিস্ট : সন্তু লারমা
 


আপনার আগ্রহের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আগামীতেও সঙ্গে থাকার বিনীত অনুরোধ।

 ভালো লাগলো লেখা।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

অনেক ধন্যবাদ। আগামীতেও সঙ্গে থাকার বিনীত অনুরোধ। 

বিপ্লব রহমান-র ছবি

 আপনার মানবিক চিন্তাকে স্বাগত জানাই। অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। 

সাহাদাত উদরাজী-র ছবি

অসাধারণ লেখা। সংবাদিকদের সাহসই শক্তি।

মন্তব্য