slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই?

আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি শুধু পররাষ্ট্রমন্ত্রীই নন, একজন সফল চিকিৎসকও। মন্ত্রী হওয়ার আগে ২০০৮ সালের ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবসে তিনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধিন শোভাযাত্রার মিছিলে এরকম হাসিমুখেই যোগ দিয়েছিলেন। তখন আদিবাসীর অধিকার আদায়ের পক্ষে জ্বালাময়ী বক্তব্যও রেখেছেন। আর এখন নিজের স্মৃতিশক্তির চমৎকার অস্ত্রপচার করে আপামনি বলেছেন, দেশে নাকি কোনো আদিবাসী নেই! এই বক্তব্যের সমর্থনে তিনি সংবিধানটিও ভুলভাল উদ্ধৃত করেছেন।
 
এ দেশে বসবাসরত ভাষাগত সংখ্যা লঘু জনজাতিদের 'ক্ষুদ্র গোষ্ঠী' হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত মঙ্গলবার তাদের পরিচয় সর্ম্পকে 'ভুল ধারণা' নিরসনে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেন। বিদেশি দূতাবাস ও হাইকমিশনের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে এই ভূখণ্ডের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যখ্যা করে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে 'ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী' বসবাস করছে তারা এ দেশের 'অধিবাসী', কোনাভাবেই নাকি 'আদিবাসী' নন। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে এইসব জাতিগোষ্ঠীকে 'উপজাতি'র বদলে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতদের বলেন, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, ঔপনিবেশিক ইতিহাস ও জাতি হিসেবে বাঙালির পরিচয় নিয়ে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি এক ধরনের বৈশ্বিক 'ভুল ধারণার' শিকার হচ্ছে।
 
ওইদিন সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার পর দুপুরে কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় একই বিষয়ে সম্পাদক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রধানদের তিনি এক্ই বয়ান দেন। [লিংক]
 
পরারাষ্ট্র মন্ত্রীর এই ভন্ডামীর জবাব দিয়েছেন, চাকমা রাজা ব্যরিস্টার দেবাশীষ রায়। পরদিন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর যে উদ্ধৃতি টেনেছেন- তাও 'সঠিক' নয়। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কোথাও দীপু মনির উল্লেখিত 'জাতিগত সংখ্যালঘু' শব্দটির উল্লেখ নেই। বরং সংবিধানে নতুন যুক্ত ২৩(ক) দফায় আদিবাসী বোঝাতে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।
 
রাজা দেবাশীষ বলেন, ১৫ কোটি মানুষের একটি দেশে ১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষকে একটি 'বিশেষ পরিচয়ে' উল্লেখ করে ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষের পরিচয়কে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হলে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা হয় না- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য 'ভুল-ধারণা প্রসূত'। সাংবিধানিকভাবে 'আদিবাসী' স্বীকৃতি দিলে মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন, প্রান্তিক ও অনগ্রসর এই ১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ তাদের প্রান্তিক অবস্থান জানানোর একটি আইনি ভিত্তি পাবে। এই মর্যাদা তাদের কোনো 'বিশেষ' সুবিধা দেবে না। [লিংক]
স্মরণ করা যেতে পারে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির টপ বস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকার সময় একাধিকবার বিশ্ব আদিবাসী দিবসে ভাষাগত সংখ্যালঘু জনজাতিদের 'আদিবাসী' হিসেবেই উল্লেখ করে তাদের দাবিনামার পক্ষে অনলবর্ষী বাণী দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইস্তেহারে এবং দিন বদলের সনদের ঘোষণায় আদিবাসীর অধিবার প্রতিষ্ঠায় এন্তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কিন্তু সেই আওয়ামী লীগই এখন ক্ষমতাসীন হয়ে রাতারাতি গণেশ উল্টে তাদের ভোল পাল্টে ফেললো। সম্প্রতি জাতিসংঘের আদিবাসী বিষয়ক ফোরামে বাংলাদেশের মহাজোট সরকারের প্রতিনিধি দাবি করে বসলেন, দেশে নাকী কোনো আদিবাসী নেই! এরই ধারাবাহিকতায় উপেক্ষিত হলো আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির ৪০ বছরের পুরনো দাবিটি-- যে দাবি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান রচনারকালেই জুম্ম (পাহাড়ি) জাতীয়তবাদের জনক এমএন লারমা ১৯৭২ সালে জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছিলেন। [লিংক]
 
যে কোনো যুক্তিবোধ সম্পন্ন মানুষ মাত্রই চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের এই কথাটি মানবেন: 
সাংবিধানিকভাবে 'আদিবাসী' স্বীকৃতি দিলে মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন, প্রান্তিক ও অনগ্রসর এই ১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ তাদের প্রান্তিক অবস্থান জানানোর একটি আইনি ভিত্তি পাবে। এই মর্যাদা তাদের কোনো 'বিশেষ' সুবিধা দেবে না।
 
তাহলে 'আদিবাসী' প্রশ্নে আওয়ামী লীগের এই আকস্মিক ডিগবাজী কেনো? তাদের ভয়টি আসলে কোথায়? বিএনপিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও কেনো অন্যসব বিষয়ে নানা বিরোধী মতে থাকলেও এ বিষয়ে একেবারে নিরবিচ্ছিন্ন ঐক্যমত্যে? সহকর্মী মেহেদী হাসানের একটি ছোট্ট খবরে এসব প্রশ্নের হয়তো জবাব মিলবে।
জানা গেছে, 'আদিবাসী' অভিধা ব্যবহার করলে সরকারকে বিভিন্ন জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষর করতে হয়। সে ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জাতিসংঘের সরাসরি হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকে। এ পরিস্থিতি এড়ানোর জন্যই বাংলাদেশ সরকার কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে এ দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অভিন্ন।
 
অর্থাৎ সরকারের ভয়, যুগের পর যুগ ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রত্যক্ষ সেনা মদদে অভিবাসিত বাঙালি সেটেলারদের দ্বারা পাহাড়ি জনপদে একের পর এক যে রোমহর্ষক গণহত্যা, গণধর্ষণ,অগ্নি সংযোগ, পাহাড় ও অরণ্যভূমি দখলের মহোৎসব চলছে, আদিবাসীর সংবিধানিক স্বীকৃতি হলে তাতে না আবার জাতিসংঘ বাগড়া দিয়ে বসে! [লিংক] তখন কে জানে হয়তো বিশ্ব শান্তি রক্ষায় সুনাম অর্জনকারী আমাদের দেশ প্রেমিক সেনা বাহিনীর পাহাড়ে শান্তিরক্ষার আসল রাক্ষুসে রূপটি না আবার বিশ্বব্যাপী হাতেনাতে ধরা পড়ে! সেক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘ হয়তো সরাসরি পাহাড়ে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠিয়ে সেখানে স্থায়ী ক্যাম্পও খুলে বসতে পারে।  
 
এ অবস্থায় 'আদিবাসী' প্রশ্নে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অনড় বিপরীত অবস্থানের নেপথ্যে যে বেয়নেটের খোঁচা রয়েছে, সে সন্দেহই সুদৃঢ় হয়। 
 
জয় হোক মুক্তচিন্তার,শুভ বুদ্ধির!
 
---
ছবি: বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সৌজন্যে। 
---
পড়ুন: সাংবিধানিক স্বীকৃতিতে আদিবাসীদের অবিশ্বাস, মিথুশিলাক মুরমু [লিংক]
12345
Total votes: 286

মন্তব্য

বিপ্লব রহমান-র ছবি

সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। চলুক। yes

আদিবাসী কওনে এত নজ্জা ক্যা, এইবার সিনডা পরিষ্কার হইল। আসলে কে হায় হিরদয় খুইড়া বেদনা জাগাইতে ভালো পায়?

বিপ্লব রহমান-র ছবি
যূথচারী-র ছবি

মেহেদী হাসানের বক্তব্য পুরোপুরি ঠিক নয়; জাতিসংঘ সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে জাতিসংঘ এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারে এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারে। আওয়ামী লীগের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অধিকার রক্ষা ছাড়াও আরো একটি বিষয় এর সাথে জড়িত। তা হলো আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ। একে তো আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া একটি সংগঠন, তার ওপরে এই বহু জাতীয়তার স্বীকৃতি তাদের সেই একক বাঙ্গালী জাতীয়তার ধারণাকে ভঙ্গুর করে তুলবে বলে আওয়ামী লীগের কনসেপ্টপ্রণেতারা মনে করে। কেননা আওয়ামী লীগে বাঙ্গালী ভিন্ন অন্য কোনো জাতীয়তাবাদের অবস্থানের সুযোগ নেই।


রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু, কেউ নেই শূন্যতা-
আকাশে তখন থমকে আছে মেঘ,
বেদনাবিধুর গীটারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখিদের সংবেদ!
বিপ্লব রহমান-র ছবি

জাতিসংঘ সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে জাতিসংঘ এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারে এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।

এতোটুকুই আওয়ামী ভীতির জন্য যথেষ্ট। এছাড়া সংবিধানে আদিবাসী অভিধা ব্যবহার করলে জাতিসংঘের সনদের পুরোপুরি বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতার প্রশ্নও এসে যায়-- যেমনটি মেহেদী হাসান তার প্রতিবেদনে বলেন, এ বিষয়টিও ভেবে দেখার অনুরোধ জানাই।

 

আওয়ামী লীগে বাঙ্গালী ভিন্ন অন্য কোনো জাতীয়তাবাদের অবস্থানের সুযোগ নেই।

একদম তাই। এ কারণেও তারা সরকারে গিয়ে আদিবাসী অভিধার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, অতীত আদিবাসী প্রেম বা ভোটপ্রীতির হীন কৌশলকে আমলে নেয়নি।

সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ। yes

দরকারী লেখা, এতোক্ষণে স্পষ্ট হলো। ধন্যবাদ।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

অনেক ধন্যবাদ। আগামীতেও সঙ্গে থাকার বিনীত অনুরোধ।  yes

শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

আদিবাসী ইস্যুতে সরকারের ভণ্ডামী আর বাটপারীর নমুনা তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ডাক্তার সাহেবার ছবি আর ডক্টর সাহেবার বানীর ছবি তুলে দেয়াটা একটা কাজের কাজ হয়েছে। এই সরকার মনে হয় না আর পিছিয়ে এসে আদিবাসীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। বিএনপি’রও একই অবস্থা। তবে আমাদের দেশের বৃহত্তর বাঙ্গালী জাতির মধ্যে আদিবাসীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাটা তুলে ধরা জরুরি। সাম্পদায়িকতা আর জাতিবিদ্বেষ থেকে যদি আমরা বেরিয়ে আসতে পারি তবে সেটাই সবচেয়ে সুন্দর সমাধান এনে দেবে।

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

বিপ্লব রহমান-র ছবি

এই সরকার মনে হয় না আর পিছিয়ে এসে আদিবাসীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। বিএনপি’রও একই অবস্থা। তবে আমাদের দেশের বৃহত্তর বাঙ্গালী জাতির মধ্যে আদিবাসীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাটা তুলে ধরা জরুরি।

 

এ ক ম ত।  এর সঙ্গে আরেকটু যোগ করে বলতে চাই, নিছক একক সংগ্রামে আদিবাসীর মুক্তি নাই; অ-আদিবাসীর যৌথ সংগ্রাম আন্দোলনের পথটিকে প্রসারিত করতে পারে। অনাগত সেই দিনের প্রতীক্ষা। আগামীতেও সঙ্গে থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ। চলুক।  yes

এ তো আর নতুন কিছু নয়। বঙ্গবন্ধু নিজেও তো একবার বলেছিলেন পাহাড়ীদের এই দেশে বাঙ্গালী হয়েই থাকতে হবে। ঐ বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই জীবন সায়াহ্নে বঙ্গবন্ধুর জনবিচ্ছিন্নতার একটা ভয়াবহ রূপ স্পষ্ট হয়। আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই আর গণমানুষের রাজনীতি করে না, তাদের কাছ থেকে এ ধরনের বালখিল্যতার বাইরে কিছু আশা করাই এক ধরনের বোকামি।

বিপ্লবদা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ী, আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরব। আপনাকে আবারও প্রাণখোলা শ্রদ্ধা জানাই।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

বঙ্গবন্ধু নিজেও তো একবার বলেছিলেন পাহাড়ীদের এই দেশে বাঙ্গালী হয়েই থাকতে হবে।

 

দেখা যাচ্ছে, এতোদিনেও আওয়ামী লীগ সেই ফান্ডা থেকে বের হতে পারে নাই। সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। yes

বিপ্লব রহমান-র ছবি

তন্দ্রাদি, তোমাকে এখানে দেখে খুবই ভালো লাগছে। আরো ভালো হয়, এই ব্লগে তুমি নিজেই যদি আদিবাসী ভাবনা নিয়ে লেখ।

চলমান আন্দোলন সফল হোক! yes

কিছুই বলার নেই। রাষ্ট্র যখন দুর্বৃত্তদের পক্ষ নেয়, তখন প্রতিবাদেই মনে হয় আর কাজ দেয় না।

বিপ্লব রহমান-র ছবি
শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

রাষ্ট্র যখন দুর্বৃত্তদের পক্ষ নেয় (কবেই বা নেয় না?), তখনই প্রতিবাদের সময়। আমি আপনি মাঠে নেই, আমাদের আদিবাসী বন্ধুদের সাথে নেই, তাই দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে টিকে আছে।

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

বিপ্লব রহমান-র ছবি
জুয়েল বিন জহির-র ছবি

উলগুলানের শেষ নেই...

 

 

...........................................................................................................

ফই সা...ফই গ্নি...ফই গিত্তাম...

বিপ্লব রহমান-র ছবি
বিপ্লব রহমান-র ছবি

আপাতদৃষ্টে তাই মনে হয় বটে; কিন্তু গুঢ়তম সত্যি এই যে, [সোহেইল জাফর যেমন বলেন] আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া একটি দল। উপরন্তু বহু জাতীয়তার স্বীকৃতি দান দলটির অন্যতম ক্যাপিটাল একক ‘বাঙালি জাতীয়তা’র ধারণাকে খানিকটা বিপাকে ফেলতে পারে। তাই শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের চেতনায় ‘বাঙালি’ বাদে অন্য জাতীয়তাবাদের স্থান নেই।

 
অনেক ধন্যবাদ। yes

 

 

 

 

বিপ্লব রহমান-র ছবি

 

আপডেট-১: আদিবাসী ছাত্রদের মানববন্ধন: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি [লিংক]
 
---
 
আপডেট-২: ইকোসককে চিঠি: জাতিসংঘের সুপারিশ অনুমোদনে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনের আহ্বান [লিংক]
বিপ্লব রহমান-র ছবি

আপডেট-৩: 

নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসছেন বান কি মুন

দুলাল আহমদ চৌধুরী: জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশ সফর করবেন। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন স্বচক্ষে দেখাই তার এ সফরের উদ্দেশ্য। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মহাসচিব বান কি মুন এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারের সময় নেওয়া মানবসম্পদসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।

এ সময় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে সাফল্যের অনেক বিষয়ই আলোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে মহিলাদের ক্ষমতায়ন অন্যতম। এ বিষয়টি বিশ্বের অন্যসব দেশে একটি মডেল হতে পারে। এজন্য তিনি বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী বলে জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশে আদিবাসী নিয়ে প্রশ্ন তুলেন মহাসচিব। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরাই দেশের সব চেয়ে বড় আদিবাসী। অন্য যারা উপজাতি হিসেবে আছে তারা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনেক পরে বাংলাদেশে এসেছে। এ হিসেবে আদিবাসী বললে আমরাই আসল আদিবাসী।

সেক্রেটারি জেনারেল এসময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে কৌতুকের সুরে বলেন, তাহলে তো আপনার স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মোমেন একজন আদিবাসী। জাতিসংঘে একজন আদিবাসী আছেন এটা কম কথা নয়। 

---

http://www.amadershomoy1.com/content/2011/09/25/news0708.htm — with Asif Saleh and 19 others.

মন্তব্য