slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ওরা জনগণের শক্তিকে ভয় পাচ্ছে, তাই ধরপাকড়, হামলা-মামলা

আধাজ্বর নিয়ে সকাল থেকে আমিও পল্টনে ছিলাম আজকের আধাবেলা হরতালে। চারদিকে যুদ্ধ যুদ্ধ সাজ আর হাসিনার পেটোয়া পুলিশ-র‌্যাব বাহিনির অকথ্য অপতৎপরতার মধ্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার আধাজ্বর পুরা হলো। ওই অবস্থাতেই ছবি তুললাম একের পর এক। হরতাল যখন শেষ হলো দেখলাম পুরো দেশের যন্ত্রণা আমার মাথায় চলে এসেছে। চোখে ঝাপসা দেখছি, কিন্তু এই ঝাপসা চোখেও দেখছি আশার আলো। মানুষ জেগেছে। দেশপ্রেমিক জেগেছে। জাতির বিবেক জেগে উঠছে। জেগে উঠছে সময়ের সাহসী সন্তানেরা!

প্রতিবাদী কণ্ঠকে রুদ্ধ করার জন্য, দমন করার জন্য হাসিনা লেলিয়ে দিয়েছিল তার কুকুর বাহিনি। কিন্তু আমার ভাই আর বোনেরা দমবার নয়, থামবার নয়, তারা ঠিকই রুখে দাঁড়িয়েছে কোমর বেঁধে। নির্বিচারে মার খেয়েছে, গ্রেপ্তার বরণ করেছে। তাদের কেউ এখন জেলে, কেউ এখন হাসপাতালে। কিন্তু আমি জানি, প্রাণে প্রাণ থাকতে ওদেরকে কেউ কিছুতেই দমিয়ে রাখতে পারবে না।

নিজের দেশ ও জাতির সঙ্গে পীরিতির নামে হাসিনার নির্লজ্জ প্রতারণা এই প্রথম ন্যাংটো হয়ে পড়লো। কারা তার আসল নাগর এই নগরীর, এই দেশের সর্বস্তরের মানুষ এবার তা বুঝে গেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সব মুখোশধারীরা নিজেই তার মুখোশ উন্মোচন করে, হাসিনাও তাই করলো।

একদিকে সংবিধানকে সঙ-বিধান বা শিশুদের আঁকা-ঝোকার ইচ্ছেখাতা বানিয়েছে হাসিনা। অন্যদিকে বিদেশি নাগরদের সঙ্গে পীরিতি করে দেশের খনিজ সম্পদ তুলে দেয়ার জাতিঘাতী চুক্তি করেছে। সবদিক থেকেই সে দেশের সর্বনাশ করেছে। একের পর এক বোকামি করার পর আবার ন্যাকামি করে বলছে, তারচেয়ে বেশি দেশপ্রেমিক আর কে আছে!

হ্যাঁ, রাজপথে জেগে ওঠা জনতা, ঘরে ঘরে তৈরি হওয়া টোকাইর দল, এবার বলে দেবে, দেশপ্রেমিক কাকে বলে, কত প্রকার ও কেমন কেমন!

আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে। দেশি পাকিস্তানিদের হঠিয়ে কাগুজে স্বাধীনতাকে কাজের স্বাধীনতায় বাস্তব করার কাজ শুরু হয়েছে। জাতির বিবেক, হে তরুণ, হে তরুণী, তুমি সত্য খুঁজে নাও। তুমি পথে নেমে এসো। রুখে দাঁড়াও ঘরের শত্রু বিভীষণকে। মনে রেখো, জীবন একটাই আর আমার-তোমার আঙুলেই অনাগত ইতিহাস!

12345
Total votes: 251

মন্তব্য

জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো....

পুনশ্চ: আমি ভাবছিলাম আপনেও ধরা পড়ছেন। যাইক, সন্ধ্যায় আইতাছি।

আজাদ-র ছবি

সাবাস! গতি থামাবেন না...

আওয়ামীলীগ নিজে জানে না যে এভাবে আন্দোলন থামানো যায় না?

এরা এতো তাড়াতাড়ি সব ভুলে যায় কী করে?

সুমন চৌধুরী-র ছবি
শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

যূথচারী-র ছবি

ওরা ভয় পেয়েছে, টোকাই ভুতের ভয়। আরেক হরতালে ভুতেরা শতগুণ শক্তিশালী হয়ে আসবে...


রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু, কেউ নেই শূন্যতা-
আকাশে তখন থমকে আছে মেঘ,
বেদনাবিধুর গীটারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখিদের সংবেদ!

আম্লিগের গদি কাপছে। ঠের পাচ্ছেন????

মন্তব্য