slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ইনভিজিবল একটি গোষ্ঠিকে আজ ভিজিবল দেখলাম

একটি অদৃশ্য তারুণ্যকে আজ ঢাকার রাস্তায় দৃশ্যমান দেখলাম।এরাহলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। এরা ভ্যাট দেবনা বলে শ্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু কেমন যেন খাপছাড়া। শ্লোগানগুলো জোরালো ছিলনা।  আন্দোলনের ভাষাও পাচ্ছিল না। কী শ্লোগান ওরা দেবে ভেবেও পাচ্ছিলনা। শ্লোগানে একজন লিড দেয় অন্যরা তার সুরে সুর মেলায়। কিন্তু দেখলাম একজন বললো অন্যরা চুপ। তখন এদের মধ্যে মুখ চাওয়া চাওয়ি। অবশেষে লিডের পরের অংশটুকু সবাই জানলেও শ্লোগান ছিল একবারেই মেরমেরে।
 রাস্তার আন্দোলনে যে গতী থাকে তাও ছিল না। তবু তাদের দেখে আনন্দ পাচ্ছিলাম। কারণ এই প্রজন্মটি ছিল একেবারেই অদৃশ্য একটি শক্তি। এদের জগৎ ছিল ইন্টারনেট, ফেসবুক এসব মাধ্যম। অদৃশ্য থেকে এরা যোগাযোগ করে। অদৃশ্য থাকে এদের তারুণ্য। এমনকি প্রেমও। এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার  শ্রেষ্ঠ সময়।  এদের কাছে ওয়েব সাইটে পড়া একটা কবিতা মাত্র। এরা নিজেদের তৈরি করছে শুধুমাত্র কর্পোরেট দুনিয়ার কর্মচারি হিসাবে। এদের স্বপ্ন শুধুমাত্র কর্পোরেট দুনিয়ার একটি চাকরি। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়েছে। মাদ্রাসা ছাত্র ও এদের মধ্যে পার্থক্য শুধুমাত্র অর্থের। মাদ্রাসার একজন ছাত্রকে যেমনভাবে শুধুমাত্র ধর্মিয় কাজের জন্য শিক্ষিত করা হয়। এদের করা হয় কর্পোরেটের কাজের জন্য। এদের সঙ্গি প্রযুক্তি। আর মাদ্রাসার ছাত্রের সঙ্গি পরলোক। দুটি গ্রুপই অদৃশ্য থাকে। প্রথমবারের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রত্যক্ষ্য করলাম। একটি আর্থিক আন্দোলনের মাধ্যমে। আশা রাখি এই আর্থিক আন্দোলন একদিন অন্য আন্দোলনেও যেতে পারে। কারণ রাস্তায় যৌবন একবার গড়াগড়ি দিলে তা গড়াতেই ভালবাসে।

 

12345
Total votes: 323

মন্তব্য