slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

বিবর্ণ ব্লগ

অনেক দিন লেখা হয় না। আমাদের ভালবাসার উন্মোচনের সেই প্রাণোচ্ছল দিন আর নেই। আমারও। এরমধ্যে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ঝড়ঝঞ্জা বয়ে গেছে। সম্পর্ক-বিশ্বাস নাড়া খেয়েছে। বয়ে গেছে সুবাতাসও। অভিঘাতগুলো সামলে চলার কোন বিকল্প নেই। তাই ফিরে আসা। বলা ভাল, ফেরার চেষ্টা।

পশ্চিমবঙ্গের মালদা থেকে প্রকাশিত ‘ভিটেমাটি’ পত্রিকায় একটি কবিতা পড়েছিলাম আমাদের কাব্যথরথর তারুণ্যে। বছর কুড়ি আগে। “চাঁদেও থাকে না চাঁদ আমাদের জানালায় যেরকম থাকে/আকাশে হয় না ভোর এইখানে যেরকম হয়/তাই ফিরে আসা” (ফেরা, গৌরাঙ্গ ভৌমিক)। “জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার, তখন হঠাৎ যদি” ফিরতে চাই, কোথায় ফিরব? আমাদের তো নিজস্ব কোন জানালা নেই। আমাদের আকাশ হারিয়ে গেছে অকূল পাথারে।

নগরের কংক্রিট ধরে ঝুলতে থাকা উন্মূল মানুষেরা তো পথরেখা মুছতে মুছতে এতদূর এসেছি! আমাদের আবাস আছে, আশ্রয় নেই। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করি, কিন্তু কোথাও থাকি না। তারপরও ফেরার চেষ্টা। অন্তত নিজের কাছে।

12345
Total votes: 566

মন্তব্য

আমরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করি, কিন্তু কোথাও থাকি না। 

চমৎকার বলেছেন।

তবে আমি থাকি। আমার শৈশবের গ্রামে। ভোরের ঘুমঘুম ঘাসে। গাছের ফাঁক গলে ছুটে আসা সূর্যালোকের সকালে। নির্জন রাস্তায় কিংবা হা হা করা দুপুরে ঘুঘুর বুক-মোচড় ডাকে। আমি এখানকার তস্য গলিতে কিংবা রাজপথে হাঁটার অভিনয় করি মাত্র। আদতে হাঁটি সাদা মাটির আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে, দুই পাশে যার ঘাস আর নানা বুনো লতা-গুল্ম মলাটের মত মুড়ে রেখেছে। আমি বাঁচি বাতাসে তাল পাতার ঝনঝন শব্দে, দুলতে থাকা বাবুইয়ের বাসায় অথবা ঝোঁপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ডাহুক-শিশুর ডাকে...

শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

কী অসাধারণ বলেছেন, শাশ্বত। নস্টালজিয়ার কুয়াশা ছড়িয়ে দিলেন। আমি যেন এক মুহূর্তে আমার শৈশবের গ্রাম ফিরে পেলাম।

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

 ফিরে এসো এই বন্দরে


উন্মোচনের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা বহুদিনের। নতুন করে ঝালিয়ে নেবো বলে নিবন্ধন করলাম।

মন্তব্য