slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

রবীন্দ্রনাথ পরবর্তি বাংলা শব্দ শক্তি থাকলেও ভদ্রভাষার মর্যাদা পেলোনা চুদা ও অন্যান্য শব্দ(১)

 কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। কবিকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করবেন। অনেকেই লিখবেন। রবীন্দ্রনাথ আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে বাংলা ভাষা। কারণ তিনিই বাংলাকে একটি ভাষা হিসাবে রূপ দিয়েছিলেন। তার  জন্ম দিনে এটা আমার একটা অনুভুতি। 

আসলে আমি বাংলাদেশের বাংলাভাষা নিয়ে লিখতে চাইছি। বাঙলা একাডেমীর বাংলা ডিকশনারি দেখার পর আমার মনে হয়েছে রবীন্দ্রনাথের পর বাংলাভাষা আর এগোয়নি। ডিকশেনারিতে সেই পরিচিত শব্দ।  রবীন্দ্রনাথ ও পরবর্তি আর কয়েকজন সাহিত্যিকের  শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ ডিকশেনারিতে নেই। কখনো যুক্ত হচ্ছে না। যেমন একটা উদাহরণ দেই ডিকশেনারিতে মেয়ে বা  ছেলে শব্দটি  যেমন আগে ছিল এখনো তেমনি আছে। অথচ দেশের সব অঞ্চলেই এ দুটি শব্দের নানা শব্দ জনগণ সৃষ্টি করছ্ েযেমন ময়মনসিংহ অঞ্চলে পোলা বা মাইয়া এ দুটি শব্দ ডিকশেনারির দুটি শব্দের প্রতিরুপ। এদুটি শব্দকে ডিকশেনারিতে নিয়ে নিলেই এগুলো শুদ্ধ শব্দ হয়ে যায়। ভাষাও সমৃদ্ধ হয় শব্দ সম্ভারে। কিছু দিন আগে ২২ শে শ্রাবন নামের একটি সিনেমা দেখেছি। সেখানে নায়ক নায়িকাকে বলেছে এতো ইংরেজি চুদিও নাতো। আবার প্রলয় নামের আরো একটি ছবিতে দেখলাম একজন পুলিশ অফিসার মন্ত্রীকে বলছে বাল ছিড়বেন। এখন এ দুটি শব্দ যেমন চুদা ও বাল। ভদ্রলোকেরা বলবেন এটি কোন ভদ্র ভাষা হলো। আমি বলি ডিকশেনারিতে নিয়ে নিন তাহলেই ভদ্র হয়ে যাবে। বাংলায় চুদার শুদ্ধরূপ হলো সঙ্গম বা যৌন মিলন। অথচ এ্ দুটি শব্দের চেয়ে অনেক বেশি গতিশীল শব্দ হলো চুদ্।া রবীন্দ্রনাথ যেমন সাহস করে বলেছেন, ডাকতে ছিল শ্যামল দুটি গাই। এর শুদ্ধরূপ ছিল গাভী। রবীন্দ্রনাথ যেহেতু ভাষা তৈরী করেছিলেন সেজন্য গাই ডিকশেনারিতে স্থান পেয়েছে। বর্তমানে ইংরেজি ডিকশেনারিতে ৪০ কোটি শব্দ রয়েছে। সেখানে বাংলায় এক কোটিও নেই। বাংলা ভাষার সাহিত্যও আর শব্দ নিচ্ছে না। সেই আগের  ডিকশেনারির ভাষাতেই রয়েছে। মাঝে মাঝে দুই একজন সাহিত্যিককে দেখেছি কিছু শব্দ ব্যবহার করেছেন।  যেমন আকতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াব নামার একটি শব্দ শীতে হাফপ্যান্ট পড়া পুলিশের বিচি ছোট হয়ে গেছে। ( চলবে )        
 
12345
Total votes: 496

মন্তব্য

আজাদ-র ছবি

দারুন বলেছেন। তবে আঞ্চলিক ভাষার অভিধানে বোধহয় আপনি এই শব্দগুলো পাবেন।
বাংলা একাডেমির অভিধানে প্রচলিত অনেক প্রাকৃত শব্দের পাশাপাশি অনেক তৎসম অর্ধতৎসম শব্দও বাদ পড়েছে। হয়তো পরিকল্পিতভাবেই বাদ দেয়া হয়েছে। যেভাবে রাখা হয়েছে অনেক অপ্রচলিত আরবী-ফার্সি ও বিদেশী শব্দ। এবং বাংলা একাডেমীর অভিধানটি মোটেই সমৃদ্ধ নয়।

মন্তব্য