slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ধুশশালা! মজাটাই নষ্ট হয়ে গেল!

গভীর রাত। সালেহার হাত ধরে টেনে ঝোপের দিকে নিয়ে যেতে লাগলো মন্তাজ মিয়া। সালেহা ফিসফিসিয়ে বললো,
“আরে! কেও দেইখা ফালাইবো তো!”
মন্তাজ মিয়া একটু শব্দ করেই বলে উঠলো,
“দেখলে দেখুক! যা হওনের তাই হইবো!”
মন্তাজ সালেহাকে টেনে নিয়ে যায় ঝোপের একেবারে মধ্যিখানে। অবিবাহিত একজোড়া যুবক-যুবতীর মন চাঁদের আলোতে রঙিন হওয়ার আশায় কুটকুট করতে থাকে। সালেহা ফিসফিসিয়ে বলে,
“যা করার তারাতারি করো! কেও দেইখা ফালাইলে সর্বনাশ!”
মন্তাজ মিয়ার চোখ এইবার চকচক করে ওঠে। তারপর, হাতের মুঠো খুলে দেয়। হাতের মুঠো থেকে বের হয়ে আসে চল্লিশ-পঞ্চাশটা

­ জোনাকী। জোনাকীদের আলো আর চাঁদের আলো মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। ঝোপের মধ্যিখানটা, কিছুক্ষণের জন্য হলেও প্রেমপুরীতে রূপ নেয়। সালেহা এতগুলো জোনাকী একসাথে দেখে মুখটা হা করে থাকে শুধু। মন্তাজ এভাবেই সালেহাকে অবাক করে যায় প্রতিনিয়ত। এভাবেই ভালোবেসে যায়। গুটি পঞ্চাশেক জোনাকী দেখানোর জন্য, গভীর রাতে ঝোপের মধ্যে নিয়ে আসে। আর সালেহা মন্তাজের এই পাগলামী মার্কা ভালোবাসা দেখে, আরও গভীর ভাবে প্রেমে পড়ে যায়।
ওদিকে আকাশের চাঁদটাও যেন আমাদের মতো করে বলে ওঠে,
“ধুশশালা! মজাটাই নষ্ট হয়ে গেল!”
লেখার ধরন: 
12345
Total votes: 506

মন্তব্য