slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ব্লগ

বসন্ত গোধুলীর সঙ্গীত

পেছনে একটা শব্দ হচ্ছে। মনে হল কেউ আমার পেঁছনে। আমার পিঠের কাছে। ঘুরে দাঁড়ালাম। পেছনে একটা ছোট্ট বুনোঝোপ ছাড়া আর কিছু দেখা গেলো না। ঝোপটা সুন্দর। কিছু কাটাগুল্মকে গর্ভাশয়ের মতো জড়িয়ে ধরে বেড়ে উঠেছে কিছু লতা। বাইরেটা সবুজ ভেতরটা সবুজের ছায়ায় অন্ধকার, প্রগাঢ় সবুজের মতো। অন্ধকারের রং কালো নয়, মানুষ হাজার বছর ধরে ভুল জেনে এসেছে। অন্ধকারের রঙ প্রগাঢ় সবুজ। ঝোপের গর্ভে সেই রঙ আমার চোখের সামনে স্পষ্টরূপে ফুটে আছে। সেই সবুজে আমি শব্দের উত্স অনুসন্ধান করছিলাম। আবার শব্দটা হল। ঠিক পেছনে। মানে উল্টো দিকে। আমার ঘাড়ের কাছে। অদ্ভুদ, অন্যরকম শব্দ। হিসসস নয়। শিস নয়। অনেকটা শিসের

নির্যাতিত সংখ্যালঘু বাউল সম্প্রদায়!

আমার মতে বাউল সম্প্রদায় একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। তাই তারাও নিয়মিত শিকার হচ্ছে মৌলবাদী আক্রমণের। যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ বা খৃষ্টানরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু? অনেক পার্থক্য সত্ত্বেও বাউলরাও তেমনই একটি সম্প্রদায়!

ডিএনএ কী? দ্বিতীয় পর্ব।গঠন

ডিএনএ কী?

কোথাও গনতন্ত্র নেই আজ

রক্তে লেখা ১৪ ফেব্রুয়ারি : পলাশ-শিমুলের লাল-দ্রোহে সাজা বাংলা-বসন্ত কোথায়?

বসন্ত এসে দোল দেয়। তারুণ্য দোলে। বসন্ত জাগায়। তারুণ্য জাগে। স্বয়ং ইতিহাস স্বাক্ষী। ইতিহাস ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২। তারুণ্য ফাগুনের গায়ে আগুন মেখে রক্তে লিখেছিল 'ভাষা দিবস'। ইতিহাস ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩। এবার 'স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস'। 'ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ'। রাজপথ। বাংলাদেশ। বিশ্ববেহায়া এরশাদের জলপাইরঙ উর্দি। ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে আর্মি। বেয়নেট-মেশিন গান-মর্টার-বুলেট। চলন্ত প্রাণ হঠাৎ নিথর! তারুণ্য মানে যেন বহু বসন্ত-বিপ্লব। এক ফাগুনে সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার, আরেক ফাগুনে জাফর-জয়নাল-দিপালী-কাঞ্চন!

দিনটি হোক বীথির জন্য !

প্রিয় বীথি,

তোমার পুরো নামটা আমি ভুলে গেছি। আরও ভুলে গেছি তোমার চেহারা, শুধু মনে আছে তোমার বয় কাট চুলের কথা আর লাল রঙয়ের একটা জেট প্লেন। তোমার কথাও যে খুব একটা মনে আছে তা না, শুধু মনে আছে তুমি একটা শান্ত এবং নীরব মেয়ে। পঞ্চম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষার শেষ দিনে তোমার সাথে গোল্লাছুট খেলা, আরেকটা স্মৃতি যা এখনো ভুলি নি। তোমাকে এই চিঠি লেখার কথা ছিল ২০০১ সালে কিন্তু তখন সাহস পাইনি, আজ কেন যেন অনেক করে তোমার কথা মনে হতে থাকায় এই চিঠি লিখতে বসলাম।

নদীর প্রলাপ

ভাবতেছিলাম নদী নিয়ে একটা কবিতা লিখব। অনেক কবিই নদী নিয়ে কবিতা লিখেছেন হয়তোবা। আমি কবি নই তবু ইচ্ছা বলে কথা। জীবনানন্দ লিখেছেন, ‘ধানসিঁড়ি নদীর কিনারে একদিন শুয়ে রব পৌষের রাতে. . .’। এই কবিতা কি নদী নিয়ে লেখা? নদী এই পৃথিবীর আরেক বিস্ময়। ছোট্ট তীলাই নদী খিয়ার মাটি খুড়ে নৃত্য ভঙ্গিতে দক্ষিন দিকে নেমে যায় প্রান্তর ফাঁকি দিয়ে। আর তার ছোট্ট শরীরে বিশাল আকাশের ছবি ভেসে ওঠে। আকাশ কত বিশাল! যাকে প্রায় আড়াল নেয়া যায় না। তবু আকাশ দেখলে উড়তে ইচ্ছা করে না। কিন্তু নদী দেখলেই নামতে ইচ্ছা করে। এই কি নদীর মায়া? মায়া কি নদীর শক্তি?

মন্টু মিয়া মাল খোঁজে, হুইপ খোঁজে ক্যাশ!

মন্টু মিয়া ধোলাই খালের একজন পুরোনো লোহা ব্যবসায়ী। পুরোনো লোহার ব্যবসা করে বেশ টাকা জমিয়েছেন তিনি। তাই তার বন্ধুবান্ধব এমনকি আত্মীয়-স্বজনরাও উপদেশ-পরামর্শ দিলো শেয়ার ব্যবসা করার জন্য। তারা মন্টু মিয়াকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করলো, পুরোনো লোহায় আর কয় টাকা ব্যবসা! এখন সব ব্যবসা তো ওই শেয়ার মার্কেটেই।

গ্রন্থ পর্যালোচনা “শ্রাবন দিনের কাব্য”


–মোঃ শামসুল হক শামস
[বাংলাদেশ বেতারের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান "উত্তরণ" এ একাধিকবার পঠিত]

একুশের বই মেলায় আগামী প্রকাশনী,বাংলা বাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত কবি শফিকুল ইসলাম এর কাব্য গ্রন্থ “শ্রাবন দিনের কাব্য” । এই গ্রন্থে প্রায় ৫০টির (পঞ্চাশ) মত কবিতা স্থান পেয়েছে । গ্রন্থের প্রচছদ পরিকল্পনায় শিবু কুমার শীল। কবিতাগুলো মনের গভীরে প্রোথিত অনুভূতিকে উদ্বেলিত করার মত গদ্য -রীতিতে রচিত ।

শুভ জন্ম দিন গণজাগরণমঞ্চ

আজ গণজাগরণ মঞ্চের ১ বছর পূর্তি। ঘটনাবহুল এই এক বছরে গণজাগরণমঞ্চ যেমন অসংখ্য ঘটনার শিকার হয়েছে তেমনি জন্মও দিয়েছে অসংখ্য ঘটনার। গণজাগরণমঞ্চের আন্দোলনের ঢেউ যেমন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে দুনিয়াব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তেমনি দেশের জেলায় জেলায় আর বিদেশের বাঙালী অধ্যূসিত অঞ্চলেও সূচনা করেছে আন্দোলন। এই গণজাগরণমঞ্চই বাঙালী নতুন প্রজন্মকে অন্তত নাড়া দিতে পেরেছে, জাগিয়ে তুলতে পেরেছে তাদের ভিতরকার প্রতিবাদী বাঙালীত্বকে।

একটি 'নিষিদ্ধ' নজর!

শহীদ ড. শামসুজ্জোহার মহাআত্মত্যাগের গল্প রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভুলে গেছে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের মহাপ্রতাপশালী আইনরক্ষকদের সামনে তিনিই তো তাঁর সমুদ্রসম বুক প্রশস্ত করে বলেছিলেন- 'আমার ছাত্রদেরকে গুলি করার আগে আমাকে গুলি কর।' ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. জোহার এই অমর উচ্চারণ তাঁকেও অমর করেছে। তিনিই তো স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের প্রথম বুদ্ধিজীবী যাঁর বুক শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে চাওয়ার অপরাধে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল আইযূব খানের জলপাই রঙ বুলেট!

Pages