slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

মাহফুজ জুয়েল-এর ব্লগ

অনেক দিন হাসি না, হাসিনা হাসালো!

ঠাট্টা নয়, জরুরি ভিত্তিতে মন মন্ত্রণালয় চাই

আমি তুমি এবং আমরা অনেকে--প্রায় সবাই এখন জানি

অনেক সত্য; শুধু পৃথিবী নয়, কে কার পেছনে এবং কেন ঘুরে!

জানি রাজনীতি-ধর্মের গুঢ়তত্ত্ব, সৃষ্টিরহস্য, কে স্রষ্টা আর কী তাঁর বাণী!

 

অথচ এখনো মনে আর বনে পার্থক্য নেই; আকাশজুড়ে শুধু শয়তানের উড়োজাহাজ

অথচ এখনো গুঁটিবসন্তের মতো প্রকাণ্ড বিষফোঁড়া উঁকি দিচ্ছে সভ্যতার শরীর ফুঁড়ে

অথচ এখনো পেলো না মানুষ মানুষের ভাষা, আচরণ এবং কাজ!

 

আমি তুমি এবং আমরা অনেকেইএখন জানি—পৃথিবীর ক্ষমতার হস্তরেখা

ক্ষমতাধরের মনস্তত্ত্বপঞ্জিকা, এবং নক্ষত্ররা কে কার কাছে অথবা দূরে!

আদিবাসী অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের গান

হিন্দি গীতিকার:  মেঘনাদ

কণ্ঠ: মধু মনসুরি হাসমুখ 

সহশিল্পী:  সুনীল ও বিনোদ কুমার

অনুবাদ : মাহফুজ জুয়েল

আইনের ফাঁক

‘আইনের ফাঁকই সবচেয়ে বড় ফাক- এফ ইউ সি কে- ফাক। আর ওই সঙ্গম যদি দেখে ফেলে কোনো কবি অথবা কাক মানুষ আর আল্লাহর দুনিয়া তখন পুড়িয়া খাক খাক!’ এই কথা শোনার পর সজ্জন বলেন, ‘থাক, বন্ধ থাক- আপনার এই আত্মঘাতী রণবাদ্যের ঢাক। লুটেপুটে খাচ্ছে যারা, তারা ইচ্ছামতো খাক। আপনি কবি-মানুষ, কেন গলাচ্ছেন নাক? আইনের মধ্যে ফাইন কিছু ব্যাপারওতো আছে তন্ত্র-মন্ত্র ষড়যন্ত্র এসব শুনতেন কার কাছে? বলেই চলেই গেলো, একটুও বসলো না, পাছে আবার আমি স্ল্যাং ইউজ করি। তাঁর কাছে এখনো আইন পবিত্র, তাই প্রত্যাশাও আছে! ১৯ অক্টোবর, ২০০৯-১০-১৯

‌ডরাইলে ডর, বইরা দিলে কিয়ের ডর'

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি-রায়পুরের পরের স্টেশনটির নাম ইলিয়টগঞ্জ। লোকে বলে আইল্লারগুনজ; আইল্লারগুনজ বাজার। বাজার হিসেবেই কুমিল্লাবাসী চেনে একে। নৌপথের রমরমা অবস্থার যুগে আইল্লারগুনজেরও রমরমা অবস্থা গেছে। তখন একে ছোটোখাটো নৌবন্দর বলে মনে হতো। সারি সারি ছোট বড় যাত্রী ও মালবাহী নৌযান বাঁধা থাকতো বাজারের চারপাশে। কুমিল্লার বিভিন্ন প্রত্যন্ত প্রান্ত থেকে মানুষ আসতো বেচা-কেনা করতে। আসতো চাঁদপুর, নোয়াখালী-ফেনি, বরিশাল-ভোলা থেকেও। কেন আসতো কেন প্রসিদ্ধ ছিল আমি আর ওসবের দিকে যাবো না। কারণ, আমার এই গল্প আইল্লারগুনজ বাজার নিয়ে নয়, বাজারের একজন পাগল নিয়ে।

ঠিক তোমার মতো একইরকম হয়েছিলো আমার দশা!

আরশিনগরের পড়শির প্রেমে পড়ে চণ্ডিদাসের বড়শি হাতে বেরিয়ে পড়েছিলাম সুদূর শৈশবে। বড়শির সঙ্গেই সঙ্গিনী পেয়েছিলাম রজকিনীকে; নিইনি; ফেলে দিয়েছিলাম মনোজঞ্জাল ভেবে! দৈবে জেনেছিলামঃ ‘জলে কিংবা স্থলে নয়,মানসী  তোমার অন্তরীক্ষে হবে! সময় হলে অন্তরেই দেখা দেবে!’

সেই থেকে আমারও তোমার মতো খাওয়ার সময় খাওয়া হয়নি; পড়ার সময় পড়া। তবে খেলার সময় খেলা হয়েছে!  ঘুমোনোর সময় ভূতুড়ে গল্প আর ঘুমপাড়ানি ছড়া! আর উড়নচণ্ডি মনের হাতে নিজেই আমি পরিয়েছিলাম অদ্‌ভুত হাতকড়া!

ঘোলা আয়না

ক. যখন আর কোনো কথা নেই তখন তোমার কথাই না হয় বলি। তুমি তখন তোমার মতো; আর ভীষণ করুণ ছিলো শুধু আমার মুহূর্তগুলি; আমার তখন অসংখ্য শূন্যের ভিড়ে দৃষ্টিজুড়ে দুর্বোধ্য শূন্যতার দুর্যোগপ্রায় বৃষ্টি! আমি তখন আরণ্যক মানুষের হৃৎপিণ্ডের পিণ্ড খুড়ে খুঁজি মানুষের হৃদয়, কৃষ্টি। আমি তখন পৃথিবীর যে কোনো নারীর কাছে আত্মসমর্পণে আকুল-আকাঙ্ক্ষী! তীব্র-মধুর বেদনা-বিধুর গানের বাণী বয়ে চলা মানুষ-ময়ূরপঙ্ক্ষী!

ফাঁপা ফানুস

ক.

সঙ্গী আমার জ্যান্তফসিল কুয়োব্যাঙ ইট-কংক্রিট ফাঁপা ফানুস
আমারই মতো আত্মমূর্খ পথজ্যোতিষী সব বেকুব বেহুঁশ মানুষ;
যারা নিজেই নিজেকে আমৃত্যু মেরে রাখে, করে রাখে আত্ম-কানা!

খ.

মহাকালের মহাভাবনার মহাসাগরে ঈশ্বরের মতো মহা একা আমি!
তুমি ওসব কিছু বুঝো না, কী যে সস্তা, আর কী যে ভীষণ দামি!
কাছে থেকেও তুমি ভাবো এসব আসলে তোমাকে ভুলে থাকার বাহানা!

বৃত্তবন্দি অসংলগ্ন ভাবনাসমূহ

একইরকম ভাবনা ভাবতে ভাবতে কাটাই একইরকম দিন
একইরকম রাত কাটিয়ে প্রতিদিন বাজাই একইরকম বীণ
দিনের পর দিন; জীবনের পর জীবন। মহাসময় ধরে-

যেনো একইরকম সিন! এরইমধ্যে কখনো ভালো কখনো
খারাপ থাকে তোমার আমার পৃথিবীর মন।  এবং তখনো
মেঘ ও খিল খিল রোদে মনের মানুষের কথা মনে পড়ে!

আমি তুমি আমরা সবাই দিন কাটাই নিজেকে কেটে কেটে
ভদ্দমানুষের ছদ্মবেশে জীবন কাটাই পচা-বাসি ঘেটে চেটে
আর ভীষণ ঘুমিয়ে থাকি আমরা সবাই জেগে থাকার নামে!

ছবির দাবি!

লেখার জন্যই উন্মোচন, ভাইজান, এ সত্য আমি চন্দ্র-সূর্যের মতো মানি;কিন্তু দেখার জন্যও কী উন্মোচন হতে পারে না? আমার তো এরকম ভাবতে ভালো লাগে, উন্মোচন হবে লেখায়, উন্মোচন হবে দেখায়, উন্মোচন হবে শোনায়।
এখন যেমন মনানন্দে লিখতে পারছি, ঠিক এমনভাবেই যদি কিছু দেখাতে চাই, কিছু শোনাতে চাই-তাহলে আপনারা, মানে যারা ব্লগের মা-বাপ, নেপথ্যের কারিগর; তারা কি খুব বিপদে পড়ে যাবেন?
আপাতত আমাকে-আমাদের শুধু ছবি আপলোড করার...যার যার অ্যালবাম তৈরি করার সুযোগ করে দিন না প্লিজ!
ফটোফিচার ধরনের লেখার জন্য এ সুযোগ অনেক কাজে লাগবে কাজে আসবে কাজে হাসবে হয়তো কাজে ভাসবেও! কী বুঝাইতে পারলাম আমার দাবি?

আসুন, আমরা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি-- বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী:

 প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আসুন, আমরা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি।  বিদেশি সাংস্কৃতিক পণ্য পরিহার করে দেশীয় সাংস্কৃতিক ধারা প্রাণবান করি। আমরা উপলব্ধি করি চরম সত্যটি, রাষ্ট্রের যেহেতু ঝোঁক হচ্ছে নাগরিকদের চাওয়া-পাওয়াকে উপেক্ষা করা, সেহেতু আমরা গ্রামসমাজকে শক্তিশালী করি। কৃষিব্যবস্থা ও তার পাশাপাশি চাহিদামতো কুটিরশিল্প গড়ে তুলি। আধুনিক অতিপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তির জন্য বিদেশিদের দ্বারস্থ হওয়ার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনার পথ অধ্যাপক কামরুল আলম দেখিয়েছেন। আশা করা যায়, আরও অনেক

আমি শিগগিরই ‌উন্মোচন' করবো

যেহেতু আমি একসঙ্গে হেঁটেছিলাম বহুদূর; যেহেতু আমি বসেছিলাম বহুক্ষণ; যেহেতু আমি শুনেছিলাম বহু মানুষের বহু গল্প, হাসি, এবং খেয়েছিলাম বহু কাপ চা, বহু শলাকা বিড়ি এবং অন্ধকারেও দেখেছিলাম বহু চেনা-অচেনা বিশ্বাসী মুখ; সেহেতু আমাকে কিছু না কিছু লিখতেই হবে। আমি বহুদিন ধরে, ঠিক বহুদিন নয়, বহু বছর ধরে বহু কিছু নিয়ে লিখবো লিখবো ভাবছি। এতে বহু ভাবনা হয়েছে, কিন্তু বহু লেখা হয়নি।

উন্মোচন উন্মোচিত করুক সময়ের মুখোশ

উন্মোচন এক ঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল ভাবুকের ভাবনা-প্রয়াস দূরদর্শী আন্তরিক উদ্যোগ। আমাদের এই সময়, এই বিষাক্ত বর্তমান, যাকে আমার ভীষণ ভয়ংকর মুখোশধারী মানুষের মতো মনে হয়--আমি চাই উন্মোচনের সহযাত্রীরা তাদের

Pages