slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

মেহেদী হাসান-এর ব্লগ

শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যের আরেকটি রূপ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ত্ত্বধীন , একটি কলেজের নাম হচ্ছে ; গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ । এই কলেজটির নামের সাথে মহিলা শব্দটি যুক্ত না থাকলেও , এই কলেজে শুধুমাত্র মেয়েরাই অধ্যয়ন করার সুযোগ পায় ।

স্বাভাবিক বোধ থেকে প্রশ্ন জাগে , গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ক জ্ঞান কি শুধু মেয়েদেরই জানার দরকার ; ছেলেদের বোঝার দরকার নেই ? আচ্ছা ধরেই নিলাম, গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে মেয়েদের একচেটিয়া অধিকার ; সেখানে ছেলেদের কোন ধরনের প্রবেশাধিকার নেই । কিন্তু এটা ধরে নিলে , স্বাভাবিক ভাবেই যে প্রশ্নটি চলে আসে , সেটি হলঃ সাধারণ অর্থনীতি বিষয়ক যে জ্ঞান তাতে মেয়েদের প্রবেশাধিকার থাকবে কি না ?

অনন্য পুলক লাভ

হুজুরাতংক

নিসঙ্গতা বনাম সিগারেটের শেষ অংশ

নেড়ী পুলিশ বনাম নেকড়ে (RAB)

বেয়াদবী: একটি আলেখ্য

আলো একটি দীপ শিখা

সূযের্র প্রখর আলো নয়,চাদের নরম আলো নয়, তারার মিটমিটে আলো নয়, বৈদুতিক বাতির স্থির আলো নয়,কুপির কাপা আলো নয় । এ আলো শিক্ষার আভা , জ্ঞানের জ্যোতি। এ আলো জাগতিক অন্ধকারকে দূর করেনা ঠিকই কিন্তু সরিয়ে দিতে পারে মনের তমসা,হৃদয়ের কুপমন্ডুকতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোরামীকে। আমাদের সমাজের অধিকাংশ মানুষ এ আলোর স্বর্গীয় আভা থেকে বঞ্চিত। বিবেচনা করে দেখা যায়, এ বঞ্চনাই তাদের সকল নিগ্রহের মূল কারন। এ আলোয় অবগাহন করে জ্যোতির্ময় না হতে পারলে তাদের মনুষ্যতের হানি কোনদিন ঘুচবে বলে আমার মনে হয়না। ছোট একটি দীপ শিখা জ্বালিয়ে, শিক্ষার আলোকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে একটি অজপাড়া গায়ের কয়েকজন উদ্

শুভ কাজ অশুভ পরনতি

আমাদের সমাজে লোকজন যখন বিয়ে শব্দটি উচ্চারণ করে তখন তিনটি শব্দ পাশাপাশি উচ্চারণ করে। এই শব্দ গুলোহচ্ছে জন্ম,মৃত্যু ও বিয়ে।এবং এই বিয়ে শব্দটি যখন একক ভাবে উচ্চারিত হয় তখন এর পূর্বে শুভ বিশেষণটি সব সময় লাগানো থাকে।কাজ হিসেবে এটিকে সবসময় শুভ মনে করা হয়।যখন কারও মুখ থেকে শুনতে পাই শুভ কাজ তখন মনে করতে হবে বিয়ের কথা বলা হচ্ছে।তারমানে আমাদের সমাজে এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র কাজ মনে করা হয়।মানব সমাজে সাধারণত দুই ধরণের বিবাহ প্রচলিত আছে।এক;আরোপিত বিয়ে দুই; প্রেমের বিয়ে।বাংলাদেশের অধিকাংশ বিয়েই হল আরোপিত বিয়ে ,শুধুমাত্র শহর অঞ্চলে দুই একটি প্রেমের বিয়ে হতে দেখা যায়।আরোপিত বিয

আমরা সবাই কি দূর্নীতিগ্রস্ত নই?

একদিনের ঘটনা বলি, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গিয়েছি সার্টিফিকেটগুলোকে সত্যায়িত করানোর জন্য। তো আমাকে প্রথমেই লাইনে দাড়াতে হয়েছে ব্যাংক ড্রাফট করানোর জন্য । ব্যাংক ড্রাফট করতে খুব একটা বেশী সময় লাগার কথা নয় কিন্তু লাইনটি খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছিল। এরকম সময়ে লাইনে দাড়ানো লোকজনের অনুভূতি কেমন বিরক্তিকর হয় তা কেবল ভূক্ত ভোগীরাই ভাল বলতে পারবে। আমার মনে হচ্ছিল এ লাইনটি যেন শেষ হবার নয়। অনন্তকাল যেন আমাকে এই লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হবে। আমার সহ্যক্ষমতা যখন আস্তে আস্তে সীমার বাইরে চলে যাচ্ছিল তখন আমি আমার পেছনের ভদ্র লোকটিকে আমার জায়গাটা সংরক্ষিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে লাইনের বাইরে চলে এলাম । কি কারনে ল

ফেসবুক একটি সাধারন আলোচনা

বাংলাদেশে সর্বাধিক প্রচলিত সামাজিক যোগাযগের ওয়েবসাইটটির নাম ফেসবুক।এই ফেসবুক ব্যবহারে মানুষের আসক্তি চরমে পৌছুচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা যে কাজ গুলো করতে পারি সেগুলো হল একই সময়ে অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ডসদের সাথে চ্যাট করা যায়,স্ট্যাটাস লিখে যেকোন সময়ে আমাদের সুখ,দুঃখ, হাসি, কান্না,আশা ,হতাশা,ভাকবাসা,চিন্তা,ভাবনা ,হৃদয় বেদনা,কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনা সমন্ধে আমাদের মতামত প্রকাশ করতে পারি,বন্ধুদের স্ট্যাটাসে মন্তব্য লিখতে পারি,যেকোন বিষয়ে লাইক দিয়ে একমত ও আনলাইক দিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করতে পারি । নিজের ও বন্ধু ,বান্ধবদের যে ছবি গুলো ভালো লাগে সেগুলোকে নিজের

ফেসবুক একটি সাধারন আলোচনা

বাংলাদেশে সর্বাধিক প্রচলিত সামাজিক যোগাযগের ওয়েবসাইটটির নাম ফেসবুক।এই ফেসবুক ব্যবহারে মানুষের আসক্তি চরমে পৌছুচ্ছে। এর মাধ্যমে আমরা যে কাজ গুলো করতে পারি সেগুলো হল একই সময়ে অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ডসদের সাথে চ্যাট করা যায়,স্ট্যাটাস লিখে যেকোন সময়ে আমাদের সুখ,দুঃখ, হাসি, কান্না,আশা ,হতাশা,ভাকবাসা,চিন্তা,ভাবনা ,হৃদয় বেদনা,কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনা সমন্ধে আমাদের মতামত প্রকাশ করতে পারি,বন্ধুদের স্ট্যাটাসে মন্তব্য লিখতে পারি,যেকোন বিষয়ে লাইক দিয়ে একমত ও আনলাইক দিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করতে পারি । নিজের ও বন্ধু ,বান্ধবদের যে ছবি গুলো ভালো লাগে সেগুলোকে নিজের

প্রবাসভূমে বাংলাদেশী শ্রমিক

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিটেন্স। এরা পরিবার পরিজন, আত্নীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ছেড়ে বিগদশ বিভূইয়ে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে শত অপমান , লাঞ্চনা, বঞ্চনা, অত্যাচার, নির্যাতন,নিগ্রহ সহ্য করে বিদেশী মুদ্রাপাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে অথচ আমরা তাদের প্রতি কোন ধরনের দায়িত্ববোধই অনুভব করিনা । এবং তারা প্রবাসে গমন করার সময় আদমব্যপারী এবং এ জিনিসগুলোর হাতে যে নাকানি চুবানি খায় এবং হয়রানির শিকার হয়, কোন এক রহস্যময় কারনে আমাদের সরকার এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থা তার প্রতি এক নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। শ্রমিক হিসেবে তারা প্রবাসে যাবে এই সিদ্ধান্ত

লেখাটির শিরোনাম দিতে পারলামনা

আমাদের যখন নিজেদের পরিচয় প্রদানের জন্য কোন সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ফরম পূরণ করতে হয় তখন লৈঙ্গিক পরিচয় প্রকাশ করার জন্য যে ঘরটি থাকে যেখানে শুধুমাত্র নারী এবং পুরুষ এই দুটি শব্দের যে কোন একটিতে টিক চি‎হ্ন‎ দিতে হয়। কিন্তু যারা প্রকৃতির খেয়ালে না পুরুষ না নারী হয়ে জন্ম গ্রহন করেছে, ইংরেজীতে যাদেরকে সীমেল ব এবং হিফিমেল নামে আখ্যায়িত করা হয় তারা কোন শব্দটিতে টিক চি‎হ্ন দিবে এটা কোন মতেই ভেবে স্থির করতে পারি না। মানুষের অস্তিত্ব প্রকাশের জন্যই তার নিজের পরিচয়টি প্রকাশ করা অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ন বা প্রথম পদক্ষেপ। এই পুরো পরিচয় প্রকাশের প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ সে যে একজন মানুষ সেটি

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে একটি ভিন্ন ভাবনা

আওয়ামীলীগ সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে যে কথাগুলো বলে ক্ষমতায় এসেছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।এবং সে অনুযায়ী তারা কাজও শুরু করেছে,যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের জন্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে,কতিপয় নেতৃস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের আটকও করেছে।সেজন্যে তারা সাধুবাদ পাওয়ার ও যোগ্য । কিন্তু এই বিচারের কাজ যে রকম ভাবে খরগোশের মত লম্বা ঘুম দিয়ে ও কচ্ছপের গতিতে অগ্রসর হচ্ছে তাতেই ধরে নেওয়া যায়, তাদের এই বর্তমান ক্ষমতা কালীন সময়ে এটি শেষ হবার নয় । এই স্পর্শকাতর ইস্যুটি যাতে আগামী নির্বাচনী ইশতেহারে ব্যবহার করে স্বাচ্ছন্দে জনগনের চোখে ধূলা দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনীটি পার হয়ে যে

Pages