slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ব্যথিত পলাশ-এর ব্লগ

আমার দুঃখের ব্যাকরণ

চাওয়াটা কি অনেক বেশি?

ভার্চুয়ালঃ দুটি সর্বনাম

হিরন্ময় বা হরিকে লেখা প্রেমপত্র

হিরন্ময়; হিরন, হরিণ; 'ণ' যদি কেটে দেই তাহইলে 'হরি'। হরি হলেন শ্রীহরি, মানে বিষ্ণু-- হিন্দু পুরাণের ত্রিদেবের মধ্যমা-- সৃষ্টি ও ধ্বংসের মাঝে ব্রক্ষ্মান্ডকে ধরেন, রক্ষা করেন; কেন করেন, জানো নাকি! ক্ষিরের সমুদ্রে ঘুমিয়ে থেকে, যে জগৎ একদিন নিশ্চিত কেচে যাবে তাকে সংরক্ষণ করে, কোনো হেতু আছে? তোমার দিকে যে অক্ষরের মার্বেল গড়িয়ে দিচ্ছি তারই বা কি মানে?--- আমার যে এক সাগর আবেগ আছে, সেখানে বহু বর্ণ-বিবর্ণ তরঙ্গ আছে, তাইবা কেন আছে? কে আমার সৈকতে দাঁড়িয়ে অস্তগামী সুর্যের আলোয় এই তরঙ্গ বিভঙ্গ দেখবে?

প্রতারক শব্দের মিছিল(আমার দুখি বিশৃঙ্খলা)

এটা কী? কী নাম দেওয়া যায় এর? যখন বুঝতে পারি এটা সাপের আড়ত? যখন আপন সত্তাকে হারিয়ে ফেলি? কোথায়? নিজেরই কোনো অবুঝ অপরিনামদর্শী চাহিদার কাছে?

বিষয়, প্রেম

সারারাত ওয়াজ চলবে---- এদেশের মানুষ
তাদের সেই প্রেম খুঁজবে, কোনোদিন
হরপ্পা সভ্যতায় যাহা পাওয়া যায়নি;
অতুলনীয় বিষাদ ভর করে আধুনিক শব্দে,
কবিতার হাট বসে স্বপ্নের ওপারে, লেজের মতো
জুড়ে থাকি আমিও তৃষ্ণায়; তৃষ্ণা আছে
বলেই ভুলে যাই সবার অপরাধ, নিজেরটা সহ---
তুমি নাকি ক্রুশকাঠে চড়েছ, মনের মাঝে
কোনো সীমা রাখোনি, ঝরে পড়া
বৃদ্ধ পাতার কাছে একথা বলে
কিরকম জাহির চেয়েছ!---- তীক্ষ্ণ কোনো
সুর বাজলেই আমি পুড়ে যাবো, আমার প্রেমিকে;
এসবই কল্পনা, কবির অসুখ, সেও তো
এদেশেরই মানুষ--------
মূলত সকল দেশেই
প্রেমের সন্ধান চলে, যুক্তিসিদ্ধ অপ্রেমের গুনগান গেয়ে

মূমুর্ষূ নবজাত

তরঙ্গ পত্র

প্রথম তরঙ্গ

নির্জণ নীল নারায়ণঃ তুমি বেঈমান

গভীর প্রয়োজন থেকে এই বিন্দুর জন্ম, প্রসারণশীল;

তোমার চোখের মণি ঘনিষ্ট অসীম, যেমন; নিজের

কোনো কথা আছে সাদা পর্দাটার- পাপিষ্ঠ মাঠার মতো

শুধু সে অসীমের পরিত্যক্ত আকাশ?-- নিজের নন্দনে বাকবাকুম,

উত্তরের খোঁজ নাই, এমত প্রশ্ন--- অতএব; দূরন্ত বেগে ছুটে এসেছি

তোমাকে বর্ণনার লোভে, ফিরে যাবো যেই ঘুমে তার ই মতো

কোনো বিচ্ছেদ থেকে;

তোমার নীল শরীরের ছবি, মেঝেতে আঁকা, নাভির উপর একটি

আঙুর রেখেছি, তার;

চেয়ে দেখো-- কে কাহার! তোমাকে দেখার ইচ্ছা, হয়তো ছিল-

ঐ আঙুরের মনে; আঙুর জমিয়ে জমিয়ে মদ হয়, তবু, সেই মদ

তোমাদের দাম্পত্য

তোমাদের দাম্পত্য জীবন আমার ভালো লেগেছে-

এক নারীর মনের তৃপ্তি, অহংকার, বিরহ আর কিছু নীল বিমর্ষতা,

আমি কল্পনা করছি; সে যতভাবে তোমার স্বাদ গ্রহণ করে, সেসব স্বাদ আমিও ভালোবাসি;

আমি জানি সে তোমার স্বচ্ছঘন মনিরতন দুটি ভালোবাসে- পরিত্যক্ত সাদা আকাশটা  সহ,

তোমার দেহের বলিষ্ট আঙুর যে কুচকুচকুচে পশম দিয়ে ঢাকা, তাকে; ভালোবাসে

তোমার দ্বিধা বিভক্ত চুমো, ভালোবাসে সযত্ন পরাক্রম তোমার, বগলের মিষ্টি ঘাম;

তোমার পিচ্চির গৌরব, তার লবণাক্ত স্বাদ-

ওরা কিন্তু ততটা বন্য নয়, তুমি যতখানি ভাবো; সে তোমার এই নাবালক পুরুষসুলভ

যদিও আত্মকথন(যেন কিছু মনে করো না, কেউ যদি কিছু বলে)

বলা চলে আজকে প্রথম কেউ আমার শরীরে প্রবেশ করলো। ক্লান্ত লাগছে, কিছুটা বিষণ্ণ; সে আমার বন্ধু, কলেজ বেলা থেকে, খুব ভাল বন্ধু; প্রেমিক নয় কিন্তু আমার সকল গোপনীয়তার সাথি; সম লিঙ্গের প্রতি দৈহিক আকর্ষণ তার দিক থেকে পরীক্ষামূলক, নারীর বিকল্প হিসাবে পুরূষ দেহকে ব্যবহার করে সময়িক উত্তেজনার বশে; আমিও সাড়া দিতে বাধ্য হই স্বেচ্ছায়, আমার চাহিদার তাড়নায়; সামান্য অস্বস্থি সবসময় থাকে, দুই পক্ষেই; কখনো আমি তাকে উত্তপ্ত করে তুলেছি কখনো আমাকে সে, তবু আজকের আগে আমরা কেউ কারো দেহে প্রবেশের সাহস করিনি- পায়ূ পথে; অনেক দিনের অবদবমন আর আমার খুচরো অভিজ্ঞতা আমাকে দুঃসাহসী করে তুলেছে, তাই তার ঝুলন্ত ল