slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

এমদাদুল হক-এর ব্লগ

এসো আকাশে যাই

কেন যেন তবুও বলতে পারি নিতোমার কপাল ছোব !

আরও বলিনি এসো আকাশে উড়ি।

বারে বারে হাত চলে যায় আকাশের দিকেআর আঙ্গুল গুলো কপালে

তোমার অজান্তে

আমার শরীরের জল
বাষ্প হয়। মিশে যায় মেঘের সাথে
মেঘে মেঘে ঘনীভূত হয়। বৃষ্টি নামায়
বৃষ্টিতেই তোমার আনন্দ হয়।
গাঁ ভেজাও। ভেজাও তোমার মন।
চুল। চোখ। দেহ। শরীর। কপাল।
কপালের টিপ ভিজে যায়, সেই বৃষ্টিতে।

শয়তান

আকাশে উড়ে বেড়ায় কোটি কোটি শুক্রাণু
মেঘের সাথে।
মাটিতে ঝরে পড়ে কোটি কোটি শুক্রাণু
বৃষ্টির সাথে।
সাগরে সাঁতরায় কোটি কোটি শুক্রাণু
মাছের সাথে।
বাষ্প হয়ে যায় কোটি কোটি শুক্রাণু
সূর্য তাপে।
মাটিতে মিশে যায় কোটি কোটি শুক্রাণু

একজন অ-লাভজনক; জালাল উদ্দিন খান হায়দার সাহেব

জালাল উদ্দিন খান হায়দার সাহেব কাজ করেন একটি অ-লাভজনক এবং বে-সরকারি সংস্থায় যেখানে তিনি পৃথিবীর জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা এবং উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে আছেন এবং এই দায়িত্ব রক্ষায় জান কোরবান করার মতো একটা অবস্থা আর কি। চাকুরী বলে কথা। মাসের শেষে মেয়ের স্কুলের বেতন, মায়ের চিকিৎসা খরচ আর বউ এর কিছু শাড়ী-গহনা ছাড়াও প্রতিদিনের অফিসে যাবার রাস্তা ভাড়া, পএিকার বিল, ক্যাবল টি.ভি.

অতঃপর একটি কুলাঙ্গার নাম করনের সার্থকতা

লোকটার জন্মের পর পরই একটা চিক্কুর পইড়া গেল। সব পোলাপাইন জন্মের পরেই যেমন চিক্কুর পারেএইটা সেই রকম কিন্তু না। এইডা মায়ের চিক্কুর। পোলায় চিক্কুর না পারলেও মায়ে ঠিকই চিক্কুর মাইরা উঠছিলো পোলার ঝিম মারা দেইখা। মায়ের পেট থাইকা বাইর হইয়াই ঝিম মাইরা আছিল পোলাডা। বাপে পোলার মায়ের চিক্কুরে দৈউরাইয়া আইলেসব দেইখা হুইনা আলহামদুলিল্লাহ বইলা আবার দৈউড় দিল আযান দিবার আর পোলার মায়েরে কইলো

ভালোবাসি

আমি  ভালোবাসি মেঘ,
কালে কালে হেটে গেছি মেঘে।
বলেছি, মেঘ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আলিঙ্গন করেছি, তবু কথা বলেনি।

আমি  ভালোবাসি সমুদ্র,
কালে কালে হেটে গেছি সমুদ্রে।

মানুষ পাখির প্রেম

সময়ের সাথে সাথে ভালবাসা জন্মে। ভালবাসতে শিখি। ভালবাসা জমাট বাধে। পাখি ভালবাসি। পাখিকে ভালবাসি। বহু দিনের চেষ্টা আর সততায় দিনে দিনে পাখির সাথে প্রেম হয়ে যায় একদিন। মাঝে মাঝে পাখি উড়ে উড়ে কাছে আসে। আমাদের উঠানে। বাড়ীর ছাদে। ঘরের চালে। পাশে পাশে থাকে। উড়া উড়ি করে। এবং যখন ডাকে - গান গায়; আমাদের কানে যেন মধু বর্ষণ হয়। হা হয়ে অনেকে মিলে কিংবা মাঝে মধ্যে একা একাই; গান শুনতে থাকি। আমরা পাখির প্রেমে হাবুডুবু খাই, খেতে থাকি। পাখির গান আমাদের মোহিত করে, করতে থাকে। আমরা পাখিকে প্রতিদিন দেখতে থাকি, দেখতে চাই। পাখি তার ইচ্ছে মতই আসে আবার ইচ্ছে মতই চলে যায়। পাখির উদাসীনতা আমাদের ভাবায়। আমাদ

স্মৃতি

তোমার পদ্ম কুড়িতে পচন ধরেছে।
ক্রমে ক্রমে পরজীবীর আক্রমণ। বাসা বেধেছে।
কাণ্ড হতে পুষ্প বিচ্ছেদের পরে
পুষ্প মূলে শত জল যোগেও কি আর
প্রসূন সতেজ হয়, পূর্বের ন্যায়?
তোমার পদ্ম কুড়িটি শুকিয়ে যাচ্ছে, গেছে।
কালো বর্ণ হয়ে গেছে গোলাপি তনু।
শুধুই কি জল অক্ষুণ্ণ রাখে পদ্মশ্রী?
হয়তো তোমার বিয়োগের ফলে এই কাতরতা। নীরবতা।
আমার কৈটার জলে চাহিদা মিটছে না যেন।
তোমার পদ্ম কুড়িটি স্ব-শ্রী হারিয়ে ফেলেছে,
নতুন এক বর্ণ চাপিয়েছে অভিমানে।
কালো হয়ে মরে গেছে। সেই কবে। বহু আগে।
শুধু তার স্মৃতি এখনও আছে । বিস্মৃতি হবে না, অকপটে।

 

বয়োজ্যেষ্ঠ একাকী একটি বট বৃক্ষ

গুরুর হঠাৎ করিয়াই একা একা লাগিতে লাগিলো। সে অনেক দিন আগের কথা, ততদিনে গুরুর একমাএ শিষ্যের সাথে মৎস্য –বিহগ  প্রেম ও কাতরতা বিষয়ক জটিলতায়, গুরু শিষ্যের বিয়োগ ঘটিলো। এবং মাছের প্রেম বিষয়ক জটিলতায় পাখির অবস্থান নিয়ে আহুত সমস্যার  সমাধান পরবর্তী কালে নতুন অধ্যায়ের সূএপাত ঘটিলো। গুরু স্থির করিলেন, সংসার ধর্ম ত্যাগ করিবেন অতঃপর ধ্যানরত রহিবেন। গুরু বাছিয়া লইলেন বয়োজ্যেষ্ঠ একাকী একটি বট বৃক্ষ। যাহাতে তাহার মনো বাসনা পূর্ণ হয় এবং যাহার তলে বসিয়া ধ্যান করিবার বাসনায় তিনি ক্রমে ক্রমেই অস্থির হইয়া উঠিয়াছিলেন। ইতি মধ্যে গুরুর সুনাম চারিদিকে ছড়াইয়া পরিতে লাগিলো। তিনি যথারীতি ব

বহুভুজ

পরিবর্তনশীল ঘটনা পরিক্রমায়
আজ তুমি আমার বৃত্তে, তখনই
আমার পালাতে ইচ্ছে হয়
আমি পালিয়ে যাই, অকপটে।

আমার বৃত্ত, কবে যেন
হয়ে গেছে বহুভুজ কিংবা
মিলিয়ে গেছে মহাকাশে, মহাকালে।
এই বৃত্তের কোন কেন্দ্র নেই যেন,
কেন্দ্র কেন্দ্রিক পাক খাই না আর
বিকেন্দ্রিকতাই যেন লক্ষ্য আজ।

একটি মাছ ও পাখির ডানা

একটি মাছ ভালোবাসার কথা বললেই সমস্যাটা দেখা দিল। সমস্যাটাকে কেন্দ্র করে গুরু শিষ্য আলোচনার সূএপাত ঘটিলো। শিষ্য কিছুতেই বুঝিয়া উঠিতে পারিলো না কেন বা একটি জলে বাস করা মাছ এর প্রয়োজন পরিলো প্রেম করিবার। সে বিষয়টা স্বাভাবিক বলিয়া মেনে নিতে পারিলো না। সেই সময়ে মাছ এর প্রেম বিষয়ক আলোচনায় গুরু শিষ্য নিজেদের মধ্যেই তর্কে লিপ্ত হইলেন। তর্কের বহু বছর পরে শিষ্য বুজিতে পারিলো এবং উপলব্ধি করিলো।

Pages