slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

এমদাদুল হক-এর ব্লগ

বাতাসের শব্দ

হারু আর প্রিন্সেস মিস বিউটি আকতার মুখোমুখি বসে থাকে, কেউ কোন কথা বলে না। প্রিন্সেস বলে কথা, নির্জনতা ভেঙ্গে আগ বাড়িয়ে কথা বললে যেন তার হার হয়, তাই প্রিন্সেস মিস বিউটি আকতারের কথা বলার কোন উৎসাহ নাই। হারু হটাত ঝাঁপিয়ে পড়ে মিস বিউটি আকতারের উপর এবং বিউটি আকতার কিছু বুঝে উঠার আগেই কাবু করে ফেলতে চায়। প্রিন্সেস বলে কথা, সহজেই বিউটি আকতারকে কাবু করার মত এতো শক্তি কই হারুর মনসে এবং গতরে?

অথচ এটি একটি প্রেমের গল্প হতে পারতো !

শুধু আমরাই মেনে নেই।  এবং শুধু আমরাই আর কোন দাবি রাখি না পুরানো প্রেমিকায় আর আমরাই সব কিছু মেনে নিয়ে বেকুবের মত পানিতে তাকিয়ে থাকি আর তাকিয়ে তাকিয়ে পানিতে খইলসা মাছ দেখি। পানিতে খইলসা মাছের চলন দেখি। আমরা এইসব মেনে নিতে পারলেও অনেকেই তা মেনে নিতে পারে না ফলে, যারা মেনে নিতে পারে না তারা ফিরে আসে পুরানো প্রেমিকাতে আর তখনও আমরা পানিতে খইলসা মাছ দেখি কারণ পুরানো প্রেম ফিরে আসায় আমাদের বান্ধবীরা আর আমাদের সাথে থাকতে চায় না। তারাও ফিরে যেতে চায়।

একটি প্রেম বিষয়ক জটিলতা

একটি প্রেম বিষয়ক জটিলতায় পড়ে যায় হারু। মন ভাঙলে নাকি মসজিদ ভাঙ্গা হয়। আর মসজিদ ভাঙ্গলে তো অনেক মানুষেরই মন ভেঙ্গে যায়; তা আর নতুন করে বলার কিছু নাই। ফলে হারু একটি প্রেম বিষয়ক জটিলতায় পরে যায়। প্রেম এবং অপ্রেম বিষয়ক সমস্যা বহু পুরাতন তাই হারু শুধুমাত্র প্রেম বিষয়ক জটিলতা থেকে মুক্তি খোঁজে। ঘটনার স্থান, কাল ও পাত্র আজ আর কারো মনে নেই কারণ এই ঘটনার সূত্রপাত বহু আগের। ঠিক কখন যে এই বিষয়টা হারুর মাথায় আসে এবং ঠিক কি করেই যে বিষয়টা মাথায় জায়গা করে বসবাস শুরু করে তা আজও রহস্য। তবে এই মুহূর্তে প্রেম বিষয়ক জটিলতা বিশ্লেষণ এবং তার থেকে পরিত্রাণই মুখ্য উদ্দেশ্য।

একটি জৈবিক চাহিদার গল্প

একটি জৈবিক চাহিদার গল্প। রাতারাতি চারিদিকে হৈচৈ ফেলে দেয়। গল্পকারের নতুন আগমন হয় বাংলা সাহিত্যে !

চাঁদে প্রেম

আমরা সহসাই উদাস হইয়া পরি, উদাসীনতা আমাদের গতরে এবং মগজে লেপ্টে থাকে ফলে আমরা কারণে আর অকারণে উদাস হয়ে পরি তাই লোকেরা আমাদেরকে উদাসীন বলে চিহ্নিত করে এবং উদাসী বলে বিবেচনা করে, আমরা পূর্ব আকাশের নতুন বড় গোল চাঁদ দেইখা উদাস হই ফলে উদাসীনতা আমাদের প্রেম ও গানে নতুন মাত্রা যোগ করে, আমরা প্রথমে চন্দ্রগ্রস্ত হই পরবর্তীতে প্রেম পাগল হইয়া আকাশের চাঁদ দেখি, গান গাইবার আয়োজন করি, চাঁদের প্রেমে পড়ি আবার প্রেমে ভয় হয়; যদি চাঁদ আমাদের প্রেমে পইড়া যায় এই ভয় পাই, যদিও চাঁদ দূরবর্তী বস্তু তাই তাকে ভালোবেসে কাছে পাবার আশা নাই বিধায় আমরা চাঁদের প্রেমে দ্বিধাগ্রস্ত কিংবা মোহগ্রস্ত নয়, আবার আমরা

একটি ছোট-প্রেমের গল্প অথবা প্রেম-এর ছোট গল্প

হারু ঘুম থেকে জেগে উঠেই জীবনের বড় একটি  সিদ্ধান্ত নিল।  সিদ্ধান্তটি নেবার পিছনে যেই কারণটি কার্যত ছিল তা হল হারুর বান্ধবীর পাঠানো একটি বার্তা। গত রাতে  হারু যখন শরীর এবং মনের ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পরেছিল, তখনও হারুর বান্ধবী শরীর এবং মনের ক্লান্তিকে সুযোগ না দিয়ে হারুকে নিয়ে অনেক রাত পর্যন্ত ভেবেছিলো এবং প্রায় শেষরাতে হারুকে একটি বার্তা পাঠায়। বার্তায়  বলা হয় “বাঁধা যেমন কষ্টের, কাটাও তেমন কষ্টের” অথচ হারুর নিকট এই বার্তাটি পৌছুতে পৌছুতে তখন সকাল এবং হারু সবে ঘুম থেকে জেগে উঠেছিল। এই বাঁধা আর কাটার চক্করে হারু পড়ে যায় এবং জীবনে আর প্রেম না করার সিদ্ধান্ত নেয়।

স্বপ্ন- ১

সমস্যা হারুকে নিয়া। মাছের কাটার মতো গলায় আটকাইয়া আছে, বিপদ এবং সমূহ বিপদ। হারুরে আর সহ্য করা যাইতেছে না। একদা হারুর বন্ধু মহল অতিষ্ঠ হইয়া উঠলো। শান্তি নাই, হারু কাউরে শান্তিতে থাকতে দিতাছে না। একই সাথে হারুর চরিত্রেও কেমন যেন এক ধরনের রহস্যময়টা ভর করে; কেন যেন কিছুই পরিষ্কার না, স্বচ্ছ না। একধরনের ধোয়াচ্ছন্নতায় আশে-পাশের এবং দূরের মানুষজনেরও চোখ জ্বালা করতে থাকে। এই জ্বালাময়টায় তো আর হারুর বন্ধু-স্বজন তাদের বউ এবং বাচ্চা নিয়া দিন পার করতে পারতেছে না। ব্যাচেলার বন্ধু গন তাদের বান্ধবী সমেত এই বিশৃঙ্খলায় পরিয়া গেলে, দু-পাঁচ জন সবল এবং প্রতিবাদী বন্ধু প্রতিবাদ করে উঠে এবং হারুর এই ক

হারুর নোট (২য় সংস্করন)

“ছোট বেলায়; চোর-পুলিশ খেলার কালে
কত ছলে, কতখানে গেছি লুকিয়ে
বড় বেলায় হায়! লুকানের জায়গা নাই।”
-সুইসাইড নোট/ ২৫ এপ্রিল ২০১২

হারুর নোট

“ছোট বেলায়; চোর-পুলিশ খেলার কালে/ কত ছলে, কতখানে গেছি লুকিয়ে/ বড় বেলায় হায়! লুকানের জায়গা নাই।” -সুইসাইড নোট/ ২৫ এপ্রিল ২০১২

মন ভালোবাসে না

তুমি ঘুমন্ত, তোমার আঙ্গিনায় আমি প্রবেশ করলে
তুমি বিচলিত হও না, তুমি আমাকে বসিয়ে রাখ। সময় কাল অতিক্রান্ত হয়।
হঠাৎ সশরীরে সম্মুখে এলে, আমরা একা হয়ে যাই।
আমাদের লীলা করার মোহ হয়, আশে পাশের প্রাণ বিলীন হয়ে যায় মুহূর্তে।
অফুরন্ত সময়ে লীলা মত্ত হবে আজ।
সহসা প্রশ্ন হয়, কি করবো তোমায়? তোমার স্বাদ আস্বাদনের পথ কি?
আমদের মন, প্রাণ, দেহ রাগান্বিত হয়। বিচলিত হয়ে পরি।
এতো দিন স্বপ্নে দেখেছি, তোমায় একা একা আমার একাকীত্ব দূর করবো,
কিন্তু! আমি এখন কি করে তোমার আরও কাছে যাই।
দুটি দেহ এক হলে, শরীর কাছাকাছি পরে থাকে শুধু,

আমি ঈশ্বর

 

আমি ঈশ্বর হলে
পাপ করে যাই গোপনে গোপনে
পাপী-ঈশ্বর বৈঠক আজ, রাতের বেলা
ক্ষণিকেই আবার একলা, শুরু করে নয়া লীলা।

হে ঈশ্বর, তুমি খেলিয়াছ খেলা
আমারই ভিতরে তোমার পাপ, বহে সারা-বেলা
তবু তুমি কেন তবে
শুরুতেই পাপ, শেষে পরিতাপ।

এই এক নতুন বটে, নতুন অনুভূতি
তোমার যাবার সময় হয়ে গেলে, হে কন্যা
এখনও ঠিক অনুভব করি না, কখন তুমি এলে
তোমার দ্বৈত সত্তা, আমাকে উপলব্ধিতে নিয়ে যায়
আমার উপলব্ধি জুড়ে তুমি আছ আবার নাই
আমি ঠিক অনুভব করি না, কখন তুমি এলে, এবেলা

বৈড়ালব্রত ক্রন্দন

দৃশ্যত বাস্তবতা, প্রতিফলনে বাস্তবিকতা হারায়
সত্য বিলিন হয়ে রূপ বদলায়।
বিকৃত দৃশ্যই, বাস্তব হয়ে আসে। বাস্তবতা পায়।
প্রতিদিন তুমি নিরব রলে, তোমার উপস্থিতি শূন্যে পৌছে
যেগাযোগের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ক্ষনে ক্ষনে, যোগাযোগ চালাই আমি
তুমি আর উত্তর করো না তো।
আমার মুখে বলা প্রেম ততটা বিশুদ্ধ নয়
যা তোমার না বলায় সুরক্ষিত
আজ এক বৈড়ালব্রতী, নিজেকে প্রেমিক বলে
আর তুমি দিয়াছ ডুব, আমার-ছলে, সেই কবে!
অন্য এক তুমি আবার নিরব, ভালোবাসলে।
কখনো কাছে আসো নি; আমাকে রেখেছ দূরে।
বস্তুত ভালোবাসি না, বলেও কথা রাখি নি; তা হয়েছে অনেক
আজ  তাই প্রেমে খাদ যুক্ত হলে

চিরকুট

বুক পকেটে লিখা থাকে চিরকুট
আমার মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ী না।
পকেটে ঠিক তেমনি থাকে চিরকুটটি
শরীর ব্যক্টরিয়ার বাসা, নিথর হয়ে গেলে হৃদপিণ্ড
তখনও কেউ টের পেত না। যদি না,
কাক- চিল- শকুন সবাইকে জানাতও
জানতো না তখনো পরিজন-প্রিয়জন
কাক টা তিনশ কিলোমিটার পাড়ি দিচ্ছে।
ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায়, ফিরে আসতে হলও আরও কত পথ!
ততদিনে মাংসের পরিবর্তন এবং সময় থেমে নেই
তখনও জল ছিল চোখে আর পকেটে চিরকুট
আমার মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ী না।
স্মৃতি ছিল তখনও। মগজ তো মরে নি।
যখন নিজেকেই আর বিশ্বাস হয় না।
যখন সবাই ছুটছে তখন না ছুটলে সব এলোমেলো হয়ে যায়।

স্থবিরতা

স্থবিরতা তোমায় নীরব করে দিলে, আমাদের বিচ্ছেদ হয় !
দৃশ্যত পৃথিবীতে ফিরে এসে বুঝেছি তুমি আর কেউ নয়।
তোমাকে ঘুমে একা ফেলে যাই, আর দরজা খোলাই থাকে।
আমি কখনো জানতে পারি না, জেগে উঠে আমার প্রয়োজন ছিল কি না !
কারণে অকারণে তোমার স্থবিরতা বৃদ্ধি পেতে থাকলে তুমি আরও নীরব হয়ে যাও
তবুও তোমার নীরবতা আমাকে স্থবির করার আগেই তোমার হাত ধরতে চাই।
উপযুক্ততার অভাবে আমি কৃত্রিম হয়ে থাকি তোমার আশপাশে; চারপাশে।
পুনরায় স্থবিরতা তোমায় নীরব করে দিলে, আজ কবিতা লিখতে বসি !
তোমার স্থবিরতা আমায় নীরব করে দিলে,আমার নীরবতা তোমায় স্থবির করে দেয় ।


১৮.১১.২০১১
ডেমরা

কাপুরুষ

আরেক বার,তিন এম এল বীর্যপাত হলে সেটি দেয়ালের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজে ব্যবহৃত হয় এবং শুকিয়ে যায়,প্রাচীন একটি শ্যাওলার গন্ধ নাকে আসলে স্মৃতি নারীর শরীরের গন্ধে পুনর্জীবিত হয়, চুর হয়ে থাকে অনুভব আর অনুভূতিগুলো,তখন চিত হয়ে থাকা মানুষটির প্রয়োজন হয় উপুড় হয়ে পরা, বীর্য অপচয় ঘটানো,এবং আরো তিন এম এল বীর্য পাত নিশ্চিত করা। দিন ও রাতের পার্থক্য ক্ষীণ হয়ে যাওয়া লোকটার স্থান বিষয়ক স্মৃতি শুধু মাত্র তার চার দেয়াল যাতে একটি তোষক এবং কিছু সংখ্যক মদের বোতল,এই একটি স্মৃতি লোকটির সম্বল এবং অবলম্বন শেষ দিন অব্ধি। মাথা ঝিম ধরে আছে, মগজের ভাজে অলসতা উপলব্ধি হয়,খানিকটা মদ এই অবস্থা থেকে মুক্তির উপ

Pages