slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

অপূর্ব সোহাগ-এর ব্লগ

সে রাতে পূর্ণিমা ছিলো

এই শহরের ফুটপাতেই বেড়ে ওঠা তার। বয়সে হয়তো আমার বড়ো বা আমার ছোট, যেহেতু সঠিক জানি না তাই বয়সের হিসেবটায় যাচ্ছিনা। ছেলেটার নাম অভি। তাকে নিয়ে আমার অনেক কৌতুহল। তার মধ্য থেকে সবচেয়ে বড় কৌতুহল হলো তার নাম। আমার মাঝে মধ্যে প্রশ্ন জাগতো তার নাম কে রেখেছিলো? প্রশ্ন জাগার কারণ হলো তার তো কোন মা-বাবা নাই, সে তো জানে না তার কোন পরিচয়, সে কেনো কেউ-ই জানে না, ছোটবেলা থেকেই ভেসে ভেসে বড় হয়েছে সে! তবে তার নামটা রাখলো কে?। আমার প্রশ্ন আমার কাছেই থাকলো, আমি কখনও তাকে জিজ্ঞেস করিনি। সে আঘাত পাবে এই ভেবে।

মৃত্যু

উৎসর্গ : আইরিনকে।

 

তোর চোখের জল আমার সঞ্চিত সকল কৃর্তি ভাসিয়ে নিলো,
দুপুর দেখেছে, দেখেছে চার-দেয়াল;
রোদের ঘুঙুর বেজেছে কষ্টের ময়দানে করুণ এস্রাজে।

একদিন শূন্যতা ছুঁয়ে তাই বলেছিলাম-
এতো ভালো বেসো না আমায়, মৃত্যু এসে ফিরে যাবে।
ফিরে যাবে কার্নিশের পায়রা
মিথ্যে হয়ে যাবে ভাই ফোঁটা!

জমজ পাহাড়

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে মোইলে দেখলাম অঞ্জন এর এসএমএস “কবি ডুবে মরে, কবি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে” শুধু এইটুকু। এই কবিতাটি জয় গোস্বামীর বলেছিলো সে-ই একদিন। তার খুব প্রিয় ছিলো এই কবিতাটি। জয় গোস্বামীও তার প্রিয় কবিদের একজন। অঞ্জন যেদিন কবিতাটি আমাকে শুনিয়েছিলো আমি বুঝিনি কিছুই, আমি কবিতা বুঝি না। তবে শুনতে ভালো লেগেছিলো! আমি তাকে বলেও ছিলাম কবিতা আমি বুঝিনারে আমাকে না শুনিয়ে যে বুঝে তাকে শোনা! উত্তরে সে দিলো কবিতা না বুঝলে নারী বুঝবে কি করে?

একটি দীর্ঘশ্বাস মেঘ হয়ে যায়

এখন আমার ত্রিশ। দশ বছর আগে মুনিরার বয়স ছিলো ত্রিশ। আমার থেকে মুনিরা দশ বছর বেশি বড়। মুনিরার সাথে কোনো যোগাযোগ বা সাক্ষাত নাই প্রায় সাত বছর। এই সাত বছরে আমি ত্রিশে এসে চাকরী করি একটি প্রাইভেট হসপিটালে। মুনিরা সাত বছরে কই পৌছায়ছে জানি না তবে সে যদিও তেমন কিছু না হয়, খারাপ নেই জানি। যখন চিনতাম তখনই সে উচ্চ পরিবারের বঁধূ ছিলো। আজ এই সাত বছর পর মুনিরাকে তুমি করে লিখতেও আমার ক্যামন ক্যামন লাগছে। সত্যি কেমন লাগছে।

আরো এক ছায়া

অনেক কিছুর সমাপ্তি টানতে হয়েছে

এখানেই। পার্কে পড়ে থাকা পঙ্গু ফুল