slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

প্রজন্মের কণ্ঠস্বর-এর ব্লগ

সে আমার ছোট বোন 

 

(১)
তাকে প্রথম দেখি শাহবাগেই, অন্য অনেকের মতোই। আমি তখন একটা আউটসোর্সিং ফার্মে কাজ করতাম; আমাদের মাঝে মাঝে নাইট শিফট করতে হতো, যেহেতু আমাদের ক্লায়েন্টগুলো সব ছিলো পশ্চিমা দেশগুলোর। আমি সারারাত, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত কাজ করলাম। তখন আমার হাতে টাকা পয়সা ছিলনা বললেই চলে; আর ঐদিনই আমাদের সেলারী দেওয়ার কথা ছিল; তাই আমি বাসায় না গিয়ে রাত পর্যন্ত অফিসে ঘুমিয়ে আর বাইরে ঘুরে সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও -- দেশপ্রেমের নামে একচোখা ভন্ডামি

বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও  নামে একটি সংগঠন আছে, যার সাথে প্রফেসর আনিসুজ্জামান, সুলতানা কামাল, অজয় রায়, এম এম আকাশ, কামাল লোহানী, গোলাম সারোয়ারের মত লোকেরা আছেন। যদিও তারা সাম্প্রদায়িকতা ও সহিংসতা বিরোধী সংগঠন বলে দাবী করে, কিন্তু তারা প্রতিবারই নিজেদের আওয়ামী একটি সংগঠন হিসেবেই যেন পরিচিত করিয়ে দেয় সবার কাছে। যার কারণে আইন-শৃঙ্গখলা বাহিনীর নাম দিয়ে যখন অনেক অনেক মানুষকে গুম বা খুন করা হয়, তখন এরা টু শব্দটিও করেনা, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও তারা সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর দাবি নিয়ে হাজির হয়েছে। এরা রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু আওয়ামী সরকার যে গণতন্ত্রকে হত্যা

শহীদ ডাঃ মিলন আর শহীদ নূর হোসেন –এর ‘দল’ আওয়ামী লীগের হাতে আজ গণতন্ত্রের শবযাত্রা

"রক্ত আমার এখন পথে মুছে যায় নি
জনতার স্রোত মন্থর হয়ে থেমে থাকেনি
রক্ত আমার জ্বলছে বিষের আগুনে
চারিদিক আজ প্রতিহিংসার আগুনে
আমি প্রতিশোধ নেব এবার।

ও গো মা তুমি কেদো না
মিলনের রক্তে আমি
হটিয়েছি স্বৈরাচারী
উড়িয়েছি স্বাধীনতার পতাকা"

তসলিমা নাসরীনের দেশে ফেরা না ফেরাঃ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও একজন দ্বাদশ ব্যক্তি ’র কিছু বক্তব্য

( ১)
সেদিন ছিল ২৫ শে আগস্ট। আজ থেকে মাস দুয়েক আগের ঘটনা। তসলিমা নাসরীনকে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়া ও তার নাগরিক অধিকার আদায়ের জন্য শাহবাগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল ‘তসলিমা পক্ষ’। মানববন্ধন শেষ করে তসলিমা পক্ষের কর্মী ও তসলিমার সমর্থকেরা পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গিয়ে তসলিমা নাসরীনের জন্মদিন উদযাপন করেছিল। যেহেতু, তসলিমাকে দেশে আসতে দেয়ার দাবির প্রতি আমার সমর্থন আছে, তাই এই প্রোগ্রামে আমিও ছিলাম তাদের সাথে।

 

সমকামী এবং উভয়কামীদের অজানা ও অন্ধকার অধ্যায়ঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

(১)

সমকামিতা, উভয়কামিতা এবং বাংলাদেশের সমকামীদের সম্পর্কে আপনি সঠিক ধারণা পাবেননা, যদিও আপনি বাংলাদেশে সমকামিতার উপর সমকামীতার সমর্থকদের বিভিন্ন লেখা পড়েন। তারা আপনাকে সমকামীদের পজিটিভ কিছু সাইড এবং বৈশিষ্ট দেখিয়ে আপনাদের সামনে সমকামীতাকে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক সম্পকের মতই প্রাকৃতিক একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে আসেন। এখানে উল্লেখযোগ্য যে তারা শুধু সমকামীতা সম্মন্ধেই বিভিন্ন কথা বলে বা এর পক্ষে যুক্তি দেখায়। উভয়কামীতা – যা কিনা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমকামীতার সঙ্গে যুক্ত এবং সমকামীতার চেয়েও আরও বেশি মারাত্মক – তার সম্পর্কে এরা বলতে গেলে কোন কথাই বলেন না।

প্রসঙ্গ রাহী আর উল্লাসের গ্রেফতারঃ 'ব্লগে তো অনেক হাতি-ঘোড়া মারা হলো, এবার রাজপথের প্রতিবাদি হোন'

ইস্টিশন ব্লগের মাধ্যমেই জানতে পারলাম রাহী আর উল্লাসের গ্রেফতার আর কারাবরণের খবর। ধর্ম অবমাননার দায়ে তাদের ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ওদের দুইজনের গ্রেফতারের পর অনেক ব্লগারই অনেক লেখা লিখেছেন। অনেকেই অনেক প্রতিবাদি মন্তব্য করে ফেসবুক আর ব্লগ মুখর করে তুলেছেন।

রাহী, যে কিনা ’অঘূর্ণায়মান ইলেকট্রন’ নামে বিভিন্ন ব্লগে লিখতো, এবং উল্লাস সম্পর্কে এবং তাদের অনলাইন এক্টিভিটি সম্পর্কে আমার খুব বেশি ধারণা এর আগে ছিলোনা। আমি গত কয়েকদিন অনলাইনে বসে ওরা আসলেই মারাত্মক কিছু করেছে কিনা, সেটা বোঝার চেষ্টা করলাম।

আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক, ফারাবীর হুমকি, এবং অতপর ও পরিশিষ্ট

নাস্তিকদের ব্যাপার নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আলোচনা- সমালোচনা হয়ে আসছে অনেকদিন ধরেই। নাস্তিকেরা বা ধর্মের সমালোচনাকারীরা আগে যেমন ছিলেন, এখনো আছেন। সম্প্রতি, অভিজিৎ রায়ের বইয়ের ব্যাপারে রকমারি ডট কম ও এর মালিক সোহাগকে ফারাবী শফিউর রহমান ডাইরেক্ট হুমকি দেয়ার পর, এই আস্তিক-নাস্তিক ইস্যুকে আবারও যেন সরগরম হয়ে উঠেছে।