slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

শাহজাহান শামীম-এর ব্লগ

বছরব্যাপী সিরিজ ওয়ার্কশপ-০১ : স্ক্রিপ্ট রাইটিং

আপনারা জানেন বছরব্যাপী সিরিজ ওয়ার্কশপের অংশ হিসেবে প্রথম ওয়ার্কশপ হবে স্ক্রিপ্ট রাইটিং বিষয়ে। এবার সেই

ওয়ার্কশপের নিয়ম কানুন বাতলে দিচ্ছি।

এক নজরে স্ক্রিপ্ট রাইটিং ওয়ার্কশপ :
স্থান : ম্যাজিক ইমেজ, বিটিআই সেন্ট্রাল প্লাজা (৭ম তলা) ফার্মগেট, ঢাকা।
তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০১৩ শুক্রবার
সময় : সকাল ৯টা থেকে রাত ৯ টা
আসন সংখ্যা : ১৫ জন

আরও কিছু নিয়ম :
০১. অংশগ্রহণকারী হওয়ার জন্য আপনাকে একটা গল্প সংক্ষেপ বা সিনোপসিস লিখতে হবে। সেই গল্পটি যেটা থেকে আপনি আপনার আগামী শর্ট ফিল্ম বানাবেন। ১০০ শব্দের মধ্যে লিখে ফেলুন। তারপর আমার ইনবক্সে পাঠান।

বছরব্যাপী সিরিজ ওয়ার্কশপ

আগামী বছরটি বাংলা সিনেমা শিল্পের জন্য একটা টার্নিং পয়েন্ট বলে আমি বিশ্বাস করি। সিনেমা পিপলস-এর জন্যও আগামী বছরটি একটা টার্নিং পয়েন্ট বলে আমি কঠিনভাবে বিশ্বাস করি। সে জন্য আমি দু’টো বিষয়কে গুরুত্ব দেই। প্রথমত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা এবং দ্বিতীয়ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ পদ্ধতি শেখা। কাজের পদ্ধতি শেখা এবং কাজ করা - এই হল সহজ ফর্মুলা। না শিখে কাজ করতে গেলে অনেক ভুল, সময় নষ্ট এবং বাজেট নষ্ট হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই বিজ্ঞানের যুগে সেই কঠিন এবং অনর্থক পন্থায় কাজ করার কোন মানে হয় না।

যৌথ প্রযোজনায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ : গল্প বা চিত্রনাট্য আহবান

আমরা সিনেমা পিপলস-এর ব্যানারে যৌথ প্রযোজনায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছি। এটি একটি শিক্ষামূলক ও পরীক্ষামূলক প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় আমরা এক বা একাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারি।

যারা গল্প বা চিত্রনাট্য লেখেন, তারা গল্প জমা দিতে পারেন। মূল গল্প দেয়ার দরকার নাই। কেবল সিনোপসিস দিলেই হবে। ১০০ শব্দের মধ্যে সিনোপসিস লিখে পাঠান। অথবা  ব্লগে প্রকাশিত কোন গল্পের লিংক পাঠালেও হবে। পরে ১০০ শব্দের মধ্যে সিনোপসিস লিখে দেবেন।

গল্প পাঠাবেন আমার ফেসবুক ইনবক্সে ।

হবু চলচ্চিত্র নির্মাতারা, এবার ঝাঁপিয়ে পড়ুন

প্রথম যখন চলচ্চিত্র নিয়ে লিখেছি, তখন কত টেনশনই না ছিল। ঠিক লিখছি তো ? নাকি লিখতে গিয়ে উল্টো ভুলভাল লিখে আরও তালগোল পাকাচ্ছি। তাই লিখে রেখেও ব্লগে পোস্ট করার সাহস পাইনি। এই বই ঘাঁটি, ওই বই ঘাঁটি। তারপর আমার লেখা সংশোধন করি, লেখার সপক্ষে কোন রেফারেন্স পেলে শান্তি পাই মনে।
বই ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে অনলাইনে বই খোঁজাখুঁজি শুরু হল। গুগল করে নানা কায়দায় বই খুঁজলাম। ই-বুক নামের এই বইগুলো প্রায় সময়ই পেতাম, কিন্তু ফ্রি পেতাম না। আমার তো অনলাইনে কেনাকাটা করার মতো ডলার নাই। সাধ থাকলেও সাধ্য নাই।

গল্প - নাটকের মেয়ে (পর্ব -০৫)

উনি আবারও তাঁর লেখার মধ্যে হারিয়ে গেলেন। আমি সামনে বসে থেকে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম। তাঁর মনোযোগ দেখার মতো। আগেকালের মুণিঋষিরা বোধ হয় এই রকম মনোযোগ দিয়েই ধ্যান করতেন। তাদের সামনে স্বর্গের অপ্সরা থাকলেও ধ্যান ভাঙ্গত না।
তিনি অল্প লিখছেন। আবার ভাবছেন। আবার লিখছেন। হঠাৎ আমার মনে হল তিনি আমার সামনে ভাব নিচ্ছেন না তো ? অনেক পুরুষ লোক মেয়েদের সামনে এই রকম ভাব নেয়। ভাবখানা এমন তিনি নারী জাতি সম্পর্কে নির্বিকার। ঠেকায় পড়ে তার জীবনের সঙ্গে মা ও বোনকে জড়াতে হয়েছে। নইলে তিনি নারী বর্জিত জীবনযাপন করতেন।

গল্প - নাটকের মেয়ে (পর্ব -০৪)

এই রেজা ভাই আমার পেছনে আঠার মতো লেগে আছেন। আঠা মানে তো কঠিন আঠা - সুপার গ্লু। সকাল বিকাল ফোন। কখনও ফোন ধরি, কখনও ধরি না। আবার ফোন না ধরলে তিনি মাইন্ডও করেন না। পরের বার ফোন ধরলে এমনভাবে কথা বলেন, যেন আগে তিনি কোন ফোনই দেন নাই। তিনি আমাকে তার হোটেলে দাওয়াত দেন। আমি জানি এই দাওয়াত আসলে কিসের দাওয়াত। প্রকাশ্যে এই ব্যাটাকে ‘রেজা ভাই’ বলে গলে পড়লেও মনে মনে এই শালাকে ‘আঠা আঙ্কেল’ বলে ডাকি। শালায় আসলেই একটা সুপার গ্লু।

গল্প - নাটকের মেয়ে (পর্ব -০৩)

সেই রাতে ভালোমতো ঘুম হল না। আধো ঘুম জাগরণে স্বপ্ন দেখলাম, আমি একটা পার্কে নাচছি। আমার বিপরীতে এক হ্যান্ডসাম নায়ক। ফর্সা মুখ। নীলচে গাল। চোখে সানগ্লাস। কোকড়ানো চুল। ফুর ফুর করে তার গা থেকে দামী পারফিউমের ঘ্রাণ আসছে।
পরের দিন শুটিং এ গিয়ে আমার স্বপ্নে দেখা রাজপুত্রকে খুঁজছি। স্বপ্নে দেখা নায়কের মতো কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। ডিরেক্টরের মেজাজ পুরো খারাপ। একজন অভিনেতার আসার কথা সকাল ৯টায় । এখন ১১টা। তিনি এখনও এসে পৌঁছেননি। আমি বুঝলাম, আমার স্বপ্নে দেখা নায়ক এখনও আসেননি। নায়কদের দেরি করে আসতে হয় । যিনি যত গুরুত্বপূর্ণ তিনি তত দেরি করে আসেন।

গল্প - নাটকের মেয়ে (পর্ব -০২)

ডিরেক্টরের অফিসে ঢুকে আমরা হা হয়ে গেলাম। গিজ গিজ করছে মেয়ে। দশ বারো জন মেয়ে তার সামনের সোফা ও চেয়ারগুলো দখল করে বসে আছে। হি হি হি হি চলছে।
আমরা ঢোকার পরেই তারা সবাই আমাদের দিকে তাকাল। ডিরেক্টর সাহেব বিরক্ত চোখে তাকালেন। তার চাউনি দেখেই বুঝতে পারলাম, তিনি আমাদের চিনেন নি।
আমরা ভেতরে ঢুকে কোথায় বসব বুঝতে না পেরে দাঁড়িয়ে রইলাম। তিনি হুংকার দিলেন, ‘বশির, দুইটা চেয়ার আন।’
ভেতরের একটা ঘর থেকে একটা হাড়গিলে ছোকড়া দুটো চেয়ার নিয়ে দৌড়ে এল। আমরা বসলাম। তিনি আমাদের নাটকের দলের ছোকড়ার দিকে তাকিয়ে বললেন,‘হ্যা, তারপর বলেন।’

গল্প - নাটকের মেয়ে (পর্ব -০১)

বিরাট জ্যাম লেগেছে। রিহার্সেলের সময় বিকেল চারটা। এখন সাড়ে চারটা। বসে আছি বাসের ভেতর। বসে বসে ঘামছি। গরমে নাকি টেনশনে বুঝতে পারছি না।
টেনশনের চেয়ে মেজাজ খারাপ বেশি হয়েছে। আমার কোন সুযোগ পাওয়াটা সহজ হয় না। এর আগে এক নাটকে সুযোগ পেলাম। শুটিং ডেটও হয়ে গেল। আগের দিন রাত ১১টায় ফোন এল প্রোডিউসারকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। ব্যাটা নাকি কোন এক মাল্টিপারপাস চালাত। এক গ্রাহক মামলা করেছে প্রতারণার অভিযোগে। স্বভাবতই সেই নাটক ভেস্তে গেল। সেই নাটকের ডিরেক্টর আগে ফোন ধরত, এখন ফোন ধরে না, কেটে দেয়। শালা একটা খাটাস।

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা: উন্মোচনের গোলটেবিল বৈঠক

সরকারের প্রস্তাবিত অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল উন্মোচনডটকম।

রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনের প্রগতি মিলনায়তনে বিকেল চারটায় এ বৈঠক শুরু হবে।

বৈঠকে আগ্রহী যে কেউ অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগ করুন: [সালমান তারেক শাকিল, ০১১-৯৮-৩৬৪৪৯২]।

কার কার ধূতি উন্মোচন হয়া যায়, কে জানে

ফেসবুকে অনেক দিন ঢোকা হয় না। আজ দুপুরে কেন যেন ঢুকলাম। জনৈক সবুজ বাঘ ঠকঠকাইল। ডাইরেক্ট একটা লিংক দিল। লিংকে ক্লিক কইরা দেখি, উন্মোচন । উনার কাছা থিকা জানলাম, এইটা নাকি একটা নতুন ব্লগ।