slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

সোহাগ সকাল-এর ব্লগ

আমার ছেলেবেলা অথবা সোনালীবেলা, আর আমার মা

ছোটবেলা অকাম-কুকাম করার পর মা আমাকে যেইসব শাস্তি দিতেন, তাঁর মধ্যে প্রধান শাস্তি হলো কান ধরে টেনে আমাকে একহাত উপরে তুলে ফেলার চেষ্টা আর পিঠের ওপর ধুরুম-ধারুম কিল। নাওয়া নাই খাওয়া নাই, সারাদিন ঘুড়ি আর লাটিম নিয়ে সারা গ্রাম ছুটে বেড়ানো, তারপর সন্ধ্যায় বাড়িতে ফেরা, এইটা ছিলো আমার সাপ্তাহিক অভ্যাস। মানে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার, একদিনের জন্য হলেও উধাও হয়ে যেতাম আমার ঘুড়ি অথবা লাটিমকে সঙ্গে নিয়ে। তারপর, সন্ধ্যায় লাফাতে লাফাতে বাড়িতে ফিরতাম। মা কিছু বলার আগেই হাত-পা ধুয়ে ঘরের মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে ভদ্র ছেলের মতো পড়তে বসে যেতাম। মা মাগরিবের নামাজ পড়ার পর আমার হাত ধরে টেনে আবারও টিইবওয়েলে নি

ধুশশালা! মজাটাই নষ্ট হয়ে গেল!

গভীর রাত। সালেহার হাত ধরে টেনে ঝোপের দিকে নিয়ে যেতে লাগলো মন্তাজ মিয়া। সালেহা ফিসফিসিয়ে বললো,
“আরে! কেও দেইখা ফালাইবো তো!”
মন্তাজ মিয়া একটু শব্দ করেই বলে উঠলো,
“দেখলে দেখুক! যা হওনের তাই হইবো!”
মন্তাজ সালেহাকে টেনে নিয়ে যায় ঝোপের একেবারে মধ্যিখানে। অবিবাহিত একজোড়া যুবক-যুবতীর মন চাঁদের আলোতে রঙিন হওয়ার আশায় কুটকুট করতে থাকে। সালেহা ফিসফিসিয়ে বলে,
“যা করার তারাতারি করো! কেও দেইখা ফালাইলে সর্বনাশ!”
মন্তাজ মিয়ার চোখ এইবার চকচক করে ওঠে। তারপর, হাতের মুঠো খুলে দেয়। হাতের মুঠো থেকে বের হয়ে আসে চল্লিশ-পঞ্চাশটা

হেলুসিনেশন অথবা স্মৃতিদের গল্প

“কুত্তার বাচ্চাটা দান মেরে দিলো!!”

মওদূদীবাদ তথা জামায়াত-শিবির সম্পর্কে দেশের প্রখ্যাত কিছু আলেমের অভিমত

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদী। ১৯০৩ সালে ভারতের হায়দারাবাদ প্রদেশের আওরঙ্গবাদ জেলা শহরের আইন ব্যবসায়ী আহমদ হাসান মওদূদীর ঔরসে তাঁর জন্ম। আজকের জামায়াত-শিবির তাঁর আদর্শেই পরিচালিত। জামায়াত-শিবির কোনো ইসলামী দল নয় এবং তাদের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো যেকোনো উপায়ে, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে ক্ষমতায় যাওয়া, তা বাঙালি জাতি অনেক আগেই জেনে গেছে। একাত্তরে তাদের কর্মকান্ডের কথা আমরা সবাইই জানি। এত খুন, এত অন্যায়ের পরেও তারা আজও টিকে আছে বাঙলার মাটিতে। এমনকি দলীয় ভাবে! যারা এদেশের স্বাধীনতাই চাইনি, তারা কিভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার সাহস পায়?

গল্প: টুশি একটি নক্ষত্রের নাম

দক্ষিণ কোনার নারিকেল গাছের পাতায় শেষ দুপুরের রোদের টুকরো গুলো ঝলমল করে আছড়ে পড়ছে। একটু পরপর প্রচন্ড বাতাসে লম্বা নারিকেল গাছের মাথাটা তিন-চার হাত এদিক-সেদিক সরে যাচ্ছে। আমার পেছনের বুড়ো আমগাছের শুকনো পাতা গুলো ঝরে ঝরে পড়ছে। পাতা গুলো উড়তে উড়তে আমার পায়ের কাছ দিয়ে ঘুরে ফিরে কয়েক হাত দূরে গিয়ে নিস্তেজ হয়ে থমকে যাচ্ছে। তারপর আরেকটু বাতাসের ছোঁয়া পেয়ে আরেক জায়গায় গিয়ে থমকে যাচ্ছে। মা মুখে আঁচল দিয়ে শব্দ করে কাঁদছে। মার কান্নার শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছিনা। হয়তোবা আমি শুনতে পাচ্ছি, কিন্তু আমার অজান্তেই আমার মন সেই কান্নার শব্দ গুলো আমার কানে প্রবেশ করতে দিচ্ছেনা। মার চোখ দিয়ে জলের ফোটা গুলো ট

অর্পা

একদিন এক পৌষ মাসের সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে হাটতে হাটতে চলে গেলাম নদীর তীরে। পদ্মা নদী। নদী থেকে উঠে আসা বরফ-বাতাস যেন আমার শরীরের চামড়া ফুটো করে ভেতরে ঢুকছে। শীতের তীব্রতা এতটাই বেড়ে গেল যে আমি আর হাটা তো দূরে থাক, দাড়িয়েই থাকতে পারলাম না। হাত-পা গুটিয়ে বসে পড়লাম ওখানেই। পায়ের তলাটা এতক্ষণে জমে শক্ত বরফ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে পুরো পা-টা বরফ হয়ে যাচ্ছে। আমি হাটুর একটু নিচে আঙুল দ্বারা একটা খোঁচা মেরে দেখলাম শক্ত-লোহার মতো। আমি অপেক্ষা করতে থাকলাম বরফে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য। ধীরে ধীরে আমার পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড বরফ হবে। পাথরের মতো শক্ত হবে। এমন সময় অর্পা আসলো। আমাকে জড়িয়ে ধরে রাখলো অনেক্ষণ। শক্ত করে

♣ছোটগল্পঃ স্বপ্ন বাসর♣

বড় বোনের শখ করে কেনা মোটা-সোটা বড় ফুলের টবটা আছাড় মেরে ভেঙ্গে ফেললাম। আরও কিছু ভাঙতে মন চাচ্ছে। হাতের কাছে টিভি ছাড়া ভাঙার মত আর কিছুই পেলাম না। মা চোখ বড়বড় করে, মুখ কটমট করে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমি কিছু তোয়াক্কা না করে ধবধবে সাদা শার্টটা গায়ে দিলাম। টাউজারটা চেঞ্জ করে অভির দেয়া জিন্সটা পরলাম। বন্ধু অভি গত সপ্তাহে সাদা শার্ট আর প্যান্টটা গিফট করেছে তার বিবাহের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে। বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে যদিও উপহার দেয়ার কথা আমার, তবে অভিই আমাকে উল্টো উপহার দিয়েছে। কেন দিয়েছে সেটা জানিনা, জানার চেষ্টাও করিনি। আমি মা-কে একপাশে ঠেলে একটা ভেংচি কেটে সিঁড়ি দিয়ে টুকটুক করে বাস

♣রম্যগল্পঃ যেদিন গার্লফ্রেন্ডের মা-কে ডার্লিং বলেছিলাম♣

হ্যালো! হ্যালো হ্যালো! হ্যালো দোস্ত! হ্যালো সকাল!