slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

নাজমুল হুদা-এর ব্লগ

সাভার ট্রাজেডি

 উন্মোচন ব্লগে এসে কাউকে পেলাম না। স্বাভাবিক ভাবেই মনে হলো, ব্লগার বন্ধুরা সবাই এখন সাভার নিয়ে ব্যাস্ত। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এখনও যদি কেউ সাভার দুর্যোগে কোন না কোন ভাবে অংশ না নিয়ে থাকেন, তার প্রতি আকুল আবেদন এগিয়ে আসুন। কিছু না পারলে ১০টা টাকা দিয়ে হলেও সাহায্য  করুন, নিজের বিবেকের কাছে নিজেকে পরিস্কার করে নিন। 

কারো উপকার করতে পারা খুবই শক্ত কাজ। সে সুযোগ এসেছে। উপকারে লাগান নিজেকে। এই সুযোগ হেলায় হারাবেন না।

রূপের কথা নয়, নিছক রূপকথাও নয়!

অনেক তো কথা হলো। ফুলের কথা, গাছের কথা, জীবনের কথা। রূপ-অরূপের কথাও তো হয়েছে কত! এসো না আজ পড়ি একটা নিছক রূপকথা! কিভাবে শুরু করা যায়, বলো তো? আচ্ছা ঠিক আছে। সেই চিরন্তন রূপকথার আদলেই হোক এ রূপকথার শুরু!

উট কী কুঁজে পানি সংরক্ষণ করে রাখে?

পড়তে শেখার আগেই বইয়ের প্রতি শিশুদের প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে ছবির বই দারুন প্রিয় হয়ে ওঠে শিশুদের কাছে। ছবি দেখেই তারা জেনে ফেলে অনেক অজানা তথ্য, চিনে ফেলে অচেনা ফল-ফুল, শাক-সব্জী, উদ্ভিদ-প্রাণী। এমন করে এক সময় তারা হাতে পায় বর্ণমালার বই। স্বরবর্ণ শিখতে যেয়ে তারা ‘উ’তে উট দেখে, যা চারপাশে দেখা অন্যান্য প্রাণীদের চেয়ে বেশ অন্যরকম। বিশেষ করে উটের পিঠের বিরাট আকারের কুঁজ তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে। আবার কোন বইতে তারা পড়ে, ‘উ’-তে উট, ‘উট চলেছে মরুর বুকে’। স্বাভাবিক ভাবেই শিশুরা জানতে চায় এই কুঁজের রহস্য। অভিভাবকদেরও উট সম্পর্কে খুব বেশী ধারণা না থাকায় শি

দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথ প্রান্তে

আপন মনে একান্তে পড়ে থাকা দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথ প্রান্তে। কেউ চেয়ে দেখুক বা না দেখুক কিছু যায় আসে না। আকৃষ্ট করার মত তেমন দৃষ্টিনন্দন শোভাও তেমন নেই কারো। তবু তারা আছে, থাকবেও টিকে আপন মনে, আপনার আনন্দ নিয়ে। এমনই কয়েকটা অবহেলিত গাছের তুচ্ছাতিতুচ্ছ ছবি। কারো নাম আছে, কারো বা নেই। আবার কারোর নাম আছে কী নেই তা নিয়ে তাদের নেই কোন মাথাব্যাথা, কোন কোন মানুষের নিশ্চয়ই আছে। আমার আপনার কী আছে?

১.

পথের পাশে

মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে উত্তর-দক্ষিণ বিস্তৃত এক জনপদে কেটেছে ছোটবেলা। সেখানে ফুল বাগান ছিল না, ছিল কাঁঠালবাগান, আমবাগান। গ্রামের পশ্চিমদিকের সবটাই ছিল বাগান, আমরা বলতাম বাগানের মাঠ বা বাগান মাঠ। বন-জঙ্গল বলতে যা বুঝায় তাও তেমন ছিল না। বাঁশঝাড় আর ঝোঁপ-ঝাপ যা ছিল, তাই ছিল আমাদের বন-জঙ্গল। সেই বন-জঙ্গলে ঘুরে এলে ‘জংলী’ বলে মায়ের বকুনী শুনতে হতো।

প্রতীক্ষার প্রহর ফুরোয় না যে আর

দোয়েল কোয়েল কেউ আসে না
কেউ দেয় না ধাক্কা দরজায়
বাজায় না কলিং বেল বা
নাড়ে না কেউ কড়া
মিছে প্রহর যায় কেটে যায়
যায় যে বেলা কেটে
দিন চলে যায় রাত্রি আসে
কেউ আসে না তবু।

ঈদের দিনে খুচরা আলাপ

ঈদ শুভেচ্ছা

সেই ২০০৩ সালে পুত্রবধু তিনটা অর্কিডের টব এনেছিল। তখন থাকতাম ধানমন্ডির সরকারি বাসায়। সরকারি চাকরি শেষ, বাসা ছেড়ে দিতে হলো। স্ত্রীর এক বান্ধবী আদাবরে পাশাপাশি দুটো ফ্লাটের মালিক। একটায় নিজেরা থাকে, অন্যটা ভাড়া দেয়। তার অনুরোধ ফেলতে না পেরে সে বাসা ভাড়া নেওয়া হলো। অন্যান্য মালপত্রের সাথে অর্কিডের টবও ট্রাকে উঠে গেল সেখানে। একটা অর্কিডের টব ক্ষতিগ্রস্থ হলো কিছুটা। পরে ধীরে ধীরে সেটা একসময় মরে গেল। একবছর কাটলো সে বাসায়। পুত্র আর পুত্রবধু পড়াশুনা করতে ইংল্যান্ডে চলে গেল। তার আগে মেয়েও তার সংসারের সব জিনিসপত্র আমার ঘাড়ে চাপিয়ে জাপানে চলে গেছে। আমাদের ঢাকা বাসের প্রয়োজন আর থাকলো না।

নির্মম কৌতুক

চরম আড্ডাবাজ সেলিম বিয়ের পরেও আড্ডার নেশা কাটিয়ে উঠতে পারে নি। স্ত্রীর মান-অভিমান, রাগ-অনুরাগ, শত অভিযোগ সত্ত্বেও আড্ডা তাকে ছাড়তে চায় না। বন্ধুরাও জুটেছে তেমন। সেলিম বিহনে তাদেরও আড্ডা তেমন জমে না। বাসায় স্ত্রী একা একা তারই অপেক্ষায় আছে জেনেও অফিস ফেরতা সেলিম সরাসরি বাসায় ফিরতে পারে না। বন্ধুদের কেউ কেউ এখনও বেকার। অনেকেই তাদের যোগ্যতার চেয়ে নিম্ন পেশায় যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে। তাদের সে সব দুঃখ মোচনের মোক্ষম উপায় হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে আড্ডা।

হৃদয়ের কথা

অণুকথনঃনিরাশা মোচন

 undefined

হাহাকার? কি লাভ হাহাকার করে?

যে গেছে সব কিছু ফেলে
তার আশায় কেন কাল গোনা?

মুছে যাক দুখস্মৃতি

স্মৃতি শুধু থাকে স্মৃতি হয়ে, কখনো বা হয়ে বিস্মৃতি,
অন্তরে দহন জ্বালা থাকে জাগরুক, জগতের রীতি।
আনমনে শিউরে উঠা, ঝরে যাওয়া মালা হতে ফু্‌ল,
মনে হয় সে কী ছিল, নাকি মিছে সব, সব ছিল ভুল!

কী হবে অলীকের পিছে ছুটে আর
কী লাভ মিছে আর করে হাহাকার;
যা আছে হাতের কাছে তাই নিয়ে সুখী হতে হবে
যা গেছে তা গেছে চলে, তা নিয়ে দুঃখ কেন তবে?

তোমাকে না পেয়ে

ভুল পথে হেঁটেছি তাই পাইনি তোমার নাগাল,
তা ব’লে হয়নি মিছে সেই পথ হাঁটা;
দীর্ঘ এ বিরহ কাল, কম পাওয়া নয়!
পথের ভুলে বিরহ, অপূর্ব আস্বাদ!

মাঝ গগনে রবির কঠোর হাসি
এরই মাঝে নিশার আঁধার দেখি,
সঠিক পথে হেঁটে তোমার দেখা পেলে
হয়তো পেতাম তোমায় আপন করে!
যা পেয়েছি, তা হতো না পাওয়া!!
 

সাঁতারে শূন্যতা

 এক.
সাঁতার জানি না তাই, হাঁটু জলে হাত-পা ছুড়ি।

একদিনের রোজনামচা

খুব ভোরে আজ ঘুম ভেঙেছে বৃষ্টির রিমিঝিমি শুনে।

আলস্য ভুলে বিছানা ছেড়েছি।
এমন দিনে কী আর মর্নিং ওয়াকে বের হওয়া যায়?

ফজরের নামাজ শেষে গরম এক কাপ চা
সাথে টোস্ট মুড়ি আর একটা কলা।
ঝমঝম ঝমঝম একটানা বৃষ্টি
থামবার নেই কোন লক্ষণ!
স্বল্পগতির আন্তর্জালের এ ডাল ও ডালে বিচরণ কিছুক্ষণ।
এ ব্লগ ও ব্লগ ঘুরে ফেসবুকে আড্ডা।

ঘরে আছে চাল ডাল মাছ মাংস ডিম
শব্জি আটা তেল নুন চা বিস্কুট দুধ।
গ্যাস সিলিন্ডার ভরা গ্যাসও আছে।
কাজেই চিন্তা কিসের?

ব্লু মুন

আজকের চাঁদ ‘ব্লু মুন’ বা নীল চাঁদ। আজকের জ্যোৎস্নাও কি নীল? না ভাই, চাঁদ বা চাঁদের আলো কোনটাই নীল নয়। তবু আজকের চাঁদ ব্লু মুন। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কোন একই মাসে যদি দুটো পূর্ণিমা হয়, তবে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদটিকে বলা হয় ব্লু মুন। কেন বলা হয় সে প্রসঙ্গে না যেয়েও আজকের এই ব্লু মুন আর তার জ্যোৎস্না নিয়ে উল্লসিত হওয়া যায়।

Pages