slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

সাহাদাত উদরাজী-এর ব্লগ

ফেসবুক বন্ধে সব চেয়ে খুশি আমার স্ত্রী!

সরকার ফেসবুক সহ কিছু সামাজিক সাইট বন্ধ করে দেয়াতে আমি অনেক অনেক খুশি হয়েছি। ফেসবুকের কারনে আজকাল পাঠে ও লেখায় তেমন মনোযোগ বসাতে পারছি না। সামান্য সময় পেলেই ফেসবুকে বিচরন করে ফেলি এবং নানান বন্ধুদের সাথে কথায় লেগে পড়ি, যার কোন তেমন মুল্য নেই বলেই মনে হয়! তাছাড়া মাঝে মাঝে কিছু স্ট্যাটাস দিয়ে বা আমার 'গল্প ও রান্না' সাইটে বন্ধুদের নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালাই, এটাও নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ানোর মত ব্যাপার!

খাদ্যে ভেজাল যতক্ষন না বন্ধ হবে, আমি বলেই যাব!

অনেকে বলেন বা ভাবেন আমি কেন সরকারের সমালোচনা করি! আমি কেন সরকারের বিপক্ষে কথা লিখি!

কিন্তু গভীর ভাবে ভেবে দেখুন সরকারের সমালোচনা না করে আমাদের উপায় কি? ধরা যাক একটা পরিবারের কথা। পরিবারের প্রধান যদি ভাল না হন তবে সেই পরিবারটা কি ভাল চলে। পরিবারের প্রধানের বিবেক, বিবেচনা, বিচারিক ক্ষমতাই সেই পরিবার ভাল থাকার প্রধান উৎস। পরিবারের প্রধান যে সিদ্বান্ত নেবেন, সেটাতেই পরিবার চলবে এবং পরিবারের ভাল মন্দ সেটার উপরেই নির্ধারিত হবে।

জীবনের হাসি কান্না ৪৯

অনেক দিন ধরে উন্মোচনে লগ ইন করি না। মাঝে মাঝে দেখে যাই মাত্র। আসলে কি লিখবো। জীবনের হাসি কান্নায় আমি যে দুটি ঘটনা খুঁজে বেড়াই তা আসলে খুঁজে পাচ্ছি না অনেকদিন। যে কয়েকটা ঘটনা লিখতে ইচ্ছা হয়েছিল, তার উপযুক্ততা শেষে আর পাই নাই। আজ সকালে একটা হাসির ঘটনা পেয়ে ভাবলাম আজ লিখে ফেলি। অর্ধ সেঞ্চুরী হতে আর এক রান বাকী থাকবে!

জীবনের হাসি কান্না ৪৮ (১৬+)

মানুষের জীবনে এমন সময় আসে যা কাউকে না যায় বলা, না যায় সহ্য করা। এমনি কিছুটা সময় হয়ত আমি পার করে দিচ্ছি। মাথায় থাকা কিছু প্লানিং বাস্তবায়িত হচ্ছে না। অনেকটা ক্রিকেট খেলার ব্যাটসম্যানের মত, কয়েকটা বল ভাল খেলে নিজে এবং দর্শকদের আনন্দ দিয়ে এমন বলে বোল্ডআউট যে নিজের বিশ্বাস হয় না! এই ধরনের ব্যাটস ম্যান ক্রিজ ছেড়ে আসতে চায় না! ব্যাট দিয়ে তার মিস করা বলের গতি পথে বার বার চেষ্টা বা ভঙ্গি করে থাকে! ইস, এমন করে হিট করতে পারলে বল হয়ত স্ট্যাম্পে লাগত না! কিন্তু একবার বলে স্ট্যাম্প হয়ে গেলে আর কিছু করার নাই, প্যাভেলিয়নে ফিরে যেতেই হয়! 

জীবনের হাসি কান্না ৪৬

উপজেলা শহরের দুই ডাক্তার সাহেবের কথা! একজন এমবিবিএস আর অন্যজন হাতুড়ে! কিন্তু হাতুড়ে ডাক্তার সাহেবের কাছেই লোকজনের বেশী ভীড়। কারন তিনি কাটা ফোড়া সব কিছু করে ফেলেন মনের আনন্দে! রোগীরা সাফল্য পায় কম টাকা খরচ করেই। এদিকে  এমবিবিএস ডাক্তার সাহেব পড়লেন মহা সমস্যায়, তার কাছে রোগী আসে না! এবার তিনি বুদ্দি করে সেই হাতুড়ে ডাক্তার সাহেবের কাছে গেলেন। তাকে মানব শরীরের বেশ কিছু বই পত্র দিয়ে পড়তে বললেন। হাতুড়ে ডাক্তার সাহেব বই গুলো পড়ে দেখে এমনই ভীত হয়ে গেলেন যে, তিনি আর চিকিৎসা করতে পারলেন না! বই পত্রে কত শিরা উপশিরার কথা পড়লেন, তার মনে হল তিনি এতদিন কত মানুষের উপশিরা কেটে ছিলেন!

জীবনের হাসি কান্না ৪৫

প্রতিদিন এই দুনিয়াতে কিছু না কিছু নুতন আবিস্কার হচ্ছেই। কিংবা প্রযুক্তিতে কিছু না কিছু আপডেট (শব্দটার প্রযোগ এখন সর্বজনীন) হচ্ছেই। প্রযুক্তির এই আপডেট আমাদের দৈনিক প্রয়োজনে কাজে লাগছেই (অবশ্য এই সকল প্রযুক্তি ছাড়াও মানুষ বেঁচে থাকে এবং থাকা যায়)। তবে আমরা যদি প্রযুক্তি ব্যবহার কারী হই এবং প্রযুক্তির সঠিক মাত্রা বা দিক ব্যবহার করি তবে আমাদের এই জটিল চলার পথা সহজ হতে বাধ্য।

জীবনের হাসি কান্না ৪৪

আজ আমার জন্মদিন। দেখতে দেখতে দিন গড়িয়ে সাপ্তাহ, সাপ্তাহ গড়িয়ে মাস, আর মাস গড়িয়ে যাচ্ছে বছর! জন্মদিন একটা মাইল ফলক, জীবন চলার পথের প্রতীক। জন্মদিন মানে সেই প্রতীক দেখেই মনে পড়ে, গেল আরো একটা বছর গেল! কিন্তু আসলে কি! পৃথিবী থেকে বিদায়ের পথে দেখে যাওয়া বছরের মাইল ফলক জন্মদিন দেখে আমি আসলে এখন আর খুশি হতে পারি না! অথচ দিন যত যাচ্ছে, এই জন্মদিন নিয়ে মাতামাতি আরো বেশি হচ্ছে! সবাই খবর পেয়েই যাচ্ছে! 

জীবনের হাসি কান্না ৪৩

জীবনের হাসি কান্নায় আজ কান্নার গল্পটা মনে মনে সাজাতে পারলেও হাসির ঘটনা কিছুতেই সাজাতে পারছিলাম না।

সকাল থেকে মন ভাল যাচ্ছে না, আমার একজন প্রিয় মানুষ গতকাল রাতে বাসায় ফিরেন নি। এর চেয়ে আর কি কান্নার গল্প হতে পারে? গতকাল সকালে তিনি যথারীতি অফিসে গিয়েছেন এবং তার পর থেকেই লাপাতা। পাঠক কুলের ভয়ের কারন নেই, তিনি গুম, খুন কিংবা অন্য কোন হত্যা সমস্যায় পড়েন নাই বলে মোটামুটি আমি নিশ্চিত। তিনি ইচ্ছা করেই নিজ থেকেই পালিয়ে গেছেন বা আছেন। আমি অনেকবার তার ফোনে ফোন দিয়েছি, কিন্তু ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঠিক তিনি এই সময়ে কোথায় আছেন কিংবা গতরাতে কোথায় ছিলেন তা জানতে পারলে মনের অবস্থা ভাল হত।

জীবনের হাসি কান্না ৪২

অনেকে মনে করে থাকেন লেখালেখি সহজ ('খুব সহজ'ও হতে পারে) কাজ। কিন্তু আমরা যারা হালকা পাতলা লেখালেখি (আমি নিজকে লেখক দাবী করি না) করে থাকি, তারাও বুঝতে পারি যে, লেখালেখি আসলে সহজ কাজ নয়! লেখালেখি দেখতে এবং পড়তে খুব সহজ হলেও যিনি লিখে থাকেন তার কাছে গেলে বুঝা যায়, তিনি কতটা কষ্ট করে এক একটা লেখা পাঠক/পাঠিকার সামনে নিয়ে আসেন। শিল্প সাহিত্যের অনেক বিভাগ অনেক কঠিন হলেও লেখালেখিটাকে আমি মনে করি একটা কঠিনতম শাখা।

জীবনের হাসি কান্না ৪১

বাংলাদেশ একদিন উন্নত এবং ধনী রাষ্ট্র হবেই এটা আমার বিশ্বাস। চির দারিদ্রের এই দেশ থেকে একদিন দারিদ্রতা হারিয়ে যাবেই! দারিদ্রতা খুঁজতে একদিন আমাদের মিউজিয়ামে যেতেই হবে! সেই মিউজিয়ামে আমি না যাবে হয়ত, আমার নাতির নাতি যাবেই! এটা হবেই, আমার বিশ্বাস! 

জীবনের হাসি কান্না ৪০

ফেইসবুকের গুনাগুন নিয়ে লিখলে সাগরের পানি যদি কালি হয় তবুও কম পড়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। কি এক জিনিষ বের করল এই দুনিয়ায়! নেটের দুনিয়ায় ফেইসবুকের রাজ্যত্ব কবে শেষ হবে তা বলা মুস্কিল! আর এদিকে নেট ব্রাউজিং এর জন্য এক এক ডিভাইস যে হারে দুনিয়াতে আসছে তাতে শেষ কোথায় বলা মুস্কিল। মরার পর ফেরেস্তা যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে, দুনিয়াতে কি কি দেখে আসছ! আমি এক বাক্যে বলে দিব, আমি স্যামসং গ্রালাক্সী নোট টু দেখেছি এবং হাই স্পীড ওয়াইফাই দিয়ে নেট ব্রাউজ করেছি! ফেইসবুকে জানা অজানা পরিচিত অপরিচিত বন্ধুদের স্ট্যাটাস পড়ে হেসেছি, কেঁদেছি এবং লাইক দিয়েছি! এর পর ফেরেস্তা আর কিছু জিজ্ঞেস করবে কি না বলতে পারছি না!

জীবনের হাসি কান্না ৩৯

ঢাকার মতিঝিল কলোনী, কমলাপুর, শাহজাহানপুর, শহীদবাগ, মালিবাগ, শান্তিবাগ সহ এই সব এলাকায় আমি আমার জীবনের অনেক সময় কাটিয়েছি। বিশেষ করে মতিঝিল মডেল স্কুলের ছাত্র হিসাবে মতিঝিল কলোনী এবং কমলাপুরে এক বড় সময় কাটিয়েছি! কমলাপুরের বাসস্ট্যান্ডে, বাবুর হোটেলের আড্ডা এবং কলোনীর মাঠে সন্ধ্যার পর দাঁড়িয়ে কত আড্ডা দিয়েছি তা মনে হলে এখন নিজের কাছেই লজ্জা লাগে! হা হা হা... আবার এই ভেবে আনন্দ লাগে যে, আড্ডা হচ্ছে মানুষের প্রান! সেই আড্ডা যদি কোন মানুষ না দেয় তবে বাঁচে কি করে? আড্ডাহীন মানুষ কি করে সময় কাটায়, কি করে জ্ঞান বাড়ায়? 

জীবনের হাসি কান্না ৩৮

গত দুইতিন দিনে অফিসের কাজে বাংলা ব্লগে আসতে পারি নাই। আজ সকালে নিজের লেখা ব্লগ গুলোতে কোন নুতন কমেন্ট আছে কি না তা দেখে আবার কাজে লেগে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমার লেখা একটা পোষ্টের একটা কমেন্ট দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লাম। কমেন্টটি লিখেছেন একজন অজ্ঞাত পরিচয়ের পাঠক। ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে যে কেহই কমেন্ট করতে পারে বা তার সুযোগ আছে, শুধু নিজের একটা ইমেইল থাকলেই (অবশ্য এই ইমেল সঠিক না হলেও চলে, কোনমতে ইমেলের আকার হলেই চলে) হল। কমেন্টটা যদিও আমার জন্য চরম অপমানের তবুও আমি তা তুলে দিচ্ছি আপনাদের দেখানোর জন্য (অবশ্য ব্লগ থেকে লজ্জায় কমেন্টটা মুছে

জীবনের হাসি কান্না ৩৭

বন্ধুর জন্মদিন ছিল কয়েকদিন আগে। এক সন্ধ্যায় বন্ধু জানালো, আজ সন্ধ্যা রাতে কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খাবে। আমাকে ওরা অফিস থেকে তুলে নেবে। অফিস শেষ করেও আমি অফিসে বসে আছি। নেট ব্রাউজিং আর অফিসের টেবিল চেয়ারের চোহারা দেখে সময় কাটছিলো না। ফোনে ওরা বলছিলো আসছে, কিন্তু আসতে এত দেরী কোন। অবশেষে ৬টার আসা ওরা আসলো ৮টায়। সহজ উত্তর রাস্তায় যানজট। আমাদের গাড়ী গুলশানের দিকে রাওয়ানা হল।

Pages