slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

এমদাদুল হক তুহিন-এর ব্লগ

শব্দের তীব্রতা!

 

খট করে শব্দ হলেও ধ্রুবের ঘুম ভেঙে যায়, আর তার মাত্রা যদি বেশি হয় তাহলে তো কথাই নেই। শব্দের মাত্রা নাকি ২৫ ডেসিবেল বলে তা নাকি মানুষে কানে পৌঁছায়, কিন্তু গুটি কয়েক মানুষের জন্য এই নিয়ম নয় তারমধ্যে ধ্রুব সবার এক নম্বরে। ১৫ হলেও তার কানে পৌঁছাবেই সে ধ্বনি সে যত কর্কশ বা মধুর হোক। ঘুমন্ত অবস্থায়ও তার মস্তিষ্ক জাগ্রত থাকে, কি জানি ভাবে। অনেকটা পাগলের মত।

ব্লগারদের একত্রিত হওয়ার নতুন প্রয়াস

ব্লগার ও ব্লগ শব্দটিই আজ কুলশিত হয়ে গেছে কিছু মূর্খ মানবদের আদি আচরণের মতই আচরণের জন্য। ব্লগ সম্পর্কে কিছুই না জেনে অনেক ইমাম সহ ব্লগ সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা ব্লগে লিখা মানেই নাস্তিকতা নিয়ে লেখা ভাবে। ব্লগাররা মানেই নাস্তিক একথাটা বলা এখন ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে। হয়ত কিছুটা ভুল ছিল ব্লগার সমাজের, বুঝাতে পারে নি সাধারণ নিরক্ষর মানুষকে ব্লগে কি হয় বা কি হচ্ছে। ব্লগে কি শুধুই যোদ্ধাপরাধী নিয়ে লেখা, না তাতে থাকে সমাজ দর্শন, মানবতা, অর্থনীতি, সাহিত্য, সমসাময়িক সকল বিষয় তা বুঝাতে আমারাই অক্ষম হয়েছি। হয়ত তার জন্যেই আজ সমাজকে দুটি ভাগে বিভক্ত করার সুযোগ পেল জামাতী প্রেতাত্মারা। নতুবা কিছু ম

প্রিয়ার পোর্ট্রেট !

জান ও জানগো তোমার কেশে এত মিষ্টি গন্ধ কেন?
তোমার ব্যবহৃত মেকআপ আর পারফিউমের স্মেল যেন
আমার শরীরের প্রতিটি অঙ্গকে ফিসফিসিয়ে কি যেন বলে
তোমার উত্তপ্ত-তাময় অঙ্গরা আমায় খুব কাছে টানায় ব্যাকুল হয়ে
কয়, আমার প্রতিটি অঙ্গের নগ্ন ছবি ভেসে উঠবে তোমার চোখে।
প্লিজ পাখিটি তুমি আমার চোখের সামনে নগ্ন হয়ে বসো
পেনসিলের যৌনতায় চিত্রিত হোক তোমার নগ্নতা
আহ! কি অনুভব! আহ কি ভালোবাসার মায়া!
এই জান একটু আমার দিকে তাকিয়ে উষ্ণ অধরের
ক্ষুধাতুর ভাবে আমার চোখে চোখ রাখো......
মাই সুইট হার্ট, প্লিজ গিভ মি এ সুইট মোমেন্ট
আই ওয়ান্ট টু ড্র ইউর সেক্সি পোর্ট্রেট ।

আমরা মানুষরে ভাই!!!

আস্তিকতা বা নাস্তিকতা কিছুই বুঝি না
আমি হিন্দুও না আমি মুসলিমও না
আমি খ্রিস্টান নয় আমি বৌদ্ধও নয় 
আমি মানুষ, আমি মানুষ, মানুষ!
 
আমি মুক্তমনাও নয়, 
আবার সংকীর্ণতাতেও নেই
আমি বাম বা ডান পন্থীও না
আমি শুধুই জনতার দলে, 
আমি জনতার দলে, জনতার দলে। 
আমি মানুষের দলে, মানুষের দলে!
 
আমরা আমার ভাইয়েয়ের রক্তের কথা বলি
আমারা বোনের সম্ভ্রম হারানোর ব্যথা জানি 

জামাত-শিবির সম্পর্কীত সতর্কতামূলক পোস্ট!!!!

হাজার হাজার শিবির কর্মী আমাদের শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করার স্বার্থে জনতার কাছে ইচ্ছে করে ধরা দিচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে, আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা এবং জনরোষে ধোলাই খাওয়া যাতে করে আন্দোলনের গতি কমে যায়। তাই আমাদের সকলের উচিত এদেরকে কোন রকম মারধোর না করে ধরার সাথে সাথে নিকটস্থ থানায় বা আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে। কোন ভাবেই এদেরকে মেরে হতাহত করবেন না। কারণ হল, এরা চাইছ তাদের একজন কর্মী মারা যাক বা গুরুতর-ভাবে আহত হোক। যেন তারা আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত বা একে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এরা চাচ্ছে বিভিন্ন কলাকৌশল ব্যাবহার করে জনমনে প

তোরা এসে দেখে যা শাহবাগ

তোরা এসে দেখে যা ওহে ও বাঙ্গালীরা
তোরা এসে দেখে যা শাহবাগ প্রান্তর
এখানে কেঁদে কেঁদে মরছে হাজারো অন্তর
এতো পরাজয়ের কান্না নয়, এতো বাঙ্গালী
স্বত্বাকে অপমান করে রাজাকারের বিজয়
চিহ্ন দেখানোয় কন্নায় বয়ে যাওয়া বন্যা।
তাইতো কান্নারত হৃদয়ে আগুনের লেলিহান
বাঙ্গালী স্বত্বায় বয়ে যাচ্ছে বিদ্রোহের তুফান
এই বিদ্রোহ বাঙ্গালীর অস্তিত্বের বিদ্রোহ
অপবাদ, অপমান আর কলঙ্ক মুছে ফেলার প্রবাহ
রাজাকার দোসরদের ফাঁসি মঞ্চায়নের আবহ
প্রতিবাদ আর গর্জনে প্রকম্পিত হোক তোদের দাহ।
গর্জন তুলে বলতে চাই আমারা কোন,
স্বার্থান্বেষী মহল নয় আবার তোদের মিত্রও নয়

বৃষ্টি বিলাস !!

আমার চোখের সামনে অশ্রু ঝরছে টপটপ
তালেতালে বেড়ে চলছে এখন বৃষ্টির ঝপঝপ,
বিজলিতে বিজলিতে প্রকম্পিত সাদা আকাশ
উদাস আর উন্মাদনায় পাগলকরা বাতাস।

বৃষ্টির দিকে একপানে চেয়ে থাকা দৃষ্টি
আমায় উদাস থেকে উদাসতর
উন্মাদ থেকে উন্মাদতর
করে চলছে অবিরত,
মাদকতা আর উন্মাদনার শেষ সীমা-লগ্নে
বৃষ্টির এক ফোঁটার আলতো স্পর্শের অনুভবের আশায়
কিন্তু না, কেন জানি বৃষ্টি ছোঁয়া হয় না !

আজকাল মনে হয়-
আমার চোখের অশ্রুগুলোই ঝরছে বৃষ্টি হয়ে
আমার মনের আর্তনাদগুলোই গর্জন করছে বিজলি হয়ে
তাই মন বলে
ছোঁয়া না ছোঁয়া পিছে কারণগুলো কি মিছে?

আবেগ নয় শুধুই ছলা !!

অঞ্জনা আজ শুধুই তোমার কাছে মার্জনা
জানি তা সম্ভব নয়
তারপরও বলছি-
যে দিন তোমার সাথে প্রথম কথোপকথন 
দুষ্টুমিতেই সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম ইতিহাসের পত্তন,
ভুলে যাব না যখন প্রচণ্ড দাবদাহে মাথার উপর বরুণ
বলেছিলাম সারাজীবন থাকব তোমারই পাশে আমরণ ।

কিন্তু জানো এ আবেগ গুলো মিথ্যে ছিল না
সমীরণের মতই বিরাজমান ছিলে আমার পাশে
সূর্যের আলোর মতই দীপ্তি ছড়াতে আমার উল্লাসে,
সু সংবাদে তোমার ওষ্ঠের হাসিই ছড়িয়ে পড়ত আমার মুখচ্ছবিতে
সত্যি বলতে কি স্বার্থের কাছে সবি ছলাকলা আর শ্লেষ !

তোমাকে কতবার বলেছি তুমি আমার হৃদয়ের চন্দ্রমা

বৃষ্টিস্নানে প্রিয়া

আতর্বের পরিবর্তে দিকে দিকে স্ফূর্তি
আনন্দে উল্লাসে উদ্ভাসিত মনে সবার স্ফীতি,
প্রকৃতি আবার অপার অবয়বে যা তার রীতি
বৃষ্টির ধারায় উচ্ছ্বাসিত লালসা নাই তার ইতি।

বৃষ্টিরও বাদল ধারায় চক্ষু-পটে কারো প্রতিমূর্তি
ভেসে উঠে আবেগের ছলচাতুরী যত সব আর্তি,
মনের পানেই বিচরিত থাক সব, আজ শুধু ফুর্তি
প্রিয়ার হাতে হাত রেখে বৃষ্টিস্নানে মনে নেই কান্তি।

পাশাপাশি হাঁটাহাঁটি হাতে হাত
বৃষ্টির ধারায় মুছে যাক সব আঘাত,
চোখের বর্ষা মুছে দিয়ে তুমি আজ আগত
অসম ভালবাসায় শুরু হোক বৃষ্টিস্নানরত প্রতিটি প্রভাত।

মেঘলা মেয়ের শান্ত!!!

উৎসর্গ- মেঘলা ও মেঘলা মেয়ের শান্তকে।

আজ কটা দিন যাওয়া হচ্ছে না ছাদে
পরীক্ষার ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও মনটা পড়ে রয়েছে তাতে
বুঝতে পারছিলাম এরই নাম ভালবাসা
ছাদের পানেই বিচরিত আমার সব আশা ।

লেখাপড়ায় আজ অনেক ক্লান্ত
মনটা থাকে না বদ্ধ ঘরে শান্ত,
এরই মাঝে মায়ের ডাক
কলিং-বেলের শব্দ,
দেরাজ খুলে বেরিয়ে আসতেই
মা বললেন- মেঘলা এসেছে
আচ্ছা মাগুলো এত সহজ সরল কেন হয়?
সন্তানের ভালো লাগাটা বুঝতে পারেন বলেই বোধ হয়!
মা বললেন- আমি নাস্তা নিয়ে আসছি,
তোরা কথা বল -
আমি কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম
কেমন আছো মেঘলা?

হে আকাশ!

হে আকাশ
তোমার দিকে তাকিয়ে থাকা প্রতিটি নিঃশ্বাস
পাবে কিনা জীবনে তার কাছ থেকে কোন আশ্বাস
ভালবাসতে হলে প্রয়োজন কতটুকু বিশ্বাস!

তোমাকে পাওয়াই ছিল যার ব্রত
তার মনে আজ তোমার তরে কত ক্ষত
আকাশ দেখে
বাতাস দেখে
শুধু তুমি দেখ না!
তাই বলে কি সে কষ্ট পাবে না?

চোখে কি কোন অশ্রু আসবে না, তার
ভালবাসি বলেছে তোমায় কত বার
ঠিক করে কি বলতে পারবে একবার?

একটি কবিতা লিখি কার জন্য !

একটি কবিতা লিখি কার জন্য
মন হয়ে যায় আজ বিষণ্ণ;
দিকে দিকে নেই আজ কোন অন্ন
তাইতো আজ হয়ে গেছে অনেকেই বন্য!

বন্য জীবনে বন্য বেশে
দেখতে হয় অট্ট হেসে;
অন্নরা সব ডাস্টবিনে
বন্যরা সব কুকুর বেশে;
দিনের পর দিনান্তের শেষে
পরে থাকে ডাস্টবিনের পাশে।
 
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁতরে উঠে
ঘুরে ফিরে ডাস্টবিন দেখে;
হঠৎ করেই খুজের বেশে
দেখে উঠে কুকুরগুলো ডাস্টবিনে বসে।

বন্যরা সব কুড়িয়ে খায়
ময়লাযুক্ত নোংরা ফ্রাই;
দিকে দিকে আজ অন্ন নাই
মন কাঁদে আমিও যদি বন্য হয়ে যাই?

আসুন না, একটু পরিবর্তন হই...............।।

একুশে


একুশের কষ্টের বিনিময়ে অর্জিত কথা
ভুলব না বাংলার মাটিতে রক্ত লাগার ব্যাথা,
লেগেছিল সে দিন রক্তের আভা
একুশ হয়ে গেছে আজ বিশ্বের শোভা।

মায়ের বুকের শেষ আশ্রয়ের লুটিয়ে পড়া
বোনের আদরের ভাইটির তরে আজ কত ক্ষরা,
বাবা হারা বাংলার সন্তানের কান্না
স্বামীর জন্য স্ত্রীর হাতের তৈরি রান্না,
ধ্বংস করেছিল সেই নরপশুরা
লুটিয়ে পড়েছিল বীর ভাইয়েরা ।

রক্তে লাল সেই বায়ান্ন
কেড়ে নিয়েছিল মায়ের মুখের অন্ন!
বাংলার আকাশ বাতাস বলেছিল সেদিন
কথা বলব মায়ের ভাষায় চিরদিন।

সেই দিনের প্রতিটি রক্তবিন্দু-

ভিক্ষুক ছেলেরা !!!

অনুভবে প্রিয়া !!!

ব্যস্ততাময় এই গতিপথে
তোমার কথা মনে পড়ে,
ঘুম ঘুম ঘুমন্ত চোখে
তোমার ছবি ভেসে উঠে ।


লেখাপড়ার ফঁকে ফাঁকে
তোমায় দেখতে ইচ্ছে করে,
কর্ম ব্যস্ততার ক্লান্তিতে
কথা বলতে ইচ্ছে করে ।


গন্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে
আকপটে ভেসে উঠে,
তোমার আমার ভালবাসায়
শীতের সকালের সূর্য উঠে ।


রাতের এই গভীরতায়
গভীর মনে পড়ছে তোমায় ,
স্তব্দতাময় পৃথিবীতে
তোমার পৃথিবী ভেসে উঠে ।


রাতের এই নির্জনতায়
খুব মনে পড়ছে তোমায় !
শীতের এই হিমলতায়
অনুভব করছি তোমায় !!


Pages