slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

ব্লগ

শিক্ষক

হান্দার পট্টির সামনে আইয়াই ধরা খাইলাম। ঝমঝমাইয়া বৃষ্টি নামল। মেজাজটা চইষা গেল। বিষ্টিরে খানকির পুলা কইয়া গালি দিবার ইচ্ছা হইল। কিন্তু দিবার পারলাম না। তার আগেই বুইড়া বুইড়া বৃষ্টির ফোটা নাইমা আইতে লাগল।

কোনো বাড়ির সামনে খাড়াইয়া যে এট্টু আশ্রয় নিমু তারও উফায় নাই। হান্দাররা এমনেতেই জ্যান্দর। বাড়ির সামনে হাইগামাইগা থোয়। বড় বড় নাড্ডিলা গু দেখিয়া পেট মোচড়াইয়া বমি আসে। গরুর নাড়িভুরি, ঘাউয়ালা কুইত্তা ও ক্যাঁও ক্যাঁও করা কুত্তার বাচ্চা আর কাচা চামড়ার গন্ধে হান্দার পট্টি চিরকালই একটা অশান্তিপূর্ণ অন্ধকার। ফলে এইটুকু রাস্তা পাউ চালাইয়া আইগিয়া যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাম।

আমাদের অতীত, নুতন উপাচার্য ও স্বপ্ন...

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আন্দোলনের পর, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমস্যার  মীমাংসা হয়েছে। পতন হচ্ছে উপাচার্যের। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্দোলন ছিল এই উপাচার্যের বিরুদ্ধে। লেখার শুরুতে এই উপাচার্য সম্পর্কে দু একটা কথা বলে রাখি। উপাচার্য শরীফ এনামুল কবীর একজন পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানী। রসায়ন শাস্ত্রে তার মৌলিক গবেষণা রয়েছে বলে আমি শুনেছি। তার পরও উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর থেকেই সাধারণ ছাত্রদের অনেকেই তার নাম বিকৃত করে ডাকে।

লাভ মেশিন (শেষাংশ)

সরদার স্যার একবার কথায় কথায় বলছিলেন, দেখবা যতগুলা মানুষ ততগুলা বই, প্রতিটা মানুষ একেকটা বইয়ের সমানখুব সম্ভব এমন করেই বলছিলেন

ঝড়-বৃষ্টি

ঝড় এলো ঝড়
বাতাসেরা মারে চড়
ধূলো দেয় মাখিয়ে
গাছ পালা ঝাঁকিয়ে।

কালো মেঘ আকাশে
ভয়াল রুপ প্রকাশে,
গুরু গুরু ডাকে
রাখাল বালক হাঁকে।

মাঠে বাঁধা ছাগল
হয়ে গেছে পাগল
ছাগলের দিল লাফ
বৃষ্টিরা দিল ঝাঁপ।

আঁধার যেন রাতি
ঝড়েদের মাতামাতি,
ঘরে ঢুকে দেই দোর
বৃষ্টিঝরে বাহিরে অঝোর।

রাজনীতির বিষাক্ত ছোঁবল...

ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলছিলাম বিএনপি নেতাদের আত্মসমর্পন বিষয়ে, যদিও আমি আইন-আদালত সম্পর্কে খুব একটা জানি না। কথা বলতে গিয়ে বুঝতে পারলাম বিএনপি নেতাবৃন্দ এবং ব্যারিস্টার মঊদূদ আহমদ এবং আরও কয়েকজন আইনজীবীর উপর উনি প্রচন্ড ক্ষেপা… কারন জানতে চাইলে উনি যা বললেন তার সারাংশ হল… “ বিএনপি নেতৃবৃন্দ জেনে শুনেই মেজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন মূলত রাজনৈতিক ইস্যু তৈরির জন্য। কারন মেজিস্ট্রেট আদালতের জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা নাই। বিএনপির বড়বড় আইনজীবীরা কি বিষয়টা জানতো না…? পাশেই দায়রা জজ আদালত, কেন ওখানে গেলেন না?

নেপাল, প্রচণ্ড এবং সংবিধান

পুরো নেপাল স্থবির হয়ে আছে। হরতাল চলছে দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। দেশের জেলায় জেলায় বিভিন্ন সংগঠন, গোষ্ঠী অথবা রাজনৈতিক দল আলাদা আলাদাভাবে হরতাল ডেকেছে, স্থানীয়ভাবে সেগুলো সফলও হচ্ছে। দাবিগুলো স্থানীয়ভাবে যথেষ্ট যুক্তিপূর্ণও। কিন্তু এই স্থানিক যৌক্তিক দাবিগুলো নেপালকে রাষ্ট্র হিসেবে স্থবির করে দিচ্ছে। রাজনীতিবিদরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে পারছেন না। সোমবার (১৪ মে ২০১২) দিনব্যাপী সংলাপের পর মঙ্গলবার তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে এই সমঝোতা মেনে নিতে পারেনি অনেক রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। চতুর্থ প্রধান রাজনৈতিক জোট, যারা আবার নেপালের আদিবাসী ও দলিত জাতিগোষ্ঠীর সর্ববৃহত্তম ঐক্যজোট

স্বপ্ন- ১

সমস্যা হারুকে নিয়া। মাছের কাটার মতো গলায় আটকাইয়া আছে, বিপদ এবং সমূহ বিপদ। হারুরে আর সহ্য করা যাইতেছে না। একদা হারুর বন্ধু মহল অতিষ্ঠ হইয়া উঠলো। শান্তি নাই, হারু কাউরে শান্তিতে থাকতে দিতাছে না। একই সাথে হারুর চরিত্রেও কেমন যেন এক ধরনের রহস্যময়টা ভর করে; কেন যেন কিছুই পরিষ্কার না, স্বচ্ছ না। একধরনের ধোয়াচ্ছন্নতায় আশে-পাশের এবং দূরের মানুষজনেরও চোখ জ্বালা করতে থাকে। এই জ্বালাময়টায় তো আর হারুর বন্ধু-স্বজন তাদের বউ এবং বাচ্চা নিয়া দিন পার করতে পারতেছে না। ব্যাচেলার বন্ধু গন তাদের বান্ধবী সমেত এই বিশৃঙ্খলায় পরিয়া গেলে, দু-পাঁচ জন সবল এবং প্রতিবাদী বন্ধু প্রতিবাদ করে উঠে এবং হারুর এই ক

অনুপ্রবেশকারী ও দীর্ঘ য-ফলা

ল্যাম্পপোষ্ট ঘেঁসে একে বেঁকে চলে গেছে নরম তার। নদী। লেত্তি বা ভাঙ্গা হাটের পিছুটান। সবশেষে নেমে আসে পাখির ডানাটি, তার এলোমেলো বাসা; অশ্রুত নামের কোন এক পরির চুলের মত সুতীব্র ফেনায় বিদিশার নেশা। দীশাহীন মরুঝড়, খড়ে খড় ক্ষরক্ষর। বৃষ্টি নামে অতীত গোপন স্কুলে।

 

এক তরফা

“লাস্ট বেঞ্চ কর্নার- বাইরে যা তুই, এই মুহূর্তে বাইরে যা!”

--মুস্তাফিজ স্যারকে স্মরণ করলে আমার প্রথমে মনে পড়ে এই বাক্য, এরপর তার হাসিমাখা স্নেহার্দ্র মুখ, তারপর আর সবকিছু। এইট, নাইন, টেন-- টানা তিন বছর ক্লাস পেয়েছিলাম স্যারের। কিন্তু হিসেব কষলে দেখি, তাঁর মোট ক্লাসের প্রায় অর্ধেকটাই আমার কেটেছে ক্লাসের বাইরে করিডোরে দাঁড়িয়ে, কানের লতিতে হাত ঝুলিয়ে!

দুরন্ত ষাড় আর একশ একটি নীল পদ্মের টানে ! (২)

 আমরা যে গেট দিয়ে ঢুকেছিলাম সেখানে গিয়ে দেখি গেট তালাবন্ধ ,তাহলে উপায় ? উপায় একটাই সবাই পাস দিয়ে যে গেট দিয়ে ঢুকেছে সেদিক দিয়ে বের হওয়া , ঐ গেটে যেতেই দেখি আবার পাস চেক করে করে বের করছেন ,আমাদের তো পাস নাই তার মধ্যে একবার সেই আগুন্তুক আপার সাথে গেটের লোকজন দেখেছে যে এরা ঢুকতে এসেছিল , আমাদের কে দেখেই বলে কি ব্যাপার আপনারা কিভাবে ভিতরে গেলেন ,আপনাদের পাস কই ? পাস দেখাতে পারছিনা ,তাহলে তোরা ভিতরে ঢুকছিলি চুরি করে চুরি করতে না হয় কোন মেয়ের রুমে ঢুকছিলি আকাম করতে ! মুহূর্তের মধ্যে সিকিউরিটির দায়িত্বে থাকা এই ভদ্র লোকের কথার ধরন পালটে গেল, আপনে থেকে তুই , চোর !

গাদারা যেই কারনে পানি গোলা করে

মায় খাওন রাইন্দ্যা দিলে চউদ্দরহম বাবে চুল বাইন্দা গুরন যায়।
গাদার বাচ্চাগুলাতো এতিম। ছডিগরেই মা গাদাডা মইরা গেছে।
এহন তাগো আনাজপাতি জোগার করন লাগে, রান্দন লাগে।
হেরপর যাও একরহম চুল বান্দে, চুলার তাপে হেইয়া চুম্রাইয়া থাহে।
হেল্লিগা এহাত্তুরের পর থিকা, কেউ কয়, গত পইঞ্চাশ বছর দইরা-
কুনো "বিন্যস্ত কেশ বোস-বসু" পয়দা অয় নাই।

গরিবের এইএক জালা, চুল ঠিক করব না চাল-চুলা ঠিক করব- দিশা পায় না।
বেদিশা গাদারা তবু এই আশায় পানি গোলা করে-
তাগো বংশে একদিন একটা চতুর চউদুরি বিয়াইবো।
হে কি আর অয়!

প্রচলিত ভুল (৫)

একটি ভুল ধারণা: শাহজালাল রাহ. ও শাহজালালের মাযার কি এক বিষয়?

প্রচলিত ভুল (৪)

কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা কি নিষেধ?
অনেকে মনে করে, কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা ঠিক নয়। এতে নাকি আঙ্গুল পঁচে যায়। এটি একটি ভিত্তিহীন কথা। জীবিত মানুষের দিকে যদি আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা যায় তাহলে কবরের দিকে ইশারা করলে দোষ হবে কেন? আর শরীয়তের দৃষ্টিতেও এতে কোনো বাধা নেই। আর এই কারণে কারো আঙ্গুল পঁচে গেছে-এমন কোনো নজিরও নেই। অতএব এই ধরনের ভিত্তিহীন কথা বলা ও বিশ্বাস রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

প্রচলিত ভুল (৩)

শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধুর পা ধোয়ানো

Pages