লিখেছেন: সবুজ বাঘ • প্রকাশকাল: 19 মে 2012 - 1:23পূর্বাহ্ন
হান্দার পট্টির সামনে আইয়াই ধরা খাইলাম। ঝমঝমাইয়া বৃষ্টি নামল। মেজাজটা চইষা গেল। বিষ্টিরে খানকির পুলা কইয়া গালি দিবার ইচ্ছা হইল। কিন্তু দিবার পারলাম না। তার আগেই বুইড়া বুইড়া বৃষ্টির ফোটা নাইমা আইতে লাগল।
কোনো বাড়ির সামনে খাড়াইয়া যে এট্টু আশ্রয় নিমু তারও উফায় নাই। হান্দাররা এমনেতেই জ্যান্দর। বাড়ির সামনে হাইগামাইগা থোয়। বড় বড় নাড্ডিলা গু দেখিয়া পেট মোচড়াইয়া বমি আসে। গরুর নাড়িভুরি, ঘাউয়ালা কুইত্তা ও ক্যাঁও ক্যাঁও করা কুত্তার বাচ্চা আর কাচা চামড়ার গন্ধে হান্দার পট্টি চিরকালই একটা অশান্তিপূর্ণ অন্ধকার। ফলে এইটুকু রাস্তা পাউ চালাইয়া আইগিয়া যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাম।
লিখেছেন: সাইদুল ইসলাম • প্রকাশকাল: 18 মে 2012 - 9:06অপরাহ্ন
"রাইট বাংলা অফলাইন প্যাড" ভার্শন ২.০
এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে যেকেউ খুব সহজে তাদের প্রিয় কীবোর্ড লেআউটে বাংলা লিখতে পারবেন।

লিখেছেন: বাংলাদেশের নাংলা • প্রকাশকাল: 18 মে 2012 - 5:15অপরাহ্ন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আন্দোলনের পর, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমস্যার মীমাংসা হয়েছে। পতন হচ্ছে উপাচার্যের। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্দোলন ছিল এই উপাচার্যের বিরুদ্ধে। লেখার শুরুতে এই উপাচার্য সম্পর্কে দু একটা কথা বলে রাখি। উপাচার্য শরীফ এনামুল কবীর একজন পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানী। রসায়ন শাস্ত্রে তার মৌলিক গবেষণা রয়েছে বলে আমি শুনেছি। তার পরও উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাবার পর থেকেই সাধারণ ছাত্রদের অনেকেই তার নাম বিকৃত করে ডাকে।
লিখেছেন: মামুন হক • প্রকাশকাল: 17 মে 2012 - 12:29অপরাহ্ন
সরদার স্যার একবার কথায় কথায় বলছিলেন, “দেখবা যতগুলা মানুষ ততগুলা বই, প্রতিটা মানুষ একেকটা বইয়ের সমান”। খুব সম্ভব এমন করেই বলছিলেন—
লিখেছেন: এফ রহমান • প্রকাশকাল: 16 মে 2012 - 9:25অপরাহ্ন
ঝড় এলো ঝড়
বাতাসেরা মারে চড়
ধূলো দেয় মাখিয়ে
গাছ পালা ঝাঁকিয়ে।
কালো মেঘ আকাশে
ভয়াল রুপ প্রকাশে,
গুরু গুরু ডাকে
রাখাল বালক হাঁকে।
মাঠে বাঁধা ছাগল
হয়ে গেছে পাগল
ছাগলের দিল লাফ
বৃষ্টিরা দিল ঝাঁপ।
আঁধার যেন রাতি
ঝড়েদের মাতামাতি,
ঘরে ঢুকে দেই দোর
বৃষ্টিঝরে বাহিরে অঝোর।
লিখেছেন: অসহায় • প্রকাশকাল: 16 মে 2012 - 5:04অপরাহ্ন
ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলছিলাম বিএনপি নেতাদের আত্মসমর্পন বিষয়ে, যদিও আমি আইন-আদালত সম্পর্কে খুব একটা জানি না। কথা বলতে গিয়ে বুঝতে পারলাম বিএনপি নেতাবৃন্দ এবং ব্যারিস্টার মঊদূদ আহমদ এবং আরও কয়েকজন আইনজীবীর উপর উনি প্রচন্ড ক্ষেপা… কারন জানতে চাইলে উনি যা বললেন তার সারাংশ হল… “ বিএনপি নেতৃবৃন্দ জেনে শুনেই মেজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন মূলত রাজনৈতিক ইস্যু তৈরির জন্য। কারন মেজিস্ট্রেট আদালতের জামিন মঞ্জুর করার ক্ষমতা নাই। বিএনপির বড়বড় আইনজীবীরা কি বিষয়টা জানতো না…? পাশেই দায়রা জজ আদালত, কেন ওখানে গেলেন না?
লিখেছেন: যূথচারী • প্রকাশকাল: 16 মে 2012 - 3:17পূর্বাহ্ন
পুরো নেপাল স্থবির হয়ে আছে। হরতাল চলছে দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। দেশের জেলায় জেলায় বিভিন্ন সংগঠন, গোষ্ঠী অথবা রাজনৈতিক দল আলাদা আলাদাভাবে হরতাল ডেকেছে, স্থানীয়ভাবে সেগুলো সফলও হচ্ছে। দাবিগুলো স্থানীয়ভাবে যথেষ্ট যুক্তিপূর্ণও। কিন্তু এই স্থানিক যৌক্তিক দাবিগুলো নেপালকে রাষ্ট্র হিসেবে স্থবির করে দিচ্ছে। রাজনীতিবিদরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে পারছেন না। সোমবার (১৪ মে ২০১২) দিনব্যাপী সংলাপের পর মঙ্গলবার তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে এই সমঝোতা মেনে নিতে পারেনি অনেক রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। চতুর্থ প্রধান রাজনৈতিক জোট, যারা আবার নেপালের আদিবাসী ও দলিত জাতিগোষ্ঠীর সর্ববৃহত্তম ঐক্যজোট
লিখেছেন: এমদাদুল হক • প্রকাশকাল: 15 মে 2012 - 1:06অপরাহ্ন
সমস্যা হারুকে নিয়া। মাছের কাটার মতো গলায় আটকাইয়া আছে, বিপদ এবং সমূহ বিপদ। হারুরে আর সহ্য করা যাইতেছে না। একদা হারুর বন্ধু মহল অতিষ্ঠ হইয়া উঠলো। শান্তি নাই, হারু কাউরে শান্তিতে থাকতে দিতাছে না। একই সাথে হারুর চরিত্রেও কেমন যেন এক ধরনের রহস্যময়টা ভর করে; কেন যেন কিছুই পরিষ্কার না, স্বচ্ছ না। একধরনের ধোয়াচ্ছন্নতায় আশে-পাশের এবং দূরের মানুষজনেরও চোখ জ্বালা করতে থাকে। এই জ্বালাময়টায় তো আর হারুর বন্ধু-স্বজন তাদের বউ এবং বাচ্চা নিয়া দিন পার করতে পারতেছে না। ব্যাচেলার বন্ধু গন তাদের বান্ধবী সমেত এই বিশৃঙ্খলায় পরিয়া গেলে, দু-পাঁচ জন সবল এবং প্রতিবাদী বন্ধু প্রতিবাদ করে উঠে এবং হারুর এই ক
লিখেছেন: কারুবাসনা • প্রকাশকাল: 15 মে 2012 - 10:34পূর্বাহ্ন
ল্যাম্পপোষ্ট ঘেঁসে একে বেঁকে চলে গেছে নরম তার। নদী। লেত্তি বা ভাঙ্গা হাটের পিছুটান। সবশেষে নেমে আসে পাখির ডানাটি, তার এলোমেলো বাসা; অশ্রুত নামের কোন এক পরির চুলের মত সুতীব্র ফেনায় বিদিশার নেশা। দীশাহীন মরুঝড়, খড়ে খড় ক্ষরক্ষর। বৃষ্টি নামে অতীত গোপন স্কুলে।
লিখেছেন: মৌনকুহর • প্রকাশকাল: 14 মে 2012 - 8:33পূর্বাহ্ন
“লাস্ট বেঞ্চ কর্নার- বাইরে যা তুই, এই মুহূর্তে বাইরে যা!”
--মুস্তাফিজ স্যারকে স্মরণ করলে আমার প্রথমে মনে পড়ে এই বাক্য, এরপর তার হাসিমাখা স্নেহার্দ্র মুখ, তারপর আর সবকিছু। এইট, নাইন, টেন-- টানা তিন বছর ক্লাস পেয়েছিলাম স্যারের। কিন্তু হিসেব কষলে দেখি, তাঁর মোট ক্লাসের প্রায় অর্ধেকটাই আমার কেটেছে ক্লাসের বাইরে করিডোরে দাঁড়িয়ে, কানের লতিতে হাত ঝুলিয়ে!
লিখেছেন: ফকির লালন দেওয়ান • প্রকাশকাল: 14 মে 2012 - 1:44পূর্বাহ্ন
আমরা যে গেট দিয়ে ঢুকেছিলাম সেখানে গিয়ে দেখি গেট তালাবন্ধ ,তাহলে উপায় ? উপায় একটাই সবাই পাস দিয়ে যে গেট দিয়ে ঢুকেছে সেদিক দিয়ে বের হওয়া , ঐ গেটে যেতেই দেখি আবার পাস চেক করে করে বের করছেন ,আমাদের তো পাস নাই তার মধ্যে একবার সেই আগুন্তুক আপার সাথে গেটের লোকজন দেখেছে যে এরা ঢুকতে এসেছিল , আমাদের কে দেখেই বলে কি ব্যাপার আপনারা কিভাবে ভিতরে গেলেন ,আপনাদের পাস কই ? পাস দেখাতে পারছিনা ,তাহলে তোরা ভিতরে ঢুকছিলি চুরি করে চুরি করতে না হয় কোন মেয়ের রুমে ঢুকছিলি আকাম করতে ! মুহূর্তের মধ্যে সিকিউরিটির দায়িত্বে থাকা এই ভদ্র লোকের কথার ধরন পালটে গেল, আপনে থেকে তুই , চোর !
লিখেছেন: আহমেদ শামীম • প্রকাশকাল: 12 মে 2012 - 10:15অপরাহ্ন
মায় খাওন রাইন্দ্যা দিলে চউদ্দরহম বাবে চুল বাইন্দা গুরন যায়।
গাদার বাচ্চাগুলাতো এতিম। ছডিগরেই মা গাদাডা মইরা গেছে।
এহন তাগো আনাজপাতি জোগার করন লাগে, রান্দন লাগে।
হেরপর যাও একরহম চুল বান্দে, চুলার তাপে হেইয়া চুম্রাইয়া থাহে।
হেল্লিগা এহাত্তুরের পর থিকা, কেউ কয়, গত পইঞ্চাশ বছর দইরা-
কুনো "বিন্যস্ত কেশ বোস-বসু" পয়দা অয় নাই।
গরিবের এইএক জালা, চুল ঠিক করব না চাল-চুলা ঠিক করব- দিশা পায় না।
বেদিশা গাদারা তবু এই আশায় পানি গোলা করে-
তাগো বংশে একদিন একটা চতুর চউদুরি বিয়াইবো।
হে কি আর অয়!
লিখেছেন: সৌমিত চন্দ জয়দ্বীপ • প্রকাশকাল: 12 মে 2012 - 11:06পূর্বাহ্ন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে সম্ভবত একটি কথা বারংবার উঠে এবং এ প্রসঙ্গটার সম্মুখীন বাইরে আমাকে অসংখ্যবার হতে হয়েছে। সম্ভবত অনেকেই হোন। সাম্প্রতিক সময়ে জুবায়ের হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে যে প্রথম ছাত্র-রাজনৈতিক-হত্যাকাণ্ডের বিচার বিশ্ববিদ্যালয়ের (আমরা এখনও বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও রাষ্ট্রীয় আইনে দ্রুত বিচারের তাগাদা দিয়ে কথা বলে যাচ্ছি এবং যাব। অন্যদিকে এ আন্দোলন বিগত হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচারের দাবিকেও সামনে নিয়ে এসেছে।) মাটিতে করাতে সমর্থ ও সফল হওয়া ঐতিহাসিক আন্দোলনটি দানা বাঁধল এবং অতঃপর এখানে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যে ঐতিহাসিক (ঐতিহাসিক ক
লিখেছেন: দস্যিপনা • প্রকাশকাল: 12 মে 2012 - 1:48পূর্বাহ্ন
আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যা কিনা ইতিহাসের অন্য যেকোনো যুগের চেয়ে সর্বাপেক্ষা আধুনিক ও সভ্য হিসেবে গণ্য। এই সভ্যতার অন্যতম সাফল্য ‘নারীমুক্তি’। আজকের নারীরা ঘরে-বাইরে সর্বত্রই সমান সফলতার পরিচয় দিচ্ছে। কখনো সে মা, কখনো বা শাষক, কখনও শিক্ষক আবার কখনো বা ছাত্রী। সবখানেই তার সমান পদচারণা।
এই সর্বজয়ী নারীরা ঘরের চার দেয়াল থেকে বেরিয়ে তার দিকবিজয়ী আলোকে আলোকিত করছে চতুর্দিক। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার, যদিও চার দেয়ালের বন্ধন থেকে নারীর শারীরিক মুক্তি হয়েছে; কিন্তু যা তার একান্তই নিজের, সেই ‘মানষিক চেতনা’ বা ‘চিন্তার’ জায়গায় আজো তারা আঁধারেই বন্দি।
লিখেছেন: জুয়েল থিওটোনিয়াস • প্রকাশকাল: 11 মে 2012 - 10:36পূর্বাহ্ন
আদিবাসীরা আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার হলেও তারা যথেষ্ট উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আদিবাসীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শতকরা ৫ ভাগ আসন বরাদ্দের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, প্রতিবছর মাত্র ১৫টি আসন সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা মোট আসনের মাত্র শতকরা ১ ভাগের মতো।
Pages