slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

সাধারণ ডায়েরি | ২৪ডিসেম্বর২০১৪ | রাত: ১১ টা ১১

এই মাত্র একটা খুন করে আসলাম রাস্তায়, আমি সাধারণত মুরগির মাংস খাই না কারণ সেটা খাবার উপযুক্ত করার জন্য রক্ত ঝরাতে হয়; রক্ত আমার পছন্দ না। সকাল থেকেই অনেক ফুরফুরে মেজাজে আছি, জীবন সুন্দর এইটা প্রতিমুহূর্তে উপলব্ধি করছি, বান্ধবীর সাথে সিনেমা দেখে, সিনেমা হল থেকে হাত ধরে হেটে হেটে, হেলে দুলে গান ও গেয়েছি; সুন্দর আবহাওয়া, খুব একটা শীত না আবার মটর সাইকেল চালানোর সময় মুখে বাতাসের ঝাপটা যে অনুভূতি দিচ্ছিল তাতে প্রতি মুহূর্তে শিহরিত হয়ে ভেবেছি জীবন কত সুন্দর। অথচ এই মাত্র একটা খুন করলাম, আসলে খুন না, এক্সিডেন্ট।

ভয়

এই গ্রীষ্মের কোন এক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আমরা কয়েক কলিগ মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম চিয়াংমাই এর উঁচু স্থান ডয় ইনহানন এ । বেশ কয়দিন ধরে আলাপ হচ্ছিল কফি ব্রেক এর সময় সামনের ছুটিতে কোথাও যাওয়া যায় কিনা । অবশেষে পি প্রস্তাব দিল ডয় ইনহানন এ যেতে । ওখানে কারেন দের একটা গ্রাম আছে আর প্রাকৃতিক দৃশ্যও অনেক সুন্দর। তাই ওখানে দুইরাত দুইদিন থাকার পরিকল্পনা করা হল। আমরা শুক্রবার সন্ধ্যে নাগাদ পৌঁছে গেলাম। কাছেই একটা ন্যাশনাল পার্ক আছে সেটিকে বাঁদিকে রেখে ডানদিকে গেলেই সেই গ্রাম । গ্রামের নাম নং লম । গ্রামের সবাই বেশীরভাগ কারেন আদিবাসী । আমরা পৌঁছার পর রাত মনে হচ্ছে অনেক গভীর হয়েছে অথচ মাত্র ৭টা । আমা

স্মৃতিকথা

 সেইবার মনে নেই কোন  সালে  স্কুলের এক অনুষ্ঠানে গান গাইব বলে ঠিক করেছিলাম নাম ও দিয়েছিলাম । নাম দেওয়ার পর থেকে বিপত্তি আমার ক্লাসের ছেলে বন্ধুদের সাথে সব সময় এমনিতে ঝগড়া তো ছিল। তারা কিভাবে যেন যেনে গেল আমরা গান গাইব । এরপর থেকে সকাল বিকাল আমাদের পিছু ওরা লেগে থাকতো । তারা আমাদের নাম দিয়েছিল বাংলার বিখ্যাত গায়িকা। আমরা যে গানটি গাইব বলে ঠিক করেছিলাম সেটা ছিল বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার বায়ু বাংলার ফল । দুই একবার অনুশীলন করা ও হল । কিন্তু ওই বাদররা সকাল বিকাল কানের কাছে ঐ গানটা কানের কাছে হেঁড়ে গলায় এত গাইছিল যে আমর

জনাব হাসান মাহমুদ সাহেব হাক্কানী মিশন কর্তিৃক আমন্ত্রিত

জনাব হাসান মাহমুদ সাহেব হাক্কানী মিশন কর্তিৃক আমন্ত্রিত।

 


কেন তিনি আমন্ত্রিত?
হাসান মাহমুদ সাহেব দীর্ঘদিন যাবৎ তার লিখনী, ভিডিও, বক্তব্য, সভা সমাবেশ এর মধ্য দিয়ে কোরান হাদিছের আলোকে ইছলামের শান্তি পূর্ণ দিকটা তুলে ধরে, ধর্মের নামে বর্বরিক আচরন দূর করার লক্ষে ও মুসলমানদেরকে বর্তমান যুগের সংগে খাপ খাইয়ে অন্যান্য জাতির সংগে হিংসাত্মক মনোভাব পরিহার করে, একটা পরশ্পরের সংগে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্ব ভাব বজায় রেখে একত্রে বসবাসের ফর্মুলার উপর কাজ করে যাচ্ছেন।

স্মৃতির পাতা থেকে…

 

জীবনের নিঃসঙ্গ বন্ধুর পথ চলতে চলতে
আকস্মিক তার সাথে দেখা।
অজানা, অচেনা
তবু যেন কত পরিচিত,
যুগ জন্মান্তরের চেনা।
ভাবি এই বুঝি আমার ঠিকানা,
এখানেই বুঝি পথচলা শেষ।
এখানেই বুঝি ভালবাসার ছায়ায় বিশ্রাম
অবিরাম বিশ্রাম।

শহীদ ডাঃ মিলন আর শহীদ নূর হোসেন –এর ‘দল’ আওয়ামী লীগের হাতে আজ গণতন্ত্রের শবযাত্রা

"রক্ত আমার এখন পথে মুছে যায় নি
জনতার স্রোত মন্থর হয়ে থেমে থাকেনি
রক্ত আমার জ্বলছে বিষের আগুনে
চারিদিক আজ প্রতিহিংসার আগুনে
আমি প্রতিশোধ নেব এবার।

ও গো মা তুমি কেদো না
মিলনের রক্তে আমি
হটিয়েছি স্বৈরাচারী
উড়িয়েছি স্বাধীনতার পতাকা"

যে কথা ইতিহাসে নেই ৪র্থ পর্ব

তসলিমা নাসরীনের দেশে ফেরা না ফেরাঃ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও একজন দ্বাদশ ব্যক্তি ’র কিছু বক্তব্য

( ১)
সেদিন ছিল ২৫ শে আগস্ট। আজ থেকে মাস দুয়েক আগের ঘটনা। তসলিমা নাসরীনকে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়া ও তার নাগরিক অধিকার আদায়ের জন্য শাহবাগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল ‘তসলিমা পক্ষ’। মানববন্ধন শেষ করে তসলিমা পক্ষের কর্মী ও তসলিমার সমর্থকেরা পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গিয়ে তসলিমা নাসরীনের জন্মদিন উদযাপন করেছিল। যেহেতু, তসলিমাকে দেশে আসতে দেয়ার দাবির প্রতি আমার সমর্থন আছে, তাই এই প্রোগ্রামে আমিও ছিলাম তাদের সাথে।

 

বাংলাদেশের হিন্দুরা সকল সময়েই গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিনের পাশেই একটা সাইনবোর্ড। তাতে মুক্তিযোদ্ধের সময় নিহতদের একটি তালিকা। তালিকাটিতে দেখলাম যারা ২৫ মার্চ রাতে নিহত হয়েছেন তাদের  বেশির ভাগই হিন্দু ধর্মালম্বি। মনে প্রশ্ন জাগলো তাহলে পাকিস্তানিবাহিনী কী মুসলিমদের  ছেড়ে দিয়েছিল । আর  বেছেবেছে হিন্দুদের হত্যা করেছিল। প্রমান পেলাম বিভিন্ন বই পুস্তকে।( কোন কোন বই কাদের লিখা এসব বলে লেখাটি দীর্ঘ করতে চা্ইছি না)।   ষেখানে স্পষ্ট করে লিখা রয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী হিন্দু প্রধান গ্রাম। হিন্দুদের বাড়ি। আক্রমন করেছে সবচেয়ে বেশি। আর প্রতিবেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের লোক এইসব লুটপাটে অংশ নিয়েছে। সুযোগমতো হ

প্রেম ও নৈরাজ্যের গল্প

অশনিসংকেতের মতন দিনের আলো। নগরের মানুষগুলো যেন আগের রাতেই টের পেয়ে গেছে সবকিছু অথবা গভীর ঘুম থেকে স্বপ্নের কামানের গর্জনে জেগে উঠতে উঠতে দেখেছে সেই অমোঘ খোয়াব অথবা মানুষের হৃদয় ইন্দ্রীয় পরম বিশ্বাসে জেগে উঠে বলে গেছে সেই অশনিসংকেতের কথা। সকাল থেকেই নগর আজ নির্জন। কোথাও কোন শব্দ নেই। সারি সারি গাড়ির শব্দ যেন পিচঢালা পথের কৃষ্ণ গহ্বরে গিলে খাচ্ছে। সকল হাইড্রোলিক শিঙা বিকল আজ। কোথাও কোন বাদ-প্রতিবাদ নেই। চিৎকার চেঁচামেচি নেই। যাত্রী নিয়ে নি:শব্দে পৌঁছে যাচ্ছে রিকশা নির্দিষ্ট গন্তব্যে। দরকষাকষির বাক-বিতন্ডা নেই নিত্যদিনের মত। হেমন্তের এই রকম দিন এই নগর এর আগে দেখেছে

যে কথা ইতিহাসে নেই ৩য় পর্ব

৫১. যদি কোন কিছুর সূচনা হয় নাটকীয়ভাবে , সমাপ্তি ঘটে অধিকতর নাটকীয়তায়|
৫২. মানুষের বিশ্বাস ও অনুভূতিতে টোকা দিলেই উন্মোচিত হয় স্বরুপ। আর তা থেকেই কেবল তাকে সত্যিকারে চেনা সম্ভব|
৫৩. সমস্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে, সমাধান সুশিক্ষার প্রায়োগিক দ্বারে|
৫৪. যে কোন জাতীয় ইস্যুতে শুধুমাত্র সুবিধাবাদী, কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতকেরাই নীরব থাকে|
৫৫. যে ব্যক্তি ভিনদেশী ভাষাকে সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখে না সে ব্যক্তি নিজের মাতৃভাষাকে প্রকৃতপক্ষে কখনোই ভালবাসে না|

আত্মকথা : ৩

অ.
যে পাতায় নাম লিখেছি শিশির ছুঁয়ে এক সকালে
সেই সবুজের খোঁজ জানো কেউ, অন্ধকারের মর্মমূলে?

আ.
জানতে চেয়েছি সন্ধ্যা-বকের কাছে
মৃত্যুর চেয়ে শান্তি কোথাও আছে?

পাখি এবং

ঈদ এলে বঙ্গদেশে কাপড়-চোপড় কেনার উত্তেজনা প্রায় মাতমের পর্যায়ে চড়ে যায়। হয়ত সব দেশেই উৎসবে এমনটাই হয়ে থাকে। আর এই মাতমের আগুনে ঘি ছড়ায় নিত্য নতুন ঢংয়ের পোষাক-আষাক। এই ঢং রংয়ের ক্ষেত্রে অনেকদিন একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল বলিউড তারকাদের হালের সিনেমায় পরিহিত কাপড়-চোপড়। সেই স্থানটি পরে দখলে নেয় হিন্দি সিরিয়ালের কুশিলবরা, আর ইদানিং তাতে ভাগ বসাচ্ছে কলকাতার বাংলা চ্যানেলে প্রদর্শিত সিরিয়ালের নানা চরিত্র। গত ঈদে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল তা হলো বোঝে না সে বোঝে না সিরিয়ালের পাখি আর সেই পাখি কর্তৃক পরিহিত বিশেষ ঢংয়ের পোষাক। সমস্ত তরুণীরা নাকি হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল ওই পোষাকের ওপর। তবে সব তরুণী কিংবা তাদের পিতা-মাতার সহায় সম্বল এবং মেজাজ তো আর এক রকম নয়, তাই অনেককেই হয়ত ব্যর্থ মনোরথে পুরনো কাপড় পরেই ঈদ করতে হয়েছে কিংবা অল্প পয়সায় কম পছন্দের কোন পোষাক ক্রয় করতে হয়েছে অথবা বাবা-মায়ের পছন্দের পোষাকটিই গ্রহণ করতে হয়েছে। কিন্তু এই ব্যর্থতা হয়ত অনেক তরুণীই মানতে রাজী হয়নি, তারা হয়ত নানা পথ বেছে নিয়েছে, কিন্তু তিনজন নিয়েছে আত্মহননের পথ।

জলাশয়

বিশাল বটের শেকড়ের ওপর গা এলিয়ে দিয়ে বুড়োটা অথৈ জলের দিকে মুখ করে আছে। উস্কখুস্ক চুল, চোয়ালের পেশি মাঝেমাঝে চমকে চমকে উঠছে,  চোখ বন্ধ কিন্তু পিটপিট করছে। স্বপ্ন দেখছে না তো বুড়োটা? ঘুমন্ত শরীর যেমন নিশ্চিন্ত শিথিলভাবে পড়ে থাকে ঠিক তেমন নয়, কোথায় যেন ঘাটতি আছে, তটস্থ একটা ভাব আছে। মুখ, হাত, পায়ের অনেক পেশিই বুঝি সজাগ। আমি ধীরে ধীরে কাছে এগিয়ে যাই। মনে হল, ওইসব সজাগ কোষ আমার উপস্থিতি টের পাচ্ছে এবং প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করেছে। এইসব সজাগ পেশি হয়ত বুড়োকে চোখ খুলতে বাধ্য করবে এবং জিজ্ঞেস করতে বলবে, ‘আপনে ক্যাডা?’
 
এখানে আমি অনেককাল পর এলাম। নগরের কাছেই সূতার মত একটি নদী, বর্ষা এলে চারপাশের বিস্তির্ণ নিম্নভূমি ডুবে বিশাল এক জলাভূমির সৃষ্টি হয়। হাঁসফাঁস নগরের পাশেই এমন খোলা জলাধার, কিছুক্ষণ বসলে প্রাণ জুড়াবেই। দেখছি, এখন আর কেউ আসে না, একসময় মানুষের ভীড় লেগে থাকত। যেদিকে তাকাই আমি আর এই বুড়ো ছাড়া কেউ নেই, শুধু মহাসড়ক ধরে সাঁ সাঁ করে বাস-ট্রাক-গাড়ি চলে যাচ্ছে, এক পল থেমে জিরানোর মত কারও অবসর নেই।

এবং ভালোবাসা

ভালোবাসার প্রবল হাতছানি উপেক্ষা করতে পারেনি দুজন।

মেয়েটির চোখের গভীরতায় রয়েছে যে বিস্ময় ও রহস্যময়তা তা খুঁজার ও বুঝার সামর্থ্য থাকলেও অবসর মেলেনি ছেলেটির আগে কখনো। মেয়েটির প্রতি টান নেই তা নয়, নিবিষ্টতা ও রয়েছে; রয়েছে প্রেমের কোমল নান্দনিক চেতনা ও ঔদায বোধ। তাইতো একদিন সে হারিয়ে গেলো মেয়েটির দিশেহারা চোখের অথই গভীরে।

ন্যায় বিচারের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে!

মরে বেঁচে গেলেন ইয়াসিন মিয়া। তিনি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। আমাদের দেশে যেখানে প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারায়, সেখানে একজন ইয়াসিন মিয়ার মৃত্যু কোন গুরুত্বপূর্ণ খবর না। তারপরও বিষয়টা খবর হয়ে কিঞ্চিৎ মানবিক দায় তৈরি

প্রথাগত ভূমি অধিকারের স্বীকৃতি ছাড়া পাহাড়িদের ভূমি অধিকারের নিশ্চয়তা কোথায়?

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'পাহাড়ে বসবাসকারী সবার ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যা করার প্রয়োজন তার সবই করবে সরকার।'(ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)

তিনি আরো বলেছেন, 'যারা পার্বত্যাঞ্চলে থাকেন তাদের ভূমির অধিকার রয়েছে। তারা আমাদের দেশের নাগরিক। এজন্য দেশের নাগরিকদের মতো তারাও ভূমির অধিকার ভোগ করবেন।' (সূত্র: ঐ)

Pages