slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

যে কথা ইতিহাসে নেই ৪র্থ পর্ব

তসলিমা নাসরীনের দেশে ফেরা না ফেরাঃ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও একজন দ্বাদশ ব্যক্তি ’র কিছু বক্তব্য

( ১)
সেদিন ছিল ২৫ শে আগস্ট। আজ থেকে মাস দুয়েক আগের ঘটনা। তসলিমা নাসরীনকে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়া ও তার নাগরিক অধিকার আদায়ের জন্য শাহবাগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল ‘তসলিমা পক্ষ’। মানববন্ধন শেষ করে তসলিমা পক্ষের কর্মী ও তসলিমার সমর্থকেরা পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গিয়ে তসলিমা নাসরীনের জন্মদিন উদযাপন করেছিল। যেহেতু, তসলিমাকে দেশে আসতে দেয়ার দাবির প্রতি আমার সমর্থন আছে, তাই এই প্রোগ্রামে আমিও ছিলাম তাদের সাথে।

 

বাংলাদেশের হিন্দুরা সকল সময়েই গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিনের পাশেই একটা সাইনবোর্ড। তাতে মুক্তিযোদ্ধের সময় নিহতদের একটি তালিকা। তালিকাটিতে দেখলাম যারা ২৫ মার্চ রাতে নিহত হয়েছেন তাদের  বেশির ভাগই হিন্দু ধর্মালম্বি। মনে প্রশ্ন জাগলো তাহলে পাকিস্তানিবাহিনী কী মুসলিমদের  ছেড়ে দিয়েছিল । আর  বেছেবেছে হিন্দুদের হত্যা করেছিল। প্রমান পেলাম বিভিন্ন বই পুস্তকে।( কোন কোন বই কাদের লিখা এসব বলে লেখাটি দীর্ঘ করতে চা্ইছি না)।   ষেখানে স্পষ্ট করে লিখা রয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী হিন্দু প্রধান গ্রাম। হিন্দুদের বাড়ি। আক্রমন করেছে সবচেয়ে বেশি। আর প্রতিবেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের লোক এইসব লুটপাটে অংশ নিয়েছে। সুযোগমতো হ

প্রেম ও নৈরাজ্যের গল্প

অশনিসংকেতের মতন দিনের আলো। নগরের মানুষগুলো যেন আগের রাতেই টের পেয়ে গেছে সবকিছু অথবা গভীর ঘুম থেকে স্বপ্নের কামানের গর্জনে জেগে উঠতে উঠতে দেখেছে সেই অমোঘ খোয়াব অথবা মানুষের হৃদয় ইন্দ্রীয় পরম বিশ্বাসে জেগে উঠে বলে গেছে সেই অশনিসংকেতের কথা। সকাল থেকেই নগর আজ নির্জন। কোথাও কোন শব্দ নেই। সারি সারি গাড়ির শব্দ যেন পিচঢালা পথের কৃষ্ণ গহ্বরে গিলে খাচ্ছে। সকল হাইড্রোলিক শিঙা বিকল আজ। কোথাও কোন বাদ-প্রতিবাদ নেই। চিৎকার চেঁচামেচি নেই। যাত্রী নিয়ে নি:শব্দে পৌঁছে যাচ্ছে রিকশা নির্দিষ্ট গন্তব্যে। দরকষাকষির বাক-বিতন্ডা নেই নিত্যদিনের মত। হেমন্তের এই রকম দিন এই নগর এর আগে দেখেছে

যে কথা ইতিহাসে নেই ৩য় পর্ব

৫১. যদি কোন কিছুর সূচনা হয় নাটকীয়ভাবে , সমাপ্তি ঘটে অধিকতর নাটকীয়তায়|
৫২. মানুষের বিশ্বাস ও অনুভূতিতে টোকা দিলেই উন্মোচিত হয় স্বরুপ। আর তা থেকেই কেবল তাকে সত্যিকারে চেনা সম্ভব|
৫৩. সমস্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে, সমাধান সুশিক্ষার প্রায়োগিক দ্বারে|
৫৪. যে কোন জাতীয় ইস্যুতে শুধুমাত্র সুবিধাবাদী, কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতকেরাই নীরব থাকে|
৫৫. যে ব্যক্তি ভিনদেশী ভাষাকে সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখে না সে ব্যক্তি নিজের মাতৃভাষাকে প্রকৃতপক্ষে কখনোই ভালবাসে না|

আত্মকথা : ৩

অ.
যে পাতায় নাম লিখেছি শিশির ছুঁয়ে এক সকালে
সেই সবুজের খোঁজ জানো কেউ, অন্ধকারের মর্মমূলে?

আ.
জানতে চেয়েছি সন্ধ্যা-বকের কাছে
মৃত্যুর চেয়ে শান্তি কোথাও আছে?

পাখি এবং

ঈদ এলে বঙ্গদেশে কাপড়-চোপড় কেনার উত্তেজনা প্রায় মাতমের পর্যায়ে চড়ে যায়। হয়ত সব দেশেই উৎসবে এমনটাই হয়ে থাকে। আর এই মাতমের আগুনে ঘি ছড়ায় নিত্য নতুন ঢংয়ের পোষাক-আষাক। এই ঢং রংয়ের ক্ষেত্রে অনেকদিন একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল বলিউড তারকাদের হালের সিনেমায় পরিহিত কাপড়-চোপড়। সেই স্থানটি পরে দখলে নেয় হিন্দি সিরিয়ালের কুশিলবরা, আর ইদানিং তাতে ভাগ বসাচ্ছে কলকাতার বাংলা চ্যানেলে প্রদর্শিত সিরিয়ালের নানা চরিত্র। গত ঈদে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল তা হলো বোঝে না সে বোঝে না সিরিয়ালের পাখি আর সেই পাখি কর্তৃক পরিহিত বিশেষ ঢংয়ের পোষাক। সমস্ত তরুণীরা নাকি হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল ওই পোষাকের ওপর। তবে সব তরুণী কিংবা তাদের পিতা-মাতার সহায় সম্বল এবং মেজাজ তো আর এক রকম নয়, তাই অনেককেই হয়ত ব্যর্থ মনোরথে পুরনো কাপড় পরেই ঈদ করতে হয়েছে কিংবা অল্প পয়সায় কম পছন্দের কোন পোষাক ক্রয় করতে হয়েছে অথবা বাবা-মায়ের পছন্দের পোষাকটিই গ্রহণ করতে হয়েছে। কিন্তু এই ব্যর্থতা হয়ত অনেক তরুণীই মানতে রাজী হয়নি, তারা হয়ত নানা পথ বেছে নিয়েছে, কিন্তু তিনজন নিয়েছে আত্মহননের পথ।

জলাশয়

বিশাল বটের শেকড়ের ওপর গা এলিয়ে দিয়ে বুড়োটা অথৈ জলের দিকে মুখ করে আছে। উস্কখুস্ক চুল, চোয়ালের পেশি মাঝেমাঝে চমকে চমকে উঠছে,  চোখ বন্ধ কিন্তু পিটপিট করছে। স্বপ্ন দেখছে না তো বুড়োটা? ঘুমন্ত শরীর যেমন নিশ্চিন্ত শিথিলভাবে পড়ে থাকে ঠিক তেমন নয়, কোথায় যেন ঘাটতি আছে, তটস্থ একটা ভাব আছে। মুখ, হাত, পায়ের অনেক পেশিই বুঝি সজাগ। আমি ধীরে ধীরে কাছে এগিয়ে যাই। মনে হল, ওইসব সজাগ কোষ আমার উপস্থিতি টের পাচ্ছে এবং প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করেছে। এইসব সজাগ পেশি হয়ত বুড়োকে চোখ খুলতে বাধ্য করবে এবং জিজ্ঞেস করতে বলবে, ‘আপনে ক্যাডা?’
 
এখানে আমি অনেককাল পর এলাম। নগরের কাছেই সূতার মত একটি নদী, বর্ষা এলে চারপাশের বিস্তির্ণ নিম্নভূমি ডুবে বিশাল এক জলাভূমির সৃষ্টি হয়। হাঁসফাঁস নগরের পাশেই এমন খোলা জলাধার, কিছুক্ষণ বসলে প্রাণ জুড়াবেই। দেখছি, এখন আর কেউ আসে না, একসময় মানুষের ভীড় লেগে থাকত। যেদিকে তাকাই আমি আর এই বুড়ো ছাড়া কেউ নেই, শুধু মহাসড়ক ধরে সাঁ সাঁ করে বাস-ট্রাক-গাড়ি চলে যাচ্ছে, এক পল থেমে জিরানোর মত কারও অবসর নেই।

এবং ভালোবাসা

ভালোবাসার প্রবল হাতছানি উপেক্ষা করতে পারেনি দুজন।

মেয়েটির চোখের গভীরতায় রয়েছে যে বিস্ময় ও রহস্যময়তা তা খুঁজার ও বুঝার সামর্থ্য থাকলেও অবসর মেলেনি ছেলেটির আগে কখনো। মেয়েটির প্রতি টান নেই তা নয়, নিবিষ্টতা ও রয়েছে; রয়েছে প্রেমের কোমল নান্দনিক চেতনা ও ঔদায বোধ। তাইতো একদিন সে হারিয়ে গেলো মেয়েটির দিশেহারা চোখের অথই গভীরে।

ন্যায় বিচারের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে!

মরে বেঁচে গেলেন ইয়াসিন মিয়া। তিনি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। আমাদের দেশে যেখানে প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারায়, সেখানে একজন ইয়াসিন মিয়ার মৃত্যু কোন গুরুত্বপূর্ণ খবর না। তারপরও বিষয়টা খবর হয়ে কিঞ্চিৎ মানবিক দায় তৈরি

প্রথাগত ভূমি অধিকারের স্বীকৃতি ছাড়া পাহাড়িদের ভূমি অধিকারের নিশ্চয়তা কোথায়?

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'পাহাড়ে বসবাসকারী সবার ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যা করার প্রয়োজন তার সবই করবে সরকার।'(ইত্তেফাক, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)

তিনি আরো বলেছেন, 'যারা পার্বত্যাঞ্চলে থাকেন তাদের ভূমির অধিকার রয়েছে। তারা আমাদের দেশের নাগরিক। এজন্য দেশের নাগরিকদের মতো তারাও ভূমির অধিকার ভোগ করবেন।' (সূত্র: ঐ)

পিঠ

পিঠ বাঁচিয়ে চলতে চলতে আর নিজের আখের গোছানোর ধান্দায় সুবিধামতন পিঠটান দিতে দিতে কখন কোথায় যে হারিয়ে গেলো পিঠটাই- ঠিক বুঝে ওঠা হয়নি। হঠাৎ পিঠের শিরদাঁড়াতে চিনচিনে শিরশিরানি অনুভবে হাত বুলাতে গিয়ে বুঝা গেলো পিঠটা উধাও। বাকি জীবনটা সুখে,বিলাসে, নিরাপত্তায় কাটল, শুধু মাঝে-মধ্যে পিঠের দুষ্টু শিরশিরানি বাদে।

কেরায়ের নাও

গত কয়েক বছরে দেশ থেকে যেসব জিনিস মোটামুটি বিদায় নিয়েছে তার মধ্যে ভাড়ায় চালিত মাঝির নৌকা অন্যতম। বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় একে কেরায়ের নাও বলে, অন্য অঞ্চলে হয়ত অন্য নাম রয়েছে। এই কেরায়ের নাও হল ছইওয়ালা নৌকা যা নদী এলাকায় গ্রামে-গঞ্জে একসময় ভাড়ায় চলাচল করত। এইসব নৌকার মাঝিরা অন্য অনেক পেশার মত বংশ পরম্পরায় মাঝিগিরি করত। আমাদের গ্রামের এক বর্গমাইলের মধ্যে অন্তত দু’টি মাঝি বাড়ি ছিল, এখনও রয়েছে। ছোটবেলায় দেখেছি তাদের মধ্যে স্বপেশায় নিয়োজিত রয়েছে মাত্র দু’এক জন। তবে পেশা ছাড়লেও আজ অবধি কেউ উপাধি ছাড়েনি, অমুক মাঝি, তমুক মাঝি নামে তারা তাদের বংশ পরিচয় জাহির করে যাচ্ছে।

আমরা যখন বসবাসের উদ্দেশ্যে গ্রাম থেকে বাবার কর্মস্থলে যাই তখন আমার বয়স টেনেটুনে পাঁচ বছর। বাবার কর্মস্থল অন্য জেলার দূরবর্তী এক উপজেলা সদরে। ওখানে যাবার মূল বাহন লঞ্চ। আবার গ্রাম থেকে নিকটবর্তী লঞ্চঘাটে যাবার বাহন হণ্টন অথবা নৌকা। যেহেতু একটি পরিবারের স্থানান্তরের বিষয় সেকারণে মালপত্রও কম নয়। তাই হণ্টন কোন উপযুক্ত পদ্ধতি নয়। অগত্যা একটি কেরায়ের নাও আনা হল।

বিবর্ণ ব্লগ

অনেক দিন লেখা হয় না। আমাদের ভালবাসার উন্মোচনের সেই প্রাণোচ্ছল দিন আর নেই। আমারও। এরমধ্যে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ঝড়ঝঞ্জা বয়ে গেছে। সম্পর্ক-বিশ্বাস নাড়া খেয়েছে। বয়ে গেছে সুবাতাসও। অভিঘাতগুলো সামলে চলার কোন বিকল্প নেই। তাই ফিরে আসা। বলা ভাল, ফেরার চেষ্টা।

মৌদুদীবাদের দশচক্র জাতিকে জানাতেই হবে।

মৌদুদীবাদের দশচক্র  জাতিকে জানাতেই হবে। ২৩শে আগষ্ট ৪৪ মুক্তিসন (২০১৪)

লেখক-হাসান মাহমুদ

প্রকাশক-আঃ হাকিম চাকলাদার (লেখকের অনুমোদনক্রমে)

"দশচক্রে ভগবান ভুত" - ধুর্তরা কোন কিছুকে কয়েকবার ঘূর্ণন দিয়ে উল্টো কিছু বানিয়ে দিতে সুদক্ষ। পেট্রলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বেড়ে গিয়ে সবকিছুর দাম বাড়ে আর সেই হ্যাপা আমাদের এড়াবার উপায় নেই। মৌদুদীবাদীরা যে সুদক্ষ প্ল্যানে আমাদের সংস্কৃতি/রাজনীতি আক্রমণ/অনুপ্রবেশ করেছে সেটাও আমাদের এড়াবার উপায় নেই। শারিয়া আইন তার কেন্দ্রবিন্দু, তার এসব তথ্য জাতিকে জানাতেই হবে। এর অনেক কিছুই অবিশ্বাস্য কিন্তু কোনটাই আমার কথা নয়, দেখাচ্ছি ইসলামি দলিলের নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে যা আমার বইতে দেয়া আছে।

বাংলাদেশে ভিক্ষাবৃত্তিঃ কারণ ও প্রতিকার

ভিক্ষা শব্দের আভিধানিক অর্থ-যাচিত বস্তু, প্রার্থনা, সাহায্য চাওয়া। ভিক্ষাবৃত্তি মানে ভিক্ষার মাধ্যমে জীবনধারণ। আর যারা নিজের অক্ষমতা ও অসামর্থ্যের কথা অন্যের কাছে অকপটে ব্যক্ত করার মাধ্যমে সাহায্য নিয়ে জীবিকানির্বাহ করে-তারাই ভিক্ষুক। ঠিক কবে থেকে ভিক্ষাবৃত্তির প্রচলন হয়েছে, তা বলা সম্ভব না হলেও একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এ এক প্রাচীন পেশা। পৃথিবীর সবদেশেই ভিক্ষুক আছে এবং হয়তো থাকবেও। কিন্তু এদেশের মতো এতো সর্বব্যাপী জীবিকার মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এ পেশা সম্ভবত বিশ্বের কোথাও নেই। এ কারণেই উন্নত বিশ্বে ভিক্ষাবৃত্তি একটা বিচ্ছিন্ন ও অজটিল ব্যাপার হলেও বাংলাদেশের মতো দারিদ্র্যপীড়িত উন্নয়নশীল দ

পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও আমি নিজে পুরুষতন্ত্রের শিকার!

উপরের শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়ত চমকে উঠবেন- কিভাবে, কিভাবে এটা সম্ভব!
বলছি, একে একে গুটিকতক-

রকমারি ই বুক লাইব্রেরী

রকমারি ই বুক লাইব্রেরী
লেখক-হাসান মাহমুদ
প্রকাশক- জামসেদ (লেখকের অনুমোদন ক্রমে)
সূত্র- http://www.rokomari.com/all-reviews/27593?sort=latest
রকমারি ই বুক লাইব্রেরীর বুক সেলফে “শরিয়া কি বলে আমরা কী করি” উপরের লিংক এর মাধ্যমে সে কেহ ঘরে বসে সংগ্রহ করতে পারেন।খুব সুন্দর ব্যবস্থা। বাংলা দেশে এত সুন্দর ব্যবস্থা হয়েছে আমার ও জানা ছিলনা।

টুকরো-টাকরা রবীন্দ্রনাথ

প্রার্থনা ও প্রেম

এবার রবীন্দ্র প্রয়াণে ঢাকার আকাশ মোটেই কাঁদল না। পুরো আকাশ জুড়ে মনে হল শরতের মেঘকে ধাওয়া করে নিয়ে যাচ্ছে বাতাস। যদিও শরত দরজায় খাড়া, তবু এই খেলা শুরু হয়েছে বর্ষাকালের শুরু থেকেই, আষাঢ় মাস আরম্ভ হতেই। মাঝে মাঝে বর্ষা তার চেহারা দেখালেও এই ছিল এবার বর্ষাকালের সাধারণ রূপ। হয়ত ভাল একটা ঝুম ঝুম বর্ষাকাল পাবার জন্য আগামী বছর কিংবা আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

Pages